দেলোয়ার হত্যা মামলা
সাবেক ডিজিএফআই প্রধান মামুন খালেদ ৫ দিনের রিমান্ডে
রাজধানীর মিরপুরে দেলোয়ার হোসেন হত্যা মামলায় প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদফতর (ডিজিএফআই)-এর সাবেক মহাপরিচালক লে. জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেয়ার অনুমতি দিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. ছিদ্দিক আজাদ শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। এর আগে তাকে আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করে তদন্তকারী কর্মকর্তা।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও ডিবি পুলিশের উপপরিদর্শক কফিল উদ্দিন রিমান্ড আবেদনে তিনটি প্রধান কারণ তুলে ধরেন। এর মধ্যে রয়েছে—অন্যান্য এজাহারভুক্ত ও অজ্ঞাত আসামিদের শনাক্ত করা, ঘটনার মূল রহস্য উদঘাটন এবং ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার।
রিমান্ড আবেদনে আরও বলা হয়, শেখ মামুন খালেদের নির্দেশে আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠনের ৫০০ থেকে ৭০০ জন সশস্ত্র ব্যক্তি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমনে অংশ নেয়। তারা দেশীয় অস্ত্র ও বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে বিভিন্ন দিক থেকে গুলি চালালে আন্দোলনকারী দেলোয়ার হোসেন গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই লুটিয়ে পড়েন এবং পরে তার মৃত্যু হয়।
রাষ্ট্রপক্ষের হয়ে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী রিমান্ডের পক্ষে শুনানি করেন। অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল ও জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
এর আগে বুধবার দিবাগত রাতে রাজধানীর মিরপুর ডিওএইচএস এলাকা থেকে শেখ মামুন খালেদকে গ্রেফতার করা হয়।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই বিকেলে মিরপুর-১০ নম্বর এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে হামলার ঘটনা ঘটে। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় দেলোয়ার হোসেনকে প্রথমে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট এবং পরে শ্যামলীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২১ জুলাই সকালে তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় ২০২৫ সালের ৬ জুলাই নিহতের স্ত্রী মোছা. লিজা মিরপুর মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
সবার দেশ/কেএম




























