Sobar Desh | সবার দেশ সবার দেশ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৯:১৫, ২২ অক্টোবর ২০২৫

আপডেট: ০৯:১৭, ২২ অক্টোবর ২০২৫

ওষুধি গুণে সমৃদ্ধ ‘তেলাকুচা’

ওষুধি গুণে সমৃদ্ধ ‘তেলাকুচা’
ছবি: সংগৃহীত

গ্রামীণ সড়কের পাশে, বনে-জঙ্গলে, বাড়ির আশপাশ বা পথে-ঘাটে একটু খেয়াল করলেই চোখে পড়বে সাদা লাউফুলের মতো ফুল আর গাঢ় সবুজ কচিপাতার লতা গাছ। সবুজ ও লাল মিশ্রিত টকটকে ফলগুলোও দেখা যায়। অনেকটা পটলের মতো দেখতে এ ফল পাখিদেরও প্রিয়। গ্রাম বাংলার সাধারণ এ উদ্ভিদই ‘তেলাকুচা’ নামে পরিচিত, যা অঞ্চলভেদে কুচিলা, তেলা, তেলাকুচ বা তেলাহচি নামে ডাকা হয়।

তেলাকুচা গাছের ভেষজ ব্যবহার খুবই বিস্তৃত। এর পাতা, লতা, মূল ও ফল নানা রোগের প্রতিকার হিসেবে ব্যবহার করা হয়। ডায়াবেটিস, জন্ডিস, পা ফোলা, শ্বাসকষ্ট, কাশি, স্তনে দুধ স্বল্পতা, ফোঁড়া ও ব্রণ, আমাশয়, মাথা ঠাণ্ডা রাখা এবং অরুচির সমস্যায় তেলাকুচার উপকরণ কাজে লাগে। গ্রামে পাতার রস মাথা ঠাণ্ডা রাখার জন্য ব্যবহার করা হয়। শাক হিসেবেও এর পাতা খাওয়া হয় এবং স্থানীয় বাজারে টুকরিতে বিক্রিও দেখা যায়।

স্থানীয় উদ্যানতত্ত্ববিদ ও কৃষিবিদরা জানান, তেলাকুচা Cucurbitaceae পরিবারের উদ্ভিদ এবং এর বৈজ্ঞানিক নাম Coccinia grandis। পাতার রসে রয়েছে ক্যালসিয়াম, লোহা, ভিটামিন এ ও সি। বাংলাদেশে প্রায় সর্বত্র প্রাকৃতিকভাবে এটি জন্মে।

আরও পড়ুন <<>> ওজন কমাতে কোনটি সেরা, জিরা নাকি চিয়া সিড?

যদিও গ্রামের যে কোনো স্থানে অযত্নে বেড়ে ওঠে, তবুও অধিকাংশ মানুষ এখনো এর ভেষজ গুণ সম্পর্কে অবগত নন। প্রবীণরা মনে করিয়ে দেন, আগে পেটের সমস্যা, জন্ডিস, পা ফোলা বা কাশি হলে পাতার রস বা শিকড় থেঁতলে খাওয়ানো হতো। এতে রোগ দ্রুত সেরে যেত। তবে বর্তমানে তেলাকুচার ব্যবহার অনেক কমে গেছে।

চাষাবাদও সহজ। সাধারণত চৈত্র–বৈশাখ মাসে বেলে বা দো-আঁশ মাটিতে রোপণ করা হয়। দুই থেকে আড়াই ফুট দূরত্বে বাণিজ্যিকভাবে চাষ করা সম্ভব। পুরনো মূল শুকিয়ে যায় না, তাই গ্রীষ্মকালে বৃষ্টি হলে নতুন লতা জন্মায়। বীজ থেকেও চারা গজায়। এ লতা জাতীয় উদ্ভিদ অত্যন্ত উপকারী এবং গ্রামীণ জীবনে এটির 

সবার দেশ/কেএম

সম্পর্কিত বিষয়: