কারাগারে নোবেল ও সাবেক ইডেন ছাত্রীকে বিয়ের নির্দেশ
গায়ক মাইনুল আহসান নোবেল ও ধর্ষণ মামলার বাদিনির মধ্যে বিয়ে সম্পাদনের অনুমতি দিয়েছেন ঢাকার একটি আদালত। বুধবার (১৯ জুন) মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট নাজমিন আক্তারের আদালত এ নির্দেশ দেন। এতে বলা হয়, উভয়ের সম্মতিতে বিয়ের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে তা আদালতকে জানাতে হবে।
নোবেলের পক্ষে তার আইনজীবী আদালতে একটি আবেদন করেন, যেখানে উল্লেখ করা হয়— বাদিনী ও আসামির মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি থেকে মামলাটি হয়েছে এবং বর্তমানে তারা বিয়ে করতে ইচ্ছুক। আবেদনে উল্লেখ করা হয়, আসামি বর্তমানে জেলহাজতে থাকায় আদালতের অনুমতি ছাড়া বিয়ে সম্ভব নয়। শুনানি শেষে আদালত আবেদনটি মঞ্জুর করেন।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ইডেন মহিলা কলেজের সাবেক এক শিক্ষার্থী ২০১৮ সালে সোশ্যল মিডিয়ায় নোবেলের সঙ্গে পরিচিত হন। পরে মোবাইলে নিয়মিত যোগাযোগ চলতে থাকে। ২০২৪ সালের ১২ নভেম্বর মোহাম্মদপুরে দেখা করার পর বাদিনীকে নিজের স্টুডিও দেখানোর কথা বলে নোবেল তাকে ডেমরা এলাকার বাসায় নিয়ে যান। সেখানে বাদিনী বাসা থেকে বের হতে চাইলে তাকে একটি কক্ষে আটক করে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। অভিযোগে আরও বলা হয়, এ সময় ধর্ষণের ভিডিও ধারণ করে তা ছড়িয়ে দেয়ার হুমকিও দেয়া হয়।
পরে ১৯ মে রাতে ডেমরার একটি স্টাফ কোয়ার্টার থেকে নোবেলকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরদিন তাকে ঢাকার নিম্ন আদালতে হাজির করা হলে জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানো হয়।
মামলায় উল্লেখ করা হয়, নোবেল ও তার ২-৩ সহযোগীর সহায়তায় বাদিনীকে কক্ষে আটকে নির্যাতন চালানো হয় এবং ঘটনার একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়ার পর বাদিনীর পরিবার বিষয়টি জানতে পারে। জাতীয় জরুরি সেবার মাধ্যমে পুলিশি সহায়তায় ভুক্তভোগী উদ্ধার হন।
পরে বাদিনীর পক্ষ থেকে ধর্ষণ মামলার অভিযোগ দায়ের করা হয়। মামলার পরিপ্রেক্ষিতে গ্রেফতার ও কারাবন্দি নোবেল বর্তমানে ওই মামলার বিচারাধীন থাকলেও বিয়েতে সম্মত হওয়ায় আদালত জেলহাজতে বিয়ের অনুমতি দিয়েছেন।
সবার দেশ/কেএম




























