Sobar Desh | সবার দেশ সবার দেশ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০০:১৭, ২৫ জুন ২০২৫

আপডেট: ০০:২৩, ২৫ জুন ২০২৫

দুদকের ‘চা খাওয়ার বিল’ ১ লাখ টাকা: হাসনাত আবদুল্লাহ

দুদকের ‘চা খাওয়ার বিল’ ১ লাখ টাকা: হাসনাত আবদুল্লাহ
ছবি: সংগৃহীত

দুর্নীতি না করেও দুর্নীতির ক্লিয়ারেন্স নিতে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কর্মকর্তাদের ১ লাখ টাকা দিতে হয়—এমন চাঞ্চল্যকর অভিযোগ তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির দক্ষিণাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ।

মঙ্গলবার (২৪ জুন) নিজের ফেসবুক পোস্টে এ অভিযোগ করেন তিনি। সেখানে তিনি জানান, জাতীয় নাগরিক কমিটির যুগ্ম সদস্যসচিব ডা. মাহমুদা আলম মিতুর কাছে সম্প্রতি এ টাকা দাবি করা হয়েছে দুদকের মহাপরিচালক (ডিজি) আকতার ও উপ-পরিচালকের (ডিডি) পরিচয়ে।

হাসনাত আবদুল্লাহ লিখেছেন, স্বাধীন বাংলাদেশে দুদকের চা খাওয়ার বিল ১ লাখ টাকা। আপনার নামে দুর্নীতির কোনো অভিযোগ না থাকলেও সেটার ক্লিয়ারেন্স নিতে আপনাকে ১ লাখ টাকা দিতে হবে। মাহমুদা মিতুকে বলা হয়েছে—আপনি তো ডাক্তার, টাকার সমস্যা থাকার কথা না, ১ লাখ টাকা দিয়ে ক্লিয়ারেন্স নিয়ে যান।

তিনি আরও দাবি করেন, দুদকের সর্বনিম্ন রেট নাকি ১ লাখ টাকা। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে আবার ফোন করে জানানো হয়—টাকা না দিলে ‘খবর’ করে দেয়া হবে।

ফেসবুক পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, মাহমুদা মিতু ৫ আগস্টের পরে রেড ক্রিসেন্টে যোগ দিয়েছেন। অথচ দুদক এখন তদন্ত করছে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ের দুর্নীতি নিয়ে।

হাসনাতের দাবি, আওয়ামী আমলের দুর্নীতির দায় চাপানোর চেষ্টা করা হচ্ছে এখনকার লোকজনের ওপর। বড় অঙ্কের টাকার লেনদেনের সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে। যারা কিছুই করেনি, তাদের কাছ থেকেই যদি ১ লাখ টাকা নেয়া হয়, তাহলে আগের সরকারের লোকজনের কাছ থেকে কত টাকা আদায় করেছে, সেটি সহজেই অনুমেয়।

তিনি আরও বলেন, এ অভিযোগ নতুন নয়। আওয়ামী লীগ আমলে খালেদা জিয়াসহ বিরোধী দলের বহু নেতাকে হয়রানি করেছে দুদক। অথচ হাজার হাজার কোটি টাকার দুর্নীতির ব্যাপারে তারা নীরব থেকেছে। আমরা আশা করেছিলাম, ৫ আগস্টের পরিবর্তনের পর দুদকের মধ্যে পরিবর্তন আসবে। কিন্তু তা হয়নি। বরং এখন তারা চা খাওয়ার নাম করে ১ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করছে।

হাসনাত দাবি করেন, মাহমুদা মিতু সাহস করে পুরো ঘটনা ভিডিও করে রেখেছেন এবং ঘুষ দেননি। তবে সাধারণ মানুষ যে এ ধরনের হয়রানির শিকার হচ্ছে, তা কেউ জানে না।

তিনি বলেন, আমাদের অবস্থান পরিষ্কার—আমার বা মাহমুদা মিতুর নামে দুর্নীতির অভিযোগ থাকলে প্রকাশ্যে আনুন, মামলা করুন, আইনের হাতে দিন। কিন্তু নিরীহ মানুষের ওপর এভাবে চাঁদাবাজি কেন?

হাসনাতের ভাষ্য, আমরা নতুন বাংলাদেশ চাই। ফ্যাসিবাদের পতনের পরও যেন কেউ পুরনো দুর্নীতির পথে হাঁটতে না পারে, সে জন্য দুদককে নতুনভাবে দেখতে চেয়েছিলাম। কিন্তু তারা আবারও পুরনো পথেই হাঁটছে। আমলাতন্ত্র আবার বিষদাঁত বের করছে। এ বিষদাঁত ভাঙতে না পারলে নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন ভেঙে যাবে।

তিনি দুদকের ‘চাঁদাবাজির’ বিচার দাবি করেন এবং প্রশ্ন তোলেন, জুলাই অভ্যুত্থানে দেশের মানুষ কি এ দুর্নীতির জন্য জীবন দিয়েছিলো?

সবার দেশ/এফএস

শীর্ষ সংবাদ:

চাঁদাবাজির অভিযোগে বিএনপি এমপির ছেলে আটক
সৌদি আরবকে উড়িয়ে স্পেনের শক্ত বার্তা
মালয়েশিয়ায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর মতবিনিময়
সংসদে হান্নান মাসউদের বক্তব্য ঘিরে তুমুল উত্তেজনা
দলীয় নেতা নিহতের প্রতিবাদে শিবিরের শাহবাগ অবরোধ
রাজধানীতে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ১৪ নেতাকর্মী গ্রেফতার
‘এটা শাহবাগ নয়’ মন্তব্যে ক্ষোভ সারজিস আলমের
নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের রাতের ভোটের এমপি মেরী মারা গেছেন
প্রয়োজনে হরমুজ নিয়ন্ত্রণে নেবে যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প
জাতিকে দেয়া ওয়াদা রাখেনি বিএনপি: জামায়াত আমির
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে পুশইনের চেষ্টা রুখে দিলো বিজিবি-জনতা
লন্ডনে হাসনাত আবদুল্লাহর বিরুদ্ধে নিষিদ্ধ আ.লীগের মামলা
ট্রাম্পকে ৪০ কোটি ডলারের বিমান উপহার দিলো কাতার
উত্তরের চার জেলায় বন্যার শঙ্কা