Sobar Desh | সবার দেশ সবার দেশ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০২:৫৩, ৩১ মে ২০২৫

বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস আজ

বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস আজ
ছবি: সংগৃহীত

আজ ৩১ মে বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস। তামাক এবং নিকোটিন কোম্পানি তাদের ক্ষতিকর পণ্য ভোক্তার কাছে বিশেষ করে তরুন প্রজন্মের কাছে আকর্ষণীয় করে তুলতে যে ধরনের কৌশল অবলম্বন করে সেগুলো উন্মোচন করার লক্ষ্যে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবছর দিবসটির প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করেছে ‘আনমাস্কিং দি অ্যাপিল: এক্সপোজিং ইন্ডাস্ট্রি ট্যাকটিকস অন টোব্যাকো অ্যান্ড নিকোটিন প্রোডাক্টস’।বাংলাদেশে দিবসটি উদযাপিত হচ্ছে ‘তামাক কোম্পানির কূটকৌশল উন্মোচন করি, তামাক ও নিকোটিনমুক্ত বাংলাদেশ গড়ি’ এ শিরোনামে।

গবেষণা ও অ্যাডভোকেসি প্রতিষ্ঠান প্রজ্ঞা (প্রগতির জন্য জ্ঞান) প্রতি বছরের ন্যায় এবারও বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস ২০২৫ এর প্রতিপাদ্য নিয়ে একটি তথ্যচিত্র প্রস্তুত করেছে। বিস্তারিত নিচে দেয়া হলো:

তামাক ব্যবহারের কারণে প্রতি বছর বিশ্বের অন্তত ৮০ লক্ষ মানুষ প্রাণ হারায়। ২০২৩ সালে প্রকাশিত এক গবেষণা অনুযায়ী, বিশ্বব্যাপী মৃত্যুঝুঁকির কারণ (risk factor) হিসেবে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে তামাক। বর্তমানে বিশ্বের মোট ১.৩ বিলিয়ন তামাক ব্যবহারকারীর ৮০ শতাংশই বসবাস করে নিম্ন ও মধ্য-আয়ের দেশগুলোতে। তামাক বাংলাদেশে প্রতি বছর ১ লক্ষ ৬১ হাজার মানুষের প্রাণ কেড়ে নেয়। তামাক দেশে দেশে বিপুল মৃত্যু এবং ব্যাধির উৎসমূল হওয়া সত্ত্বেও নানা ধরনের কূটকৌশল অবলম্বন করে বহাল তবিয়তে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে কোম্পানিগুলো। প্রতিনিয়ত বাহারি মোড়ক ও নিত্যনতুন স্বাদ-গন্ধ ব্যবহার করে নতুন প্রজন্মের কাছে তামাকপণ্যের জীবনক্ষয়ী চরিত্র আড়াল করা হয়। একইসঙ্গে নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে নানামুখী হস্তক্ষেপের মাধ্যমে শক্তিশালী তামাক নিয়ন্ত্রণ নীতি গ্রহণ ও বাস্তবায়নের পথে বাধা সৃষ্টি করে কোম্পানিগুলো। ব্যবসায়িক স্বার্থসিদ্ধির উদ্দেশ্যে কোম্পানির সকল কূটকৌশলের স্বরূপ উন্মোচনের উদ্দেশ্যে ‘বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস ২০২৫’-এর প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘আনমাস্কিং দি অ্যাপিল: এক্সপোজিং ইন্ডাস্ট্রি ট্যাকটিকস অন টোব্যাকো অ্যান্ড নিকোটিন প্রোডাক্টস’।

