Sobar Desh | সবার দেশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৩:৫৬, ৯ অক্টোবর ২০২৫

ইসলামিক বিচ্ছিন্নতাবাদ ঠেকাতে নতুন আইন প্রস্তাব

প্রকাশ্যে বোরকা-নিকাব নিষিদ্ধের পথে ইতালি

প্রকাশ্যে বোরকা-নিকাব নিষিদ্ধের পথে ইতালি
ছবি: সংগৃহীত

ইতালিতে জনসমাগমস্থলে মুসলিম নারীদের বোরকা ও নিকাব পরিধান নিষিদ্ধের উদ্যোগ নিয়েছে দেশটির ক্ষমতাসীন ডানপন্থী দল ‘ব্রাদার্স অব ইতালি’। প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনির নেতৃত্বাধীন এ দলটি দাবি করছে, এ পদক্ষেপের লক্ষ্য ‘ইসলামিক বিচ্ছিন্নতাবাদের বিরুদ্ধে লড়াই’ এবং ইতালির সামাজিক ঐক্য রক্ষা।

বুধবার (৮ অক্টোবর) পলিটিকো এক প্রতিবেদনে জানায়, দলটি ইতিমধ্যেই পার্লামেন্টে এ সংক্রান্ত একটি বিল আনতে যাচ্ছে। বিলটি আইন হিসেবে পাস হলে, দোকান, বিদ্যালয়, অফিসসহ সব ধরনের জনসমাগমস্থলে মুখ পুরোপুরি আচ্ছাদিত রাখার পোশাক পরা নিষিদ্ধ হবে। আইন অমান্যকারীদের ৩০০ ইউরো থেকে ৩ হাজার ইউরো পর্যন্ত অর্থদণ্ডের মুখে পড়তে হবে, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৪৩ হাজার থেকে ৪ লাখ ২৬ হাজার টাকার সমান।

বিলের অন্যতম প্রণেতা ও সংসদ সদস্য আন্দ্রেয়া দেলমাস্ট্রো এক ফেসবুক পোস্টে বলেন, ধর্মীয় স্বাধীনতা অবশ্যই পবিত্র; কিন্তু তা অবশ্যই প্রকাশ্যে, ইতালির সংবিধান ও রাষ্ট্রীয় নীতির প্রতি শ্রদ্ধা রেখে পালন করতে হবে। তিনি আরও জানান, এ আইন সরকারের বৃহত্তর ‘বিচ্ছিন্নতাবাদবিরোধী উদ্যোগের’ অংশ, যার মূল উদ্দেশ্য দেশের ধর্মনিরপেক্ষ কাঠামো এবং সামাজিক ঐক্য অক্ষুণ্ণ রাখা।

অভিবাসনবিষয়ক প্রধান সারা কেলানি সংবাদ সম্মেলনে বলেন, এ বিলের মাধ্যমে সরকারের তিনটি লক্ষ্য রয়েছে— পূর্ণ মুখাবরণ নিষিদ্ধ করা, জোরপূর্বক বিবাহ প্রতিরোধ করা এবং অননুমোদিত ধর্মীয় গোষ্ঠীর বিদেশি অর্থায়নের উৎস প্রকাশ বাধ্যতামূলক করা। তিনি আরও জানান, বিলের একটি অংশ মসজিদগুলোর অর্থায়নের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার দিকেও দৃষ্টি রাখবে।

বোরকা সাধারণত মাথা থেকে পা পর্যন্ত নারীর পুরো দেহ আচ্ছাদিত রাখে, যেখানে চোখের স্থানে জালির মতো পর্দা থাকে। অন্যদিকে নিকাব মুখ ঢেকে রাখলেও চোখের চারপাশ খোলা থাকে। ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশ— যেমন ফ্রান্স, বেলজিয়াম ও নেদারল্যান্ডস— পূর্বেই নিরাপত্তা ও সামাজিক সংহতির কারণ দেখিয়ে এমন পোশাকে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে।

ইতালির এ প্রস্তাব স্পষ্টভাবে মেলোনি সরকারের অবস্থান প্রকাশ করছে— দেশটিতে ধর্মীয় পোশাক ও প্রতীকের প্রকাশ সীমিত করে তথাকথিত ‘ইসলামিক বিচ্ছিন্নতাবাদ’ নিয়ন্ত্রণে আনা। তবে মানবাধিকার সংস্থাগুলো বলছে, এ ধরনের আইন ধর্মীয় স্বাধীনতার ওপর নতুন বিতর্কের জন্ম দিতে পারে এবং ইউরোপে মুসলিম নারীদের সামাজিক বিচ্ছিন্নতা আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে।

সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

সবার দেশ/কেএম

শীর্ষ সংবাদ:

পাঁচ অস্ত্রসহ গ্রেফতার লিটন গাজী সম্পর্কে সব জানালো পুলিশ সুপার
আনসার ভিডিপি ব্যাংকের ৯ কোটি টাকা আত্মসাৎ, ব্যবস্থাপক গ্রেফতার
লালমনিরহাটে স্বামী হত্যা মামলায় স্ত্রী ও পরকীয়া প্রেমিকের যাবজ্জীবন
ভোলাহাটে বাসের চাকায় পিষ্ট হয়ে কলেজ শিক্ষকের মৃত্যু
সৌদি আরবে প্রবাসী বাংলাদেশিরা দালাল চক্রের খপ্পরে
বাংলাদেশ সীমান্তে পঁচছে ৩০ হাজার টন ভারতীয় পেঁয়াজ
সুদের টাকার জন্য নোয়াখালীতে ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে হত্যা, গ্রেফতার-১
ইমরান খান বেঁচে আছেন, দেশ ছাড়তে চাপ: পিটিআই
হাসিনা-রেহানা-টিউলিপের প্লট দুর্নীতি মামলার রায় আজ
শুরু হলো বিজয়ের মাস
বিডিআর হত্যাকাণ্ডে ভারত জড়িত
খালেদা জিয়ার খোঁজ নিতে হাসপাতালে জামায়াত সেক্রেটারি
স্কুল ভর্তির লটারি ১১ ডিসেম্বর
বিডিআরকে দুর্বল করে ক্ষমতা টিকিয়ে রাখাতেই পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ছয় উপসচিবের দফতর পরিবর্তন