শান্তিপূর্ণ নির্বাচনই শহীদদের প্রতি সরকারের অঙ্গীকার
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব মোহাম্মদ শফিকুল আলম বলেছেন, আগামী জাতীয় নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে আয়োজন করা হবে—এটাই শহীদদের প্রতি সরকারের অঙ্গীকার। নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, ততই সরকারের প্রস্তুতি জোরদার হচ্ছে। পুরো জাতি একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রত্যাশায় রয়েছে।
রবিবার সাভারের মানারাত ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে ঐতিহাসিক জুলাই বিপ্লবের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত পক্ষকালব্যাপী কর্মসূচির সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
প্রেস সচিব জানান, ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশের জন্য ৪০ হাজার বডি ক্যামেরা কেনা হচ্ছে। নির্বাচনের দিন কেন্দ্রের পরিস্থিতি সরাসরি মনিটরিংয়ের জন্য বডি ক্যামেরা বাধ্যতামূলক করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। তিনি বলেন, জুলাই বিপ্লবে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার কথা আমরা ভুলিনি। শহীদদের স্মরণে আমাদের অঙ্গীকার—দেশে অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করা।
তিনি আরও জানান, রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গেও আলোচনার মাধ্যমে ফেব্রুয়ারিতে শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে। সরকারি কর্মকর্তাদের সতর্ক করে তিনি বলেন, যারা জনগণের অধিকার খর্ব করে ফ্যাসিবাদী শক্তিকে শক্তিশালী করেছেন, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে কেবল প্রমাণিত অভিযোগ থাকলেই শাস্তি দেওয়া হবে।
শহীদদের স্মরণে তিনি বলেন,শহীদ শাকিল ও আহনাফের আত্মার শান্তি কামনা করি। তারা যে পথ দেখিয়ে গেছেন, তা থেকে আমরা বিচ্যুত হব না। তাদের স্বপ্ন ছিল ভোটচুরি ও দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ—আমরা সেই স্বপ্ন বাস্তবায়ন করব।
অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ফজলুর রহমান প্রধান অতিথি ছিলেন। উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবদুর রবের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন সুপ্রিম কোর্টের অ্যাডভোকেট মো. মতিউর রহমান আকন্দ। প্রধান আলোচক ছিলেন ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতা মো. আবু সাদিক কায়েম। এদিন শহীদ শিক্ষার্থী শাকিল হোসেন পারভেজ ও আহনাফ আবির আশরাফুল্লাহ’র নামে একটি চত্বর ও লাইব্রেরি উদ্বোধন করা হয়। শহীদদের পরিবারের সদস্যরাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
সবার দেশ/এফও




