সাদা শলাকায় কালো বিষ: বিষবাষ্পের ফাঁদে তারুণ্য

তামাকই পৃথিবীর একমাত্র বৈধ পণ্য, যা অবধারিতভাবে তার ভোক্তাকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেয়। এক প্রজন্মের তামাকসেবী যখন মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে কিংবা ঘাতক ব্যাধির প্রকোপে তামাক সেবন ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়, ব্যবসা টিকিয়ে রাখতেই তামাক কোম্পানির জন্য তখন নতুন প্রজন্মের তামাকসেবী তৈরি করা অপরিহার্য হয়ে পড়ে। ব্যবসা টিকিয়ে রাখতে তাই সর্বদা চলে নতুন ভোক্তা তৈরির কাজ। নতুন প্রজন্মই এক্ষেত্রে তামাক কোম্পানির প্রধান লক্ষ্য। মোহনীয় বিজ্ঞাপনের ফাঁদে পড়ে যে শিশু বা কিশোর-কিশোরী আজ ঠোঁটে তামাকপণ্য তুলে নিচ্ছে, কাল সে-ই পরিণত হচ্ছে তামাক কোম্পানির আমৃত্যু ভোক্তায়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশ্বে ১৩-১৫ বছর বয়সী অন্তত ৩ কোটি ৭০ লক্ষ কিশোর-কিশোরী নিয়মিত তামাক ব্যবহার করে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর ডিজিস কন্ট্রোল (সিডিসি)-এর এক গবেষণায় দেখা গেছে, ২১ বছর বয়সের আগেই যারা তামাকে আসক্ত হয়ে পড়েছেন তাদের মধ্যে নিকোটিন নির্ভরতা এবং আমৃত্যু তামাক ব্যবহারের প্রবণতা সবচেয়ে বেশি।

সুগন্ধির আড়ালে প্রাণঘাতি নিকোটিন: কারসাজির ফাঁদে তারুণ্য

নিকোটিনযুক্ত প্রাণঘাতি পণ্যে আকৃষ্ট করতে ইচ্ছাকৃতভাবে নানা কারসাজির আশ্রয় নেয় কোম্পানিগুলো। বিশেষ করে তারুণ্যকে লক্ষ্য করে উদ্ভাবনী বিজ্ঞাপন এবং আকর্ষণীয় ডিজাইনে নিত্য নতুন পণ্য বাজারজাতকরণসহ নানা কৌশল অবলম্বন করে থাকে এই মৃত্যু বণিকেরা। উদাহরণ স্বরূপ, ২০১৭ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ই-সিগারেটর বিজ্ঞাপনে মোট ব্যয় হয় ৪৮ মিলিয়ন ডলার, যা ২০১৮ সালে বেড়ে ১১০ মিলিয়ন ডলারে এসে দাঁড়ায়। গবেষণায় দেখা গেছে, এই সময়ে মাত্র ১ বছরের ব্যবধানে দেশটিতে স্কুল পড়ুয়াদের মধ্যে ই-সিগারেট ব্যবহার ৭৮% বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২২ সালের তথ্য অনুযায়ী, ইউরোপীয় অঞ্চলে কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে ই-সিগারেট ব্যবহারের হার ১২.৫ শতাংশ, অথচ প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে এই হার মাত্র ২ শতাংশ।

কারসাজির মাধ্যমে জীবনক্ষয়ী পণ্য ব্যবহারে শিশু-কিশোরদের আকৃষ্ট করাই তামাক কোম্পানির একমাত্র হাতিয়ার। বাজারে ১৬ হাজারের বেশি সুগন্ধযুক্ত তামাকপণ্য (ই-সিগারেট, শিশা এবং ধোঁয়াবিহীন তামাকপণ্য) রয়েছে। স্কুলপড়ুয়া শিশুদের আকৃষ্ট করতে বাবলগাম, চেরি, চকলেট ইত্যাদি সুগন্ধীর তামাকপণ্য বাজারজাত করা হচ্ছে। ফলে শিশুখাদ্য আর তামাকের ফারাক করতে পারছে না অনেক শিশু, সুগন্ধীর লোভে পড়ে স্বাস্থ্য ক্ষতিকে অগ্রাহ্য করে হাতে তুলে নিচ্ছে এসব বিষপণ্য। ইউএসবি স্টিক, ক্যান্ডি, কলমসহ বিভিন্ন পণ্যের আদলে আকর্ষণীয় ডিজাইনে বাজারজাত করা হচ্ছে এসব পণ্য। চলচ্চিত্র, টিভি প্রোগ্রাম, সোশ্যাল মিডিয়া ও অনলাইন স্ট্রিমিং প্রোগ্রামগুলোতে এগুলোর চিত্রায়ণ বাড়িয়ে দিয়ে তারুণ্যকে প্রলুব্ধ করছে কোম্পানিগুলো। এছাড়া শিক্ষার্থীদের আকৃষ্ট করতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পার্শ্ববর্তী দোকানগুলোয় তামাকপণ্য সহজলভ্য করে তোলা হচ্ছে। বিশেষত: শিশুদের পছন্দের খাবার যেমন, ক্যান্ডি, চিপস ইত্যাদির পাশে তামাকপণ্য এবং বিজ্ঞাপনী সরঞ্জামগুলো রাখা হচ্ছে। মিডিয়া আইকন ও ইনফ্লয়েন্সারদের ব্যবহার করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ই-সিগারেট এবং ভ্যাপিং-এর বিজ্ঞাপন চালানো হচ্ছে।

