ভূমিকম্পে বন্ধ ৬ বিদ্যুৎকেন্দ্র, উৎপাদন ও সরবরাহে বিভ্রাট
রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে শুক্রবারের ভূমিকম্পের প্রভাবে ছয়টি বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ হয়ে গেলে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সরবরাহে সাময়িক বিভ্রাট সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে নরসিংদীর কাছাকাছি অবস্থানরত ঘোড়াশাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। তবে কেন্দ্রটি ভূমিকম্পের সময় বন্ধ থাকায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে।
বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) কর্মকর্তারা জানান, ভূমিকম্পে ঘোড়াশালের গ্রিড উপকেন্দ্রে ব্রেকার বুশিং, বুশবারসহ বিভিন্ন যন্ত্রাংশ নষ্ট হয়েছে। এতে কেন্দ্রের কার্যক্রম সাময়িকভাবে ব্যাহত হলেও ইউনিট বন্ধ থাকায় বড় দুর্ঘটনা হয়নি। পিডিবি সদস্য (উৎপাদন) জহিরুল ইসলাম বলেন,
ভূমিকম্প ভয়াবহ ছিলো, কিন্তু বন্ধ কেন্দ্রের কারণে বড় দুর্ঘটনা হয়নি।
পিডিবি সূত্র জানায়, ঘোড়াশালের ক্ষতির কারণে গ্রিড ট্রিপ হয়েছে। এছাড়া বাঁশখালির একটি ইউনিট বন্ধ থাকায় এবং বিবিয়ানার দুই ইউনিটসহ আশুগঞ্জের ২২৫ মেগাওয়াট, ৫৫ মেগাওয়াট প্রিসিশন ও ৫০ মেগাওয়াট টিএসকে কেন্দ্র, এসএস ৬০০ মেগাওয়াট এবং সিরাজগঞ্জ ২২৫ মেগাওয়াট কেন্দ্রও বন্ধ হয়ে গেছে। এর ফলে দুপুরে দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন ১ হাজার ১০০ মেগাওয়াট কমে যায় এবং বিভিন্ন এলাকায় লোডশেডিং হয়।
পিডিবির চেয়ারম্যান রেজাউল করিম বলেন, বিদ্যুৎকেন্দ্রের সিস্টেম অনুযায়ী বড় ভূমিকম্প হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কেন্দ্র বন্ধ হয়ে যায়। এটি নিরাপত্তার জন্য ব্যবস্থা করা হয়েছে। তবে বড় দুর্ঘটনা এড়ানো গেছে যা সবার জন্য মঙ্গলজনক। বিকেলের মধ্যে আশুগঞ্জের তিন কেন্দ্রসহ অন্যান্য ইউনিট পুনরায় চালু হয়েছে এবং শীতকালীন পরিস্থিতিতে লোডশেডিং খুব বেশি হবে না।
পিডিবি জানিয়েছে, ভূমিকম্পের পর থেকে সব বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও উপকেন্দ্রের বিষয়ে সতর্ক থাকা এবং তদারকি অব্যাহত আছে।
সবার দেশ/কেএম




























