নেতৃত্ব পরিবর্তন, তবুও হার এড়াতে পারেনি নোয়াখালী এক্সপ্রেস
নেতৃত্বে পরিবর্তন আনা হলেও হাসিমুখে মাঠ ছাড়তে পারেনি নোয়াখালী এক্সপ্রেস। সৈকত আলীর বদলে অধিনায়কত্ব নেওয়া হায়দার আলীর নেতৃত্বেও তাদের হতাশার শিকার হতে হয়েছে। প্রথমবার বিপিএলে সুযোগ পাওয়ার পরই হ্যাটট্রিক হারের স্বাদ পেয়েছে দলটি।
আজ নোয়াখালীর হতাশার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স।
রাজশাহী দলের অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তের নেতৃত্বে ১৩ বল হাতে রেখে ৬ উইকেটে জয় নিশ্চিত করেছে। ম্যাচের শুরু থেকেই রাজশাহী সহজ জয়ের ইঙ্গিত পেয়েছিল। নোয়াখালী প্রথমে ব্যাট করে মাত্র ১২৪ রানে থামে, যেখানে ম্যাচসেরা নির্বাচিত হয়েছেন রিপন মন্ডল।
রান তাড়া শুরুতে রাজশাহী কিছুটা ধাক্কা খায়। প্রথম ওভারের দ্বিতীয় বলেই শাহিবজাদা ফারহান (২) হাসান মাহমুদের বলে বোল্ড হন। এরপর তানজিদ হাসান তামিম ও শান্তের ৬৫ রানের জুটি দলকে জয়ের দিকে এগিয়ে দেয়। তবে ৭ রানের ব্যবধানে হুসাইন তালাত ও তানজিদ-শান্ত আউট হওয়ায় কিছুটা ধাক্কা খায় রাজশাহী। তানজিদ তামিম সর্বোচ্চ ২৯ রান করে অপরাজিত থাকেন ওপেনিংয়ে, অধিনায়ক শান্ত করেন ২৪ রান।
ধাক্কা সত্ত্বেও বড় বিপদে পড়তে দেয়নি মুশফিকুর রহিম ও ইয়াসির আলী। পঞ্চম উইকেটে তারা অবিচ্ছিন্ন ৫৩ রানের জুটি গড়ে রাজশাহীকে জয় নিশ্চিত করেন। মুশফিক ২৮ রান করলে ইয়াসির অপরাজিত ২৩ রানে থাকেন। নোয়াখালীর হয়ে সর্বোচ্চ ২ উইকেট নেন হাসান।
রাজশাহীর জয়ের অর্ধেক কাজ সেরেছেন বোলাররা, বিশেষ করে রিপন মন্ডল। ১৬তম ওভারে জোড়া উইকেট নেন তিনি। মোট ৪ উইকেট নিয়ে মাত্র ১৩ রান খরচ করেছেন ৪ ওভারে, তার মধ্যে একটি মেডেন ও ১৮টি ডট বল রয়েছে। প্রথম দুই ম্যাচে সুযোগ না পাওয়া রিপন আজ ম্যাচসেরা হন।
নোয়াখালীর হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন অধিনায়ক হায়দার, ৩৩ রান করে। সৈকত আজ মাঠে ছিলেন না। এই জয়ে ৩ ম্যাচে ৪ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষ অবস্থানে পৌঁছেছে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স।
সবার দেশ/এফএস




























