Sobar Desh | সবার দেশ সবার দেশ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৯:১১, ২ নভেম্বর ২০২৫

তারেক রহমান জাতিকে আশার আলো দেখাচ্ছেন: মির্জা ফখরুল

তারেক রহমান জাতিকে আশার আলো দেখাচ্ছেন: মির্জা ফখরুল
ছবি: সংগৃহীত

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান জাতিকে নতুন আশার আলো দেখাচ্ছেন বলে মন্তব্য করেছেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। 

রোববার (২ নভেম্বর) নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ৭ নভেম্বর সিপাহী-জনতার বিপ্লব দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা শেষে তিনি এ মন্তব্য করেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, 

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যেমন জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন, আজ তারই উত্তরসূরি তারেক রহমানও সুদূর প্রবাস থেকে জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করার প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে যে সংগ্রামের ধারাবাহিকতা গড়ে উঠেছিলো, সেটিই আজ অব্যাহত রেখেছেন তারেক রহমান। তিনি জাতিকে নতুন আশার আলো দেখাচ্ছেন।

তিনি বলেন, ৭ নভেম্বর আমাদের কাছে এবং গোটা জাতির কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি দিন। আজ যখন দেশ অনিশ্চয়তা ও হতাশার মধ্যে রয়েছে, তখন আবারও দেশের শত্রুরা মাথা তুলে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে। নৈরাজ্য সৃষ্টি করছে, সোশ্যাল মিডিয়ায় মিথ্যা প্রচারণা চালাচ্ছে। এ অবস্থায় ৭ নভেম্বরের ঐক্যের চেতনা আজ আরও প্রাসঙ্গিক।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ১৯৭৫ সালে সিপাহী-জনতার বিপ্লবের মধ্য দিয়ে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে গৃহবন্দী অবস্থা থেকে মুক্ত করা হয়। দেশপ্রেমিক সৈনিক ও জনগণ তাকে মুক্ত করে নিয়ে আসে। এরপরই শুরু হয় বাংলাদেশের সাফল্যের নতুন অধ্যায়। শহীদ জিয়া দেশকে ‘বটমলেস বাস্কেট’ অবস্থা থেকে সম্ভাবনার নতুন দিগন্তে নিয়ে যান—যে সময় থেকেই বাংলাদেশের পুনর্জাগরণ শুরু হয়।

ফখরুল বলেন, জিয়াউর রহমান ছিলেন বাংলাদেশের ইতিহাসের এক ক্ষণজন্মা পুরুষ। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা দেন—‘I hereby declare the independence of Bangladesh’। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের পর আওয়ামী লীগের একদলীয় শাসন ও দুর্নীতির কারণে দেশ ভয়াবহ দুর্ভিক্ষে পড়েছিলো।

তিনি বলেন, 

শহীদ জিয়া সে সংকট কাটিয়ে দেশকে বহুদলীয় গণতন্ত্রে ফিরিয়ে আনেন। সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিত করেন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠা করেন, গড়ে তোলেন সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল। তার হাত ধরেই শুরু হয় গার্মেন্টস শিল্প, প্রবাসে শ্রমিক পাঠানোর উদ্যোগ, কৃষি সংস্কার ও শিল্পোন্নয়ন। তিনি ছিলেন আধুনিক বাংলাদেশের স্থপতি।

বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ নেতা আরও বলেন, দুর্ভাগ্যজনকভাবে শহীদ জিয়াউর রহমানকে চট্টগ্রামের সার্কিট হাউসে হত্যা করা হয়, কিন্তু তার আদর্শ আজও অমলিন। তার প্রদত্ত বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের দর্শন কখনও পরাজিত হয়নি, তাই বিএনপিও বারবার ধ্বংসস্তূপ থেকে উঠে দাঁড়িয়েছে।

শেষে মির্জা ফখরুল বলেন, ৭ নভেম্বর কেবল একটি দিন নয়, এটি আমাদের জাতীয় চেতনার প্রতীক। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়ার দর্শন ও তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরা এগিয়ে যাবো গণতন্ত্র, স্বাধীনতা ও সার্বভৌম বাংলাদেশের স্বপ্ন পূরণের পথে।

সবার দেশ/কেএম

শীর্ষ সংবাদ:

পাঁচ অস্ত্রসহ গ্রেফতার লিটন গাজী সম্পর্কে সব জানালো পুলিশ সুপার
আনসার ভিডিপি ব্যাংকের ৯ কোটি টাকা আত্মসাৎ, ব্যবস্থাপক গ্রেফতার
লালমনিরহাটে স্বামী হত্যা মামলায় স্ত্রী ও পরকীয়া প্রেমিকের যাবজ্জীবন
ভোলাহাটে বাসের চাকায় পিষ্ট হয়ে কলেজ শিক্ষকের মৃত্যু
সৌদি আরবে প্রবাসী বাংলাদেশিরা দালাল চক্রের খপ্পরে
বাংলাদেশ সীমান্তে পঁচছে ৩০ হাজার টন ভারতীয় পেঁয়াজ
সুদের টাকার জন্য নোয়াখালীতে ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে হত্যা, গ্রেফতার-১
ইমরান খান বেঁচে আছেন, দেশ ছাড়তে চাপ: পিটিআই
হাসিনা-রেহানা-টিউলিপের প্লট দুর্নীতি মামলার রায় আজ
শুরু হলো বিজয়ের মাস
বিডিআর হত্যাকাণ্ডে ভারত জড়িত
খালেদা জিয়ার খোঁজ নিতে হাসপাতালে জামায়াত সেক্রেটারি
স্কুল ভর্তির লটারি ১১ ডিসেম্বর
বিডিআরকে দুর্বল করে ক্ষমতা টিকিয়ে রাখাতেই পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ছয় উপসচিবের দফতর পরিবর্তন