Sobar Desh | সবার দেশ সবার দেশ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০০:৪২, ৫ আগস্ট ২০২৫

প্রিসাইডিং অফিসারের নিরাপত্তায় দেহরক্ষী নিয়োগের সিদ্ধান্ত ইসির

প্রিসাইডিং অফিসারের নিরাপত্তায় দেহরক্ষী নিয়োগের সিদ্ধান্ত ইসির
ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রিসাইডিং অফিসারের নিরাপত্তা জোরদার ও ভোট কারচুপি প্রতিরোধে প্রতিটি প্রিসাইডিং অফিসারের জন্য দেহরক্ষী নিয়োগের নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। পাশাপাশি, ভোট ব্যবস্থাপনা উন্নয়নে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত প্রস্তাব চেয়েছে সংস্থাটি।

সোমবার (৪ আগস্ট) ইসির নির্বাচন পরিচালনা শাখার উপ-সচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত চিঠি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর ৯(১খ) ধারা অনুযায়ী রিটার্নিং অফিসার প্রত্যেক ভোটকেন্দ্রের জন্য একজন প্রিসাইডিং অফিসার এবং তার সহায়তায় প্রয়োজনীয় সংখ্যক সহকারী প্রিসাইডিং ও পোলিং অফিসার নিয়োগ করেন। নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ নির্বাচন নিশ্চিতে প্রিসাইডিং অফিসারের ক্ষমতায়ন, দায়িত্ব ও নিরাপত্তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ লক্ষ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে প্রিসাইডিং অফিসারের ক্ষমতা জোরদারের জন্য ইসি সাতটি সুপারিশ করেছে।

ইসির সাত সুপারিশ

  • প্রিসাইডিং অফিসার ও তার টিমকে মালামালসহ কেন্দ্রে পৌঁছাতে যথাযথ যানবাহন নিশ্চিত করা।
  • মালামাল গ্রহণ থেকে শুরু করে ফলাফল নিয়ন্ত্রণ কক্ষে জমা দেয়া পর্যন্ত প্রতিটি প্রিসাইডিং অফিসারের জন্য নির্দিষ্ট একজন আনসার বা পুলিশ সদস্যকে দেহরক্ষী হিসেবে নিয়োগ করা।
  • প্রিসাইডিং অফিসারকে সহায়তার জন্য একজন অফিস সহায়ক নিয়োগ দেয়া।
  • কেন্দ্রের সব মালামাল ও জনবল একইসঙ্গে কেন্দ্রে পৌঁছানো ও অবস্থান বাধ্যতামূলক করা।
  • প্রিসাইডিং অফিসার নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় কেন্দ্রের জনবলের আহারের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা।
  • গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর ৮৯(ক) ধারা অনুসারে প্রিসাইডিং অফিসারের ক্ষমতায়নের বিষয় বিবেচনায় নেয়া।
  • মোবাইল অ্যাপসের মাধ্যমে রিটার্নিং অফিসার, স্ট্রাইকিং ফোর্স এবং নির্বাচন কমিশনের নিয়ন্ত্রণ কক্ষের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগের ব্যবস্থা করা।

চিঠিতে আরও বলা হয়, প্রিসাইডিং অফিসারের দায়িত্বপালন সক্ষমতা বৃদ্ধি ও অ্যাপসের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ বজায় রাখতে অতিরিক্ত কি পদক্ষেপ নেওয়া যায় সে বিষয়ে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের মতামত জরুরি ভিত্তিতে চাওয়া হয়েছে।

ইসি আশা করছে, নতুন এ উদ্যোগগুলো বাস্তবায়িত হলে ভোটকেন্দ্র পরিচালনায় স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

সবার দেশ/কেএম

সর্বশেষ