Sobar Desh | সবার দেশ সবার দেশ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০২:৪১, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

আপডেট: ০২:৪২, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

চট্টগ্রামে মার্কিন বিমান ও সেনা উপস্থিতি, সোশ্যাল মিডিয়া তোলপাড়!

চট্টগ্রামে মার্কিন বিমান ও সেনা উপস্থিতি, সোশ্যাল মিডিয়া তোলপাড়!
ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রামের জহুরুল হক বিমান ঘাঁটিতে বাংলাদেশ বিমানবাহিনী ও যুক্তরাষ্ট্রের প্যাসিফিক এয়ার ফোর্স যৌথভাবে ৭ দিনব্যাপী ‘অপারেশন প্যাসিফিক এঞ্জেল ২৫-৩’ মহড়া চালাচ্ছে। এর অংশ হিসেবে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মার্কিন বিমান ও সেনা সদস্যদের উপস্থিতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক আলোচনা ও বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

ফেসবুক ও অন্যান্য প্ল্যাটফর্মে ভিডিও ও ছবি শেয়ার করে কেউ কেউ মন্তব্য করেছেন, ‘তিনটি মার্কিন যুদ্ধ বিমান এখানে, তাহলে কি দেশের স্বাধীনতা বিপন্ন হচ্ছে?’ গত ২৪ ঘণ্টায় এমন বহু পোস্ট ও ভিডিও শেয়ার হয়েছে।

ঠিক কী ঘটছে?

বাংলাদেশের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর (আইএসপিআর) জানিয়েছে, মহড়ায় অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর একটি সি-১৩০জে পরিবহন বিমান, একটি এমআই-১৭ হেলিকপ্টার এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্যাসিফিক এয়ার ফোর্সের দুটি সি-১৩০জে বিমান। মোট ৯০ জন বাংলাদেশি এবং ৯২ জন মার্কিন সদস্য এ মহড়ায় অংশ নিচ্ছেন। শ্রীলঙ্কার বিমান বাহিনীর দুইজন চিকিৎসা কর্মী ও আঞ্চলিক সহযোগী অংশীদাররাও এতে রয়েছেন।

আইএসপিআর বলছে, মহড়ার মূল লক্ষ্য মানবিক সহায়তা, দুর্যোগ মোকাবিলা, বিমান নিরাপত্তা ও প্রকৌশল সহায়তায় সহযোগিতা বৃদ্ধি করা। এ ধরনের যৌথ মহড়া বাংলাদেশের সঙ্গে মার্কিন বাহিনীর আগেও বিভিন্ন সময়ও অনুষ্ঠিত হয়েছে।

হোটেলে থাকা নিয়ে অভিযোগের সত্যতা

চট্টগ্রামের রেডিসন ব্লু হোটেলে মার্কিন এয়ার ফোর্স সদস্যদের থাকার একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। কিছু শেয়ার করা পোস্টে দাবি করা হয়েছিলো, সদস্যরা হোটেলের রেজিস্ট্রেশন ছাড়া উঠেছেন। তবে হোটেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, এমন অভিযোগ ভিত্তিহীন। প্রত্যেক অতিথির মতোই তাদের পাসপোর্ট ও ভিসা কপি দেখিয়ে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের ব্যাখ্যা

ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসও ফেসবুক পেজে জানিয়েছে, এ মহড়া প্রতিরক্ষা সহযোগিতা এগিয়ে নেবে। চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স ট্রেসি অ্যান জ্যাকবসন ১৬ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রামে জহুরুল হক সেনানিবাসে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মহড়া পর্যবেক্ষণ করেছেন।

সমালোচনার পেছনের কারণ

সোশ্যাল মিডিয়ায় উত্থাপিত প্রশ্নগুলো মূলত দেশের সার্বভৌমত্ব ও বিদেশি সামরিক উপস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ থেকে তৈরি। অনেকেই মনে করছেন, যুক্তরাষ্ট্রের বিমান ও সেনা সদস্যদের দেশীয় এলাকায় অবস্থান কোনও রাজনৈতিক বা নিরাপত্তা বিষয়ক স্বার্থকে প্রভাবিত করতে পারে। তবে আইএসপিআর এবং দূতাবাসের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, এটি সম্পূর্ণ বৈধ, পূর্বনির্ধারিত যৌথ মহড়া এবং দেশের নিরাপত্তা ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় সহায়ক।

সূত্র : বিবিসি বাংলা

সবার দেশ/কেএম

শীর্ষ সংবাদ:

ফিটনেসবিহীন গাড়ির চালকের আসনে তারেক রহমান: হাসনাত
ড. ইউনূসকে হেনস্তা, ৪ আওয়ামী জঙ্গি শনাক্ত
এনসিপির শীর্ষ চার পদ বিলুপ্তির সিদ্ধান্ত, বদলাচ্ছে নেতৃত্ব
ড. ইউনূসকে হেনস্তা, ১২ সাবেক উপদেষ্টার নিন্দা
মুচলেকা দিয়ে পুলিশি পাহারায় ক্যাম্পাস ছাড়লেন চুয়েট ভিসি
ড. ইউনূসের হেনস্তার দায় পররাষ্ট্রমন্ত্রীর: নাহিদ
যুক্তরাষ্ট্রে ড. ইউনূসকে হেনস্তা, সরকারের নিন্দা
ড. ইউনূস ভালো আছেন, কোনও ক্ষতি হয়নি: লামিয়া মোরশেদ
মোদিবিরোধী আন্দোলনে বাজলো হাসিনাবিরোধী প্রতিবাদী গান
পাখি আমদানির আড়ালে শত কোটি টাকা পাচার
ওয়ান ব্যাংকে অভিজ্ঞতা ছাড়াই নিয়োগ
বিএনপি’র সাবেক এমপি সালাহউদ্দিন আহমেদ আর নেই
ইরানে অতিরিক্ত বাড়াবাড়ি করে ফেলেছি: ট্রাম্প
ড. ইউনূসকে হেনস্তার ঘটনায় জুলাই জার্নালিস্ট ইউনিটির নিন্দা ও প্রতিবাদ
টেস্টে লিটন দাসের বিশ্বরেকর্ড
চুয়েটে ২৪ ঘণ্টা ধরে অবরুদ্ধ উপাচার্যসহ ১১ জন
নিউইয়র্কে ইউনূসকে হেনস্তা, ব্যবস্থা নেবে সরকার: তথ্য উপদেষ্টা