Sobar Desh | সবার দেশ সবার দেশ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৯:৩৭, ২ ডিসেম্বর ২০২৫

আপডেট: ১৯:৩৯, ২ ডিসেম্বর ২০২৫

পরীক্ষায় বাধা দিলে কঠোর ব্যবস্থা, সতর্ক করলেন শিক্ষা উপদেষ্টা

সরকারি বিধি লঙ্ঘনের দায়ে শিক্ষকদের শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে

সরকারি বিধি লঙ্ঘনের দায়ে শিক্ষকদের শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে
শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. সি আর আবরার। ছবি: সংগৃহীত

মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বার্ষিক পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা করে যে অবস্থান নিয়েছেন একদল শিক্ষক, তা ‘সরকারি কর্মচারী আচরণবিধি লঙ্ঘন’ বলে সতর্ক করেছেন শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. সি আর আবরার। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন—এ ধরনের সিদ্ধান্ত অব্যাহত থাকলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে। 

বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থাকে (বাসস) দেয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি এ কঠোর বার্তা দেন।

শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, আন্দোলনের নামে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা বন্ধ রাখা সম্পূর্ণ অনভিপ্রেত ও দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণ। অনেক স্কুলে পরীক্ষা হয়েছে, অনেক স্কুলে হয়নি—এ বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি গ্রহণযোগ্য নয়। সরকারি চাকরির বিধি লঙ্ঘন করলে শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া ছাড়া সরকারের বিকল্প থাকবে না বলে তিনি সতর্ক করেন।

শিক্ষকদের নবম গ্রেডে উন্নীত করার দাবি অযৌক্তিক আখ্যা দিয়ে সি আর আবরার বলেন, চাকরিতে যোগদানের সময় সবাই জানতেন তাদের পদ দশম গ্রেডে। এখন হুট করে নবম গ্রেড দাবি করা অগ্রহণযোগ্য। তাছাড়া নবম গ্রেড মূলত বিসিএস অ্যাডমিন ক্যাডারদের জন্য নির্ধারিত—এটি একক কোনও মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তের বিষয়ও নয়। তাই শিক্ষকরা ইচ্ছেমতো এ গ্রেডে যেতে পারবেন না।

আরও পড়ুন <<>> প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকদের হুঁশিয়ারি, ‘তালাবদ্ধ’ কর্মসূচি ঘোষণা

তিনি অভিযোগ করেন, শিক্ষকদের একটি অংশ তাদের দাবি আদায়ের জন্য কোমলমতি শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা ‘চাপ প্রয়োগের হাতিয়ার’ হিসেবে ব্যবহার করছেন, যা শিক্ষকতার নৈতিকতার পরিপন্থী। বার্ষিক পরীক্ষা কিংবা টেস্ট পরীক্ষা চলমান অবস্থায় এমন সিদ্ধান্ত নেয়া দায়িত্বহীনতার শামিল বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

ড. সি আর আবরার পরিষ্কারভাবে বলেন, পরীক্ষায় কোনও আপস হবে না। শিক্ষকরা আগামীকাল থেকেই পরীক্ষা গ্রহণে ফিরে না আসলে সরকারি কর্মচারী বিধি লঙ্ঘনের দায়ে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে। তিনি আরও জানান, জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে কথা বললে জানা গেছে—শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা পরীক্ষায় অংশ নিতে আগ্রহী, কিন্তু একটি অংশের শিক্ষক পরীক্ষা নিচ্ছেন না।

তার ভাষায়, 

শিক্ষার্থীদের এবং তাদের অভিভাবকদের ওপর অযথা চাপ সৃষ্টি করা যাবে না। পরীক্ষা আপনাদের নিতেই হবে। তা না হলে শাস্তির জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।

সবার দেশ/কেএম

সম্পর্কিত বিষয়:

শীর্ষ সংবাদ:

ঢাবির মেয়েদের হল বন্ধ রাত ১১টায়
নবম পে-স্কেল অনুমোদন: কার বেতন কত
নেপালে বন্যায় প্রাণহানি বেড়ে ৯১৯, নিখোঁজ ৪ হাজারের বেশি
জামালপুরে বাস-ইজিবাইক সংঘর্ষে নিহত ৪
ফেল করা শিক্ষার্থীদের জন্য সুখবর
শিল্প কোনও পাপ নয়: প্রভা
মক্কা ডিফেন্স অ্যালায়েন্সের আনুষ্ঠানিক যাত্রা
দেশে প্রথম রোবটিক সার্জারি, প্রথম দিনে ২ রোগীর অস্ত্রোপচার
আন্তর্জাতিক ফুটবলকে গুডবাই বললেন মেসি
পূজার আগেই পাকিস্তানের হামলার প্রস্তুতিতে শঙ্কিত ভারত
‘ইসলাম শ্রেষ্ঠ ধর্ম’ মন্তব্যে কর্ণাটকের মন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি বিজেপির
মার্কিন হামলার পাল্টা জবাব, জর্ডানে ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা
৬ মাসে দেশে বিচারবহির্ভূত হত্যা হয়নি: সংসদীয় কমিটি
নেপালে বন্যা-ভূমিধসে মৃত্যু প্রায় ৮০০, নিখোঁজ আড়াই হাজার
মক্কা চুক্তিতে বাংলাদেশের অংশগ্রহণে ইতিবাচক অগ্রগতি: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
ডুবে ডুবে নৌকা খুঁজলে ‘হাঁস’ খেয়ে ফেলবে জনগণ-রুমিন ফারহানাকে হুঁশিয়ারি সারোয়ার তুষারের