তামাক ও নিকোটিন পণ্য: কোম্পানির ফাঁদে বাংলাদেশের তারুণ্য

বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও তারুণ্যই তামাক কোম্পানির আগ্রাসী বিজ্ঞাপনের প্রধান লক্ষ্য। ২০১৬ সালে ঢাকা শহরের বিভিন্ন এলাকায় অবস্থিত মোট ১১০টি স্কুলের পারিপার্শ্বিক এলাকার ওপর যুক্তরাষ্ট্রের জন হপকিনস বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালিত গবেষণায় দেখা যায়, বিদ্যালয়ের ১০০ মিটার ব্যাসার্ধ এলাকার মধ্যে অবস্থিত মোট ৫০৭টি মুদি দোকানের ৪৮৭টিতেই চকলেট, ক্যান্ডি, কোমল পানীয় ইত্যাদির পাশেই তামাকপণ্য প্রদর্শন করা হয়, যা শিশুদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। ২০১৩ সালে পরিচালিত গ্লোবাল ইউথ টোব্যাকো সার্ভের ফলাফলে দেখা যায়, ৫২.৩ শতাংশ শিক্ষার্থী বিক্রয়কেন্দ্রে তামাকপণ্যের বিজ্ঞাপন দেখেছেন বলে জানান। ৬.৩ শতাংশ শিক্ষার্থী জানান, তাদের তামাক কোম্পানির প্রতিনিধির পক্ষ থেকে প্রচারণার স্বার্থে বিনামূল্যে তামাকপণ্য সরবরাহ করা হয়েছে।

তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনে তামাকপণ্যের প্রচার ও বিজ্ঞাপন নিষিদ্ধ হলেও কার্যকর বাস্তবায়নের অভাবে তামাক কোম্পানির লোভের মুখে অরক্ষিত হয়ে পড়েছে দেশের তারুণ্য। গ্যাটস ২০১৭ অনুযায়ী, প্রায় ৫৪ শতাংশ মানুষ সিগারেট-বিড়ির বিজ্ঞাপন এবং প্রায় ২১ শতাংশ মানুষ জর্দা-গুলের বিজ্ঞাপন দেখেছেন। সর্বশেষ ৩০ দিনের মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ মানুষ সিগারেট, ৩৭ শতাংশ বিড়ি এবং প্রায় ২৫ শতাংশ মানুষ ধোঁয়াবিহীন তামাকপণ্যের বিজ্ঞাপন, প্রচারণা অথবা পৃষ্ঠপোষকতা দেখেছেন। তামাক কোম্পানির এই আগ্রাসী প্রচারণা ক্রমবর্ধমান। বিড়ির বিজ্ঞাপন প্রচারণা দেখেছে এমন মানুষের হার ২০০৯ সালের তুলনায় ২০১৭ সালে বৃদ্ধি পেয়েছে ২২.৫ শতাংশ। ধোঁয়াবিহীন তামাকপণ্যের ক্ষেত্রে এই বৃদ্ধির হার ৪৭.৯ শতাংশ, যা খুবই উদ্বেগজনক।

