Sobar Desh | সবার দেশ সবার দেশ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০০:৩১, ১২ অক্টোবর ২০২৫

আপডেট: ০০:৩২, ১২ অক্টোবর ২০২৫

সেনাবাহিনীর মর্যাদা রক্ষায় ন্যায়বিচার অপরিহার্য: বিএনপি

সেনাবাহিনীর মর্যাদা রক্ষায় ন্যায়বিচার অপরিহার্য: বিএনপি
ফাইল ছবি

দেশের গণতন্ত্র, মানবাধিকার এবং সেনাবাহিনীর পেশাদারিত্ব রক্ষায় অপরাধের সুষ্ঠু ও নির্মোহ বিচার অপরিহার্য বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি। দলটি বলেছে, ন্যায়বিচার শুধু অতীতের অপরাধের শাস্তিই নিশ্চিত করে না, বরং ভবিষ্যতে যেন কেউ সে অন্যায়ের পুনরাবৃত্তি না ঘটায়, তার নিশ্চয়তাও দেয়।

শনিবার (১১ অক্টোবর) রাতে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এসব কথা জানানো হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, একটি রাষ্ট্রের চলা উচিত ‘ল অব দ্য ল্যান্ড’ বা দেশের প্রচলিত আইনের ভিত্তিতে। কিছু চিহ্নিত ব্যক্তির অপরাধের দায় কোনও প্রতিষ্ঠানের ওপর চাপানো যেমন উচিত নয়, তেমনি তাদের অপরাধের কারণে পুরো প্রতিষ্ঠানকে প্রশ্নবিদ্ধ করাও অনুচিত। একজন ব্যক্তির ভালো-মন্দ কাজের দায় একান্তই তার নিজের, বিশেষত গুরুতর অপরাধের ক্ষেত্রেও এ নীতি প্রযোজ্য।

রিজভী বলেন, বিএনপি এমন একটি দল, যারা ফ্যাসিবাদের সময় সবচেয়ে বেশি গুম, খুন ও নিপীড়নের শিকার হয়েছে। সে কারণেই দলটি সব মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিচার চায়। প্রাতিষ্ঠানিক পরিচয় নয়, বিবেচ্য হওয়া উচিত শুধুমাত্র ব্যক্তির অপরাধ ও আইনের শাসন।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, কোনও ব্যক্তি বিশেষের বিচ্ছিন্ন অপরাধের সঙ্গে একটি দেশপ্রেমিক বাহিনীকে ঘিরে জনগণের আবেগ, আস্থা ও সম্মানকে জড়িয়ে ফেলা অনুচিত। সেনাবাহিনীর প্রতিটি সদস্যই এ দেশের, এ মাটির গর্বিত সন্তান।

বিএনপি মনে করে, সেনাবাহিনীর অধিকাংশ সদস্য মন থেকে চান সীমালঙ্ঘনকারীরা বিচারের মুখোমুখি হোক। যাতে ভবিষ্যতে কোনও সরকার সেনাবাহিনীর কাঁধে ভর করে গুম, খুন বা অন্যায় নির্দেশ দেয়ার সাহস না পায়।

বিবৃতির শেষাংশে বলা হয়, ন্যায়বিচার ও মানবাধিকারের প্রতি পূর্ণাঙ্গ শ্রদ্ধাই একটি শান্তিপূর্ণ ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রের ভিত্তি গড়ে দিতে পারে। আর এ ন্যায্য আকাঙ্ক্ষার সঙ্গেই বিএনপি একাত্ম।

শনিবার সেনানিবাসে এক সংবাদ সম্মেলনে সেনাবাহিনীর অ্যাডজুট্যান্ট জেনারেল মেজর জেনারেল মো. হাকিমুজ্জামান বলেন, ইনসাফ নিয়ে কোনও আপস হবে না। গুম ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের মামলায় বর্তমান ও সাবেক সেনা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে চার্জশিট জমা পড়ার পর সেনাবাহিনী নিজ উদ্যোগে সংশ্লিষ্টদের হেফাজতে নেয়ার নির্দেশ দেয়।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সেনাবাহিনী ও বিএনপির এ পরপর বার্তা দেশের রাজনীতিতে এক নতুন বাস্তবতার ইঙ্গিত দিচ্ছে— যেখানে বিচারের দায় হবে ব্যক্তিগত, কিন্তু প্রতিষ্ঠান থাকবে পেশাদার ও মর্যাদাবান।

সবার দেশ/কেএম

শীর্ষ সংবাদ:

মেঘনায় এনসিপির ৫৯ সদস্যের কমিটি, আহ্বায়ক কিরন
ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা পাবার অধিকার সবার: প্রধানমন্ত্রী
সুখের লাগিয়া এ ঘর বাঁধিনু
শোয়েব মালিকের সঙ্গে বিয়ের গুঞ্জনে বিরক্ত ভানিজা
দিল্লিতে সিজেপি নেতা দীপক আটক, তুলে নিলো নেহাকেও
এখন গরু-মহিষকে ঘাস খাওয়াতেও চাঁদা দিতে হয়: রুমিন ফারহানা
যুব উন্নয়নের প্রশ্নফাঁসে সরকারি দফতরের কর্মচারী, গ্রেফতার ৭
কৃতিত্বের পরিচয় রক্ষায় আদালতে কৃতি শ্যানন
চুয়েটে অনলাইন সিন্ডিকেট সভা, ছিলেন না কোনও সদস্য
শূন্যে ভাসবে টেসলার গাড়ি
ক্ষমতার রাজনীতি ও আমলাতন্ত্রে জিম্মি রাষ্ট্রসংস্কার: টিআইবি
পিনাকী ভট্টাচার্যের ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন
পূজার ছুটিতেও চালু থাকবে পোশাক কারখানা
ককরোচ পার্টির পক্ষে রায় দিলো দিল্লি হাইকোর্ট
হরমুজে জাহাজডুবি, সাগরে ভাসছে আইফোন ও দামি সুগন্ধি
সাজেক পর্যটকদের জন্য উম্মুক্ত, অবরোধ স্থগিত
হাইতিতে জাতিসংঘ মিশনে সেনাবাহিনীর ৫০ সদস্য