শাহবাগ থানায় উত্তেজনা
‘গুপ্ত রাজনীতি’র অভিযোগে ছাত্রদলের তোপে সাদিক কায়েম
রাজধানীর শাহবাগ থানায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) নেতাদের ঘিরে সংঘর্ষ ও উত্তেজনার ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসার আগেই সেখানে রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে, যা পরে শাহবাগ থেকে ডাকসু ভবন পর্যন্ত গড়ায়।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৯টার দিকে ঘটনাটি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে, যখন ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম এবং সাধারণ সম্পাদক এস এম ফরহাদ শাহবাগ থানায় আটকে পড়া সহকর্মীদের উদ্ধার করতে যান। এ সময় তাদের ঘিরে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ শুরু করেন।
ছাত্রদল নেতাকর্মীরা সাদিক কায়েমের বিরুদ্ধে ‘গুপ্ত রাজনীতি’ করার অভিযোগ তোলেন। পাশাপাশি তার অতীত রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা নিয়েও সমালোচনা করেন তারা। একপর্যায়ে ‘সাদিক কায়েমের ছাত্রলীগ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকবে না’—এমন স্লোগানও দিতে দেখা যায় বিক্ষোভকারীদের।
পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে উঠলে একপর্যায়ে সাদিক কায়েম ও এস এম ফরহাদ ঘটনাস্থল থেকে সরে গিয়ে ডাকসু ভবনের দিকে চলে যান।
এর আগে শাহবাগ থানায় ডাকসুর দুই নেতা এবি জুবায়ের ও মোসাদ্দেক আলী ইবনে মোহাম্মদের ওপর হামলার অভিযোগ ওঠে। অভিযোগ অনুযায়ী, থানার ভেতরেই তাদের মারধর করা হয়। এতে তারা আহত হন।
ঘটনার সময় ডাকসুর সমাজসেবা সম্পাদক জুবায়ের এবং সংস্কৃতিবিষয়ক সম্পাদক মুসাদ্দিক থানায় গেলে তাদেরও মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। একই ঘটনায় ডাকসুর কার্যনির্বাহী সদস্য সাইয়েদুজ্জামান নূর আলভিও আহত হন।
অন্যদিকে, সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রধানমন্ত্রী এবং বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মেয়ে জায়মা রহমানকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট ছড়ানোর অভিযোগে একটি জিডি করতে শাহবাগ থানায় যান ডাকসুর শিবির প্যানেলের প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ ও মাস্টারদা সূর্যসেন হলের সদস্য সাইয়েদুজ্জামান আলভি। সে সময় থেকেই থানার সামনে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতে থাকে।
পরবর্তীতে দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের পরিস্থিতি তৈরি হয়। এ সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত সাংবাদিকদের ওপরও হামলার অভিযোগ ওঠে।
এ ঘটনায় শাহবাগ এলাকায় এখনও উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তৎপর রয়েছে বলে জানা গেছে।
সবার দেশ/কেএম




