প্রচলিত তামাকপণ্যের ক্রমবর্ধমান প্রচারণার পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেদারসে চলছে ই-সিগারেট এবং ভ্যাপিং পণ্যের প্রচারণা। মূলত শিক্ষিত ও স্বচ্ছল পরিবারের শিশু-কিশোর ও তরুণদের লক্ষ্য করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারণা চালাচ্ছে ই-সিগারেট এবং ভেপ পণ্যের ব্যবসায়ীদের প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ইলেক্ট্রনিক নিকোটিন ডেলিভারি সিস্টেম ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশন (বেন্ডস্টা) এবং এর অংগ প্রতিষ্ঠান ভয়েজ অব ভেপারস।

শিশু-কিশোর ও তরুণদের মধ্যে তামাক ব্যবহারের হালনাগাদকৃত সমীক্ষার ঘাটতি থাকলেও টোব্যাকো অ্যাটলাস এর সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে ১০ থেকে ১৪ বছর বয়সীদের মধ্যে তামাক ব্যবহারকারীর হার ২.৪ শতাংশ। ২০১৪ সালে পরিচালিত গ্লোবাল স্কুল-বেজড হেলথ সার্ভে (জিএসএইচএস) অনুযায়ী, বাংলাদেশে ১৩-১৫ বছর বয়সী ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে তামাক ব্যবহারের হার ৯.২ শতাংশ।

তামাক ও নিকোটিন পণ্য: বাংলাদেশে কোম্পানির হস্তক্ষেপ ও কূটকৌশল

২০২৩ সালের বৈশ্বিক তামাক কোম্পানির হস্তক্ষেপ সূচক প্রতিবেদনে ৭২ স্কোর নিয়ে বাংলাদেশের অবস্থান ছিলো দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে একেবারে তলানিতে। ২০১৮ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত প্রণীত তামাক কোম্পানির হস্তক্ষেপ সূচক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে দেখা যায়, এই সময়কালে বাংলাদেশের স্কোর প্রায় একই অবস্থানে স্থবির রয়েছে, যার অর্থ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা প্রণীত ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন অন টোব্যাকো কন্ট্রোল (এফসিটিসি)-এর অনুস্বাক্ষরকারী দেশ হওয়া সত্ত্বেও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় এফসিটিসি আর্টিকেল ৫.৩ বাস্তবায়নে প্রকৃত কোন অগ্রগতির মুখ দেখেনি দেশ। সাম্প্রতিক সময়ে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের চলমান সংশোধনী প্রক্রিয়াকে বিলম্বিত ও বাধাগ্রস্ত করতে নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে হস্তক্ষেপ জোরদার করেছে তামাক কোম্পানিগুলো। তারা প্রেস কনফারেন্স, পলিসি ডায়লগ, মিডিয়া ক্যাম্পেইন প্রভৃতির মাধ্যমে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্য প্রচার অব্যাহত রেখেছে। এমনকি অন্যান্য সরকারি দপ্তর ব্যবহার করে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ওপর আইন সংশোধনের বিপক্ষে চাপ সৃষ্টি করার নজিরও রয়েছে।

করণীয়

বাংলাদেশে বর্তমান মোট জনগোষ্ঠীর ৪৮ শতাংশই তরুণ-তরুণী। তামাক কোম্পানির মূল টার্গেট কিভাবে এই বিশাল জনগোষ্ঠীকে তামাকে আসক্ত করে ব্যবসা বাড়ানো যায়। বাংলাদেশে প্রায় ৪ কোটি (৩৫%) প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ তামাক ব্যবহার করে। তামাক ব্যবহারের কারণে দেশে বছরে ১,৬১,০০০ এর অধিক মানুষ মৃত্যুবরণ করে, পঙ্গুত্ব বরণ করে বছরে আরও প্রায় ৪ লক্ষ মানুষ। তামাক ব্যবহারের অর্থনৈতিক ক্ষতির (চিকিৎসা ব্যয় এবং উৎপাদনশীলতা হারানো) পরিমাণ বছরে ৩০ হাজার ৫৬০ কোটি টাকা। তামাক ব্যবহারজনিত মৃত্যু এবং অসুস্থতা এসডিজি-এর ৩য় লক্ষ্যমাত্রা- সুস্বাস্থ্য অর্জনের একটি বড় বাধা। কাজেই তামাক ও নিকোটিন পণ্যমুক্ত একটি সুস্থ, সুখী ও উদ্যমী প্রজন্ম গড়ে তুলতে নিম্নলিখিত পদক্ষেপসমূহ গ্রহণ অত্যন্ত জরুরি।

