Sobar Desh | সবার দেশ সবার দেশ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৯:৪০, ১ এপ্রিল ২০২৬

আপডেট: ১৯:৪২, ১ এপ্রিল ২০২৬

ই-সিগারেট নিষিদ্ধের ধারা বাদে উদ্বেগ, তরুণদের সুরক্ষায় আইন বহালের দাবি

ই-সিগারেট নিষিদ্ধের ধারা বাদে উদ্বেগ, তরুণদের সুরক্ষায় আইন বহালের দাবি
ফাইল ছবি

তরুণ প্রজন্মকে নিকোটিন আসক্তি থেকে রক্ষায় ই-সিগারেট নিষিদ্ধ এবং বিক্রয়স্থলে তামাকপণ্য প্রদর্শন বন্ধ রাখার বিধান বহাল রাখার আহ্বান জানিয়েছে দেশের তামাকবিরোধী সংগঠনগুলো। তামাক নিয়ন্ত্রণ (সংশোধন) অধ্যাদেশ ২০২৫ থেকে এসব গুরুত্বপূর্ণ ধারা বাদ দেয়ার সরকারি সিদ্ধান্তে তারা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

মঙ্গলবার (১ এপ্রিল) ঢাকায় দেয়া এক যৌথ বিবৃতিতে সংগঠনগুলো জানায়, তামাক নিয়ন্ত্রণ (সংশোধন) অধ্যাদেশ ২০২৫ থেকে ই-সিগারেট এবং বিক্রয়স্থলে (পয়েন্ট অব সেল) তামাকজাত দ্রব্য প্রদর্শন নিষিদ্ধের ধারা বাদ দেয়ার সরকারি সিদ্ধান্তে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে দেশের শীর্ষস্থানীয় তামাকবিরোধী সংগঠনগুলো। ই-সিগারেটসহ নতুন ধরনের তামাকজাত পণ্য জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, এসব পণ্য তরুণদের জন্য নিকোটিন আসক্তির প্রবেশদ্বার হিসেবে কাজ করে। একইভাবে, বিক্রয়স্থলে তামাকজাত দ্রব্যের দৃশ্যমান প্রদর্শন শিশু ও কিশোরদের এসব পণ্যের প্রতি আকৃষ্ট করে এবং ব্যবহার বাড়ায়।

সংগঠনগুলোর মতে, অধ্যাদেশ থেকে এ দুটি ধারা বাদ দিলে দেশে তামাক নিয়ন্ত্রণে যে অগ্রগতি হয়েছে, তা বাধাগ্রস্ত হবে। পাশাপাশি তামাক কোম্পানিগুলোর আগ্রাসী বিপণন কার্যক্রম আরও সহজ হয়ে উঠবে, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য দীর্ঘমেয়াদে ভয়াবহ ঝুঁকি তৈরি করবে।

এ বিষয়ে মন্তব্য করে সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ও বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ড. হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, জনস্বার্থে এ ধারা দুটি অবিলম্বে পুনর্বহাল করা জরুরি। তিনি জোর দিয়ে বলেন, তরুণদের সুরক্ষা এবং জনস্বাস্থ্যকে কোনোভাবেই মুনাফাকেন্দ্রিক স্বার্থের কাছে বিসর্জন দেয়া উচিত নয়।

বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশে তামাক ব্যবহারের কারণে প্রতিবছর প্রায় ২ লাখ মানুষ মারা যায়। তামাক ব্যবহার ও উৎপাদনের ফলে স্বাস্থ্য ও পরিবেশের যে ক্ষতি হয়, তার আর্থিক পরিমাণ প্রায় ৮৭ হাজার কোটি টাকা, যা তামাক খাত থেকে অর্জিত রাজস্বের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি। বর্তমানে দেশে প্রায় ৩৫.৩ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ তামাক ব্যবহার করছেন।

এ প্রেক্ষাপটে শক্তিশালী তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন কার্যকর না হলে জনস্বাস্থ্য এবং অর্থনীতির ওপর এর নেতিবাচক প্রভাব আরও বাড়বে বলে সতর্ক করেছে সংগঠনগুলো।

বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারী সংগঠনগুলোর মধ্যে রয়েছে অ্যান্টি টোব্যাকো মিডিয়া অ্যালায়েন্স (আত্মা), ঢাকা আহছানিয়া মিশন, ডরপ, নারী মৈত্রী, ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন, পিপিআরসি, তাবিনাজ এবং প্রজ্ঞা।

সবার দেশ/কেএম

শীর্ষ সংবাদ:

নির্বাচনের আগে আসামে মুসলিম প্রতিনিধিত্ব কমানোর ষড়যন্ত্র বিজেপির
টেইলর সুইফটের বিরুদ্ধে মামলা
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় মার্কিন ঘাঁটি তছনছ
দেশের রেমিট্যান্সে নতুন ইতিহাস
বিএনপি এমপির দুই ছেলেসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা
মার্কিন সেনাদের সঙ্গে রক্তের সমুদ্রে লড়াইয়ের প্রস্তুতি ইরানের
ট্রাইব্যুনালের সিসিটিভি ফুটেজ গায়েবের অভিযোগ
হবিগঞ্জে তেলবাহী ট্রেনের ৫ বগি লাইনচ্যুত
যশোরের তেলের তীব্র সংকট, ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষায়ও মিলছে না জ্বালানি
বীরগঞ্জে মাদক সেবনের দায়ে যুবকের ৬ মাসের কারাদণ্ড
ভালোবাসার টানে ট্রাকে সীমান্ত পেরিয়ে বেনাপোলে ভারতীয় দম্পতি
ই-সিগারেট নিষিদ্ধের ধারা বাদে উদ্বেগ, তরুণদের সুরক্ষায় আইন বহালের দাবি
বাংলাদেশের বিবৃতিতে কষ্ট পেয়েছি: ইরানি রাষ্ট্রদূত
গণভোটের রায় অবমূল্যায়নের অভিযোগে বিরোধীদলের ওয়াকআউট
৫ এপ্রিল থেকে দেয়া হবে হামের টিকা