২৩ জুন পর্যন্ত এসেছে ৩৫ বিলিয়ন ডলার
রেমিট্যান্সে নতুন রেকর্ডের পথে বাংলাদেশ
চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে প্রবাসী আয়ের প্রবাহে শক্তিশালী প্রবৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কর্মরত বাংলাদেশিরা বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা দেশে পাঠানোর ফলে রেমিট্যান্সে নতুন রেকর্ড গড়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জুলাই থেকে ২০২৬ সালের ২৩ জুন পর্যন্ত দেশে মোট ৩৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স এসেছে। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এই পরিমাণ ছিলো ২৯ দশমিক ৭২ বিলিয়ন ডলার। সে হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে প্রবাসী আয় বেড়েছে প্রায় ১৭ দশমিক ৮ শতাংশ।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, প্রবাসী বাংলাদেশিদের পাঠানো অর্থ দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। একই সঙ্গে আমদানি ব্যয় মেটানো, বিনিময় হার স্থিতিশীল রাখা এবং সামষ্টিক অর্থনীতিতে ভারসাম্য বজায় রাখতেও রেমিট্যান্স বড় অবদান রাখছে।
শুধু ২৩ জুন একদিনেই বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে দেশে এসেছে ৮৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা প্রবাসীদের ধারাবাহিক আস্থার প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এদিকে চলতি জুন মাসের প্রথম ২৩ দিনে মোট রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ২৩৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বা প্রায় ২ দশমিক ২৪ বিলিয়ন ডলার। মাসের বাকি দিনগুলোতেও এ ধারা অব্যাহত থাকলে জুন শেষে রেমিট্যান্সের পরিমাণ আরও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেতে পারে বলে ধারণা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
অর্থনীতিবিদদের মতে, বৈধ পথে অর্থ পাঠাতে সরকারের বিভিন্ন প্রণোদনা, ব্যাংকিং ব্যবস্থার উন্নয়ন, ডিজিটাল লেনদেনের সম্প্রসারণ এবং হুন্ডির বিরুদ্ধে নজরদারি জোরদারের ফলে প্রবাসী আয় বৃদ্ধিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, রেমিট্যান্স প্রবাহের এ ঊর্ধ্বমুখী ধারা অব্যাহত থাকলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আরও শক্তিশালী হবে এবং অর্থনীতির ওপর বিদ্যমান বহির্বিশ্বের চাপ মোকাবিলা করাও সহজ হবে।
সূত্র: বাসস
সবার দেশ/কেএম




























