Sobar Desh | সবার দেশ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ০০:০৭, ২৫ মে ২০২৫

ডিন’স অ্যাওয়ার্ড পেলেন ইবির ৩৫ শিক্ষার্থী

ডিন’স অ্যাওয়ার্ড পেলেন ইবির ৩৫ শিক্ষার্থী
ছবি: সবার দেশ

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ডিন’স অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন আটটি অনুষদের ৩৫ জন শিক্ষার্থী। 

শনিবার (২৪ মে) বেলা ১২টায় বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের হাতে এ পদক, সনদ ও নগদ অর্থ তুলে দেয়া হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. এয়াকুব আলী এবং কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম। অনুষ্ঠানটি সভাপতিত্ব করেন ডিনস কমিটির সভাপতি ও থিওলজি অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. অ.ব.ম. ছিদ্দিকুর রহমান আশরাফী। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ও প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. মনজুরুল হক।

এছাড়াও আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. এমতাজ হোসেন, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. বেগম রোকসানা মিলি, আইন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. খোন্দকার তৌহিদুল আনাম, ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. শেলিনা নাসরিন, বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আসাদুজ্জামান এবং জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. বাবলী সাবিনা আজহার।

অনুষ্ঠানে কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, একটি জাতির উন্নয়ন নির্ভর করে সে দেশের মেধাবী মানুষদের যথাযথ ভূমিকার উপর। তিনি বলেন, মেধাবীদের এ ভূমিকা বিভিন্নভাবে প্রতিফলিত হয়। মেধাবীরা নতুন জ্ঞান সৃষ্টি করে এবং গবেষণা ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে তারা সমাজের সমস্যা চিহ্নিত করে তার সমাধান বের করে। দেশে নীতি-নির্ধারক, শিক্ষক, বিজ্ঞানী, প্রকৌশলী, চিকিৎসক প্রভৃতি ক্ষেত্রে মেধাবী তৈরি করছি আমরা।

উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. এয়াকুব আলী বলেন, যে অবস্থায় পূর্বে এ দেশ ছিল, সেখানে মেধার মূল্যায়ন তো অনেক দূরে, এই ‘মেধাবী’ শব্দটিই আমরা ভুলতে বসেছিলাম। সেখান থেকে দেশ আজ উঠে এসেছে। মাঝখানে হারিয়ে গেছে অসংখ্য তাজা প্রাণ। সে ঝরে যাওয়া প্রাণের বিনিময়ে তোমাদের এ মেধার মূল্যায়ন করা হচ্ছে। তোমাদের অঙ্গীকার করতে হবে—দেশের জন্য যারা প্রাণ দিয়েছে, সে দেশের উন্নয়নে তোমরা কাজ করে যাবে। তোমাদের মতো মেধাবীদেরকেই সমাজের অন্যায়, বৈষম্য ও কুসংস্কারের বিরুদ্ধে সচেতনতা গড়ে তুলে ইতিবাচক পরিবর্তনের সূচনা করতে হবে।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ বলেন, মেধাবীরাই পৃথিবী বদলেছে, মেধাবীরাই বাংলাদেশ বদলাবে। মেধাবীরা সমাজের অগ্রগামী শক্তি। তাদের জ্ঞান, চিন্তাশক্তি ও উদ্ভাবনী দক্ষতা সমাজকে এগিয়ে নিয়ে যায়। এ মেধাবীরা যাতে আশাহত না হয়, সেজন্য তাদেরকে যোগ্য সম্মান দিয়ে উৎসাহিত করতে হবে।

তিনি বলেন, এ মেধার হিসাব প্রতিষ্ঠা করতে গিয়েই আজকের পরিবর্তিত বাংলাদেশ। মেধাবীদের সুযোগ করে দিতেই সেদিন সংগ্রামের সূচনা হয়েছিলো। সে সংগ্রাম দেশের এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে ছড়িয়ে গিয়ে পরিণত হয়েছিল সাধারণ জনতার অভ্যুত্থানে, যেখানে প্রায় দুই হাজার মানুষ শহীদ হন। মেধাবীদেরকে সে আন্দোলনকে, সে প্রাণ বিসর্জনকে সম্মান জানাতে হবে। ভুলে যাওয়া যাবে না।

সবার দেশ/কেএম

শীর্ষ সংবাদ:

পাঁচ অস্ত্রসহ গ্রেফতার লিটন গাজী সম্পর্কে সব জানালো পুলিশ সুপার
আনসার ভিডিপি ব্যাংকের ৯ কোটি টাকা আত্মসাৎ, ব্যবস্থাপক গ্রেফতার
লালমনিরহাটে স্বামী হত্যা মামলায় স্ত্রী ও পরকীয়া প্রেমিকের যাবজ্জীবন
ভোলাহাটে বাসের চাকায় পিষ্ট হয়ে কলেজ শিক্ষকের মৃত্যু
সৌদি আরবে প্রবাসী বাংলাদেশিরা দালাল চক্রের খপ্পরে
বাংলাদেশ সীমান্তে পঁচছে ৩০ হাজার টন ভারতীয় পেঁয়াজ
সুদের টাকার জন্য নোয়াখালীতে ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে হত্যা, গ্রেফতার-১
ইমরান খান বেঁচে আছেন, দেশ ছাড়তে চাপ: পিটিআই
হাসিনা-রেহানা-টিউলিপের প্লট দুর্নীতি মামলার রায় আজ
শুরু হলো বিজয়ের মাস
বিডিআর হত্যাকাণ্ডে ভারত জড়িত
খালেদা জিয়ার খোঁজ নিতে হাসপাতালে জামায়াত সেক্রেটারি
স্কুল ভর্তির লটারি ১১ ডিসেম্বর
বিডিআরকে দুর্বল করে ক্ষমতা টিকিয়ে রাখাতেই পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ছয় উপসচিবের দফতর পরিবর্তন