  • তামাক কোম্পানির হস্তক্ষেপমুক্ত থেকে যথাসম্ভব দ্রুত তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের সংশোধনী চূড়ান্তকরণের মাধ্যমে বিক্রয়স্থলে তামাকপণ্য প্রদর্শন নিষিদ্ধ, ‘ধূমপানের জন্য নির্ধারিত স্থান’ বিলুপ্ত, ই-সিগারেটসহ সকল ভ্যাপিংপণ্য নিষিদ্ধ এবং তামাক কোম্পানির সিএসআর কার্যক্রম বন্ধ করা;
  • সিগারেটের সহজলভ্যতা কমাতে নিম্ন স্তর এবং মধ্যম স্তরকে একত্রিত করে মূল্যস্তরের সংখ্যা ৪টি থেকে ৩টিতে নামিয়ে আনা;
  • বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এফসিটিসি আর্টিকেল ৫.৩-এর সুষ্ঠু বাস্তবায়নের মাধ্যমে তামাক কোম্পানির হস্তক্ষেপ মোকাবিলা করা;
  • স্বাস্থ্য উন্নয়ন সারচার্জের মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থ ব্যবহার করে জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ নীতি/কর্মসূচি গ্রহণের মাধ্যমে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের কার্যকর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা;
  • তামাক কোম্পানিতে সরকারের বিদ্যমান শেয়ার/বিনিয়োগ প্রত্যাহার করা;
  • ১৯৫৬ সালের অত্যাবশ্যকীয় পণ্য নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধন করে সিগারেটকে তালিকা থেকে বাদ দেয়া; এবং   
  • সোশ্যাল মিডিয়ায় তামাক ও নিকোটিন পণ্যের বিজ্ঞাপন, প্রচার ও বাজারজাতকরণ বন্ধ করা।

সবার দেশ/কেএম

শীর্ষ সংবাদ:

পাঁচ অস্ত্রসহ গ্রেফতার লিটন গাজী সম্পর্কে সব জানালো পুলিশ সুপার
আনসার ভিডিপি ব্যাংকের ৯ কোটি টাকা আত্মসাৎ, ব্যবস্থাপক গ্রেফতার
লালমনিরহাটে স্বামী হত্যা মামলায় স্ত্রী ও পরকীয়া প্রেমিকের যাবজ্জীবন
ভোলাহাটে বাসের চাকায় পিষ্ট হয়ে কলেজ শিক্ষকের মৃত্যু
সৌদি আরবে প্রবাসী বাংলাদেশিরা দালাল চক্রের খপ্পরে
বাংলাদেশ সীমান্তে পঁচছে ৩০ হাজার টন ভারতীয় পেঁয়াজ
সুদের টাকার জন্য নোয়াখালীতে ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে হত্যা, গ্রেফতার-১
ইমরান খান বেঁচে আছেন, দেশ ছাড়তে চাপ: পিটিআই
হাসিনা-রেহানা-টিউলিপের প্লট দুর্নীতি মামলার রায় আজ
শুরু হলো বিজয়ের মাস
বিডিআর হত্যাকাণ্ডে ভারত জড়িত
খালেদা জিয়ার খোঁজ নিতে হাসপাতালে জামায়াত সেক্রেটারি
স্কুল ভর্তির লটারি ১১ ডিসেম্বর
বিডিআরকে দুর্বল করে ক্ষমতা টিকিয়ে রাখাতেই পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ছয় উপসচিবের দফতর পরিবর্তন