রেমিট্যান্স প্রবাহে স্বস্তি
দেশের রিজার্ভ বেড়ে ৩৫.৩৩ বিলিয়ন ডলার
দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে আবারও ইতিবাচক প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। ধারাবাহিক রেমিট্যান্স প্রবাহের কারণে দেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৫ দশমিক ৩৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে। বুধবার (৬ মে) এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান।
তবে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) নির্ধারিত বিপিএম-৬ (BPM-6) হিসাব পদ্ধতি অনুযায়ী বর্তমানে ব্যবহারযোগ্য বা প্রকৃত রিজার্ভের পরিমাণ ৩০ দশমিক ৬৭ বিলিয়ন ডলার।
বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, রিজার্ভ বৃদ্ধির পেছনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখছে প্রবাসী আয়। শুধু ৫ মে একদিনেই দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ১৬১ মিলিয়ন ডলার। আর মে মাসের প্রথম পাঁচ দিনে মোট প্রবাসী আয় এসেছে ৬১৬ মিলিয়ন ডলার, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ২৯ দশমিক ১ শতাংশ বেশি।
চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুলাই থেকে ৫ মে পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্স প্রবাহ দাঁড়িয়েছে ২৯ দশমিক ৯৫ বিলিয়ন ডলারে। গত অর্থবছরের একই সময়ে এ পরিমাণ ছিলো ২৫ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলার। সে হিসেবে এক বছরের ব্যবধানে রেমিট্যান্সে প্রবৃদ্ধি হয়েছে প্রায় ১৯ দশমিক ৭ শতাংশ।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত কয়েক মাস ধরেই রিজার্ভে ধীরে ধীরে উন্নতি দেখা যাচ্ছে। গত ৯ এপ্রিল বিপিএম-৬ অনুযায়ী রিজার্ভ ছিলো ২৯ দশমিক ৯৫ বিলিয়ন ডলার। পরে ১৫ এপ্রিল তা বেড়ে হয় ৩০ দশমিক ২০ বিলিয়ন ডলার এবং ১৬ এপ্রিল দাঁড়ায় ৩০ দশমিক ৩৬ বিলিয়ন ডলারে। সর্বশেষ ২৩ এপ্রিল রিজার্ভ ছিলো ৩০ দশমিক ৪৮ বিলিয়ন ডলার।
অন্যদিকে, বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব হিসাব অনুযায়ী মোট রিজার্ভও ধারাবাহিকভাবে বেড়েছে। ৯ এপ্রিল যেখানে মোট রিজার্ভ ছিলো ৩৪ দশমিক ৬৪ বিলিয়ন ডলার, সেখানে বর্তমানে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৫ দশমিক ৩৩ বিলিয়ন ডলারে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, আমদানি ব্যয় নিয়ন্ত্রণ, রফতানি আয় বৃদ্ধি এবং প্রবাসী আয়ের ধারাবাহিক প্রবাহ বজায় থাকলে আগামী মাসগুলোতেও রিজার্ভে ইতিবাচক ধারা অব্যাহত থাকতে পারে।
সবার দেশ/কেএম




























