Sobar Desh | সবার দেশ সবার দেশ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০০:০৩, ৬ ডিসেম্বর ২০২৫

গণতন্ত্র রক্ষায় নতুন করে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে

৬ ডিসেম্বর স্বৈরশাসন অবসানের ঐতিহাসিক দিন: তারেক রহমান

৬ ডিসেম্বর স্বৈরশাসন অবসানের ঐতিহাসিক দিন: তারেক রহমান
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, দেশের ইতিহাসে ৬ ডিসেম্বর এক অবিস্মরণীয় দিন—এ দিনে রক্তাক্ত সংগ্রামের মধ্য দিয়ে অবসান হয়েছিল স্বৈরশাসন, ফিরে এসেছিলো গণতন্ত্রের আলো। 

শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) রাতে তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক দীর্ঘ পোস্টে তিনি ১৯৯০ সালের স্বৈরাচারবিরোধী গণআন্দোলন, খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব এবং বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বক্তব্য দেন।

তারেক রহমান বলেন, ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ পেশাগত বিশ্বস্ততা ও সংবিধানিক শপথ ভঙ্গ করে অস্ত্রের মুখে রাষ্ট্রপতি বিচারপতি আব্দুস সাত্তারকে ক্ষমতাচ্যুত করেন, যার মধ্য দিয়ে শুরু হয় গণতন্ত্র হত্যার এক অন্ধ অধ্যায়। এর আগের বহুদলীয় গণতন্ত্রের নীতি, যা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, তা ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়েছিল এরশাদের একনায়কতান্ত্রিক শাসনে।

তিনি স্মরণ করেন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে বেগম খালেদা জিয়ার দীর্ঘ নয় বছরের কঠোর সংগ্রামকে—যে সংগ্রামের জেরে তিনি হয়ে ওঠেন দেশের আপোসহীন নেত্রী। তার নেতৃত্বে গড়ে ওঠা ব্যাপক গণআন্দোলনই ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর স্বৈরশাসন পতনের পথ সুগম করে। ছাত্র-জনতার মিলিত শক্তিতে সেদিন মুক্ত হয়েছিল গণতন্ত্র।

বর্তমান প্রেক্ষাপটে তিনি উল্লেখ করেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টও ছাত্র-জনতার নেতৃত্বে এক হিংস্র ফ্যাসিবাদী শক্তিকে পরাস্ত করা হয়। তারেক রহমান অভিযোগ করেন, ঐতিহাসিকভাবেই আওয়ামী লীগ গণতন্ত্রের ‘শত্রু’ হিসেবে পরিচিত—এবং শেখ হাসিনার দুঃশাসন গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে ধ্বংস করেছে। তাই গণতন্ত্রের পূর্ণ পুনরুজ্জীবন ও রাষ্ট্রে গণতান্ত্রিক মানসিকতা প্রতিষ্ঠায় অব্যাহত সংগ্রাম প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন তিনি।

খালেদা জিয়ার কারাবরণ ও নিপীড়নের কথাও উল্লেখ করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, শেখ হাসিনার শাসনে বেগম খালেদা জিয়ার ওপর জেল-জুলুম ও নানা ধরনের নির্যাতন চালানো হয়েছে, যার ফলে তার শারীরিক অবস্থা এখন অত্যন্ত সংকটজনক। পাশাপাশি দেশের লাখো বিএনপি নেতাকর্মীর ওপর বর্বর নির্যাতন নেমে এসেছিল, সারাদেশকেই একসময় অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছিলো।

তারেক রহমান ১৯৮২-১৯৯০ সালের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান এবং তাদের রূহের মাগফিরাত কামনা করেন। তিনি গণতন্ত্র রক্ষার সংগ্রামে অংশ নেয়া সকল দেশবাসীকে অভিনন্দন জানান।

শেষে তিনি বলেন—গণতন্ত্রবিরোধী পরাজিত শক্তির পুনরুত্থান যেন আর না ঘটে, সেজন্য দেশব্যাপী গণতান্ত্রিক শক্তিগুলোকে সবসময় ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।

সবার দেশ/কেএম

শীর্ষ সংবাদ:

জনগণের বিশ্বাসই রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় সম্পদ: প্রধানমন্ত্রী
পদত্যাগ করবো না, বরখাস্ত করুন: মমতা
দোষ প্রমাণ হলে ৭ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে নাসিরের
ইরানের শর্ত মেনেই চুক্তি করছে যুক্তরাষ্ট্র!
এবার বাড়লো লঞ্চভাড়াও
সিএনএনের প্রতিষ্ঠাতা টেড টার্নার আর নেই
আন্দামানে ট্রলারডুবি, শতাধিক বাংলাদেশিসহ নিখোঁজ ২৬৪
‘কামব্যাক কমরেড’— মির্জা আব্বাসকে নাসীরুদ্দিন পাটওয়ারী
শঙ্কামুক্ত মির্জা আব্বাস, ফিরছেন ঈদের আগেই
ইস্টার্ণ রিফাইনারি চালু হচ্ছে আজ
ছাতকে আওয়ামী নেতার পছন্দের চালককে বাঁচাতে মরিয়া এসিল্যান্ড
অপহরণ করে চাঁদা আদায়ের অভিযোগে যশোরে তিনজন আটক
দ্বিতীয় বিয়েতে কেন বেশি সুখী হন অনেকে? জানালো গবেষণা
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর পথে মৌলবাদী শুভেন্দু
মূল্যস্ফীতি ছাড়ালো ৯ শতাংশ, নিত্যপণ্যের চাপ
হাম ও উপসর্গে আরও ৭ জনের মৃত্যু, বাড়ছে উদ্বেগ
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা স্মারক চূড়ান্ত, শেষ হচ্ছে যুদ্ধ!
লন্ডনের ফুটপাতে আইসক্রিম হাতে ‘নির্ভার’ পাপন