১০ ঘণ্টা কর্মবিরতির পর রংপুরে তেল সরবরাহ স্বাভাবিক
নীলফামারীতে ট্যাংকলরির ম্যানেজার ও দুই শ্রমিকের গ্রেফতারের প্রতিবাদে রংপুর বিভাগীয় শ্রমিক ইউনিয়ন যে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি ডেকেছিলো, তা ১০ ঘণ্টা পর প্রত্যাহার করা হয়েছে। ফলে রংপুর বিভাগের ৮ জেলায় শনিবার রাত ৮টার পর থেকে জ্বালানি তেল সরবরাহ পুনরায় শুরু হয়েছে।
উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ ও শ্রমিক নেতাদের সমন্বয়ে আয়োজিত সমঝোতা বৈঠকে শ্রমিকদের জামিনে মুক্তি দেয়ার শর্তে আন্দোলনের কর্মসূচি স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। শ্রমিক সংগঠনের সভাপতি আতাউর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
রোববার (২৯ মার্চ) সকাল থেকে পার্বতীপুর রেল হেড ডিপোতে তেল উত্তোলন বন্ধ করে দেয় শ্রমিক ইউনিয়ন। এতে রংপুর বিভাগের বিভিন্ন জেলায় জ্বালানি তেলের সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। এ সময় ডিপো গেটে অসংখ্য লরি মালিক, ম্যানেজার ও ইউনিয়ন শ্রমিক অংশ নিয়ে বিক্ষোভ মিছিলও করেন।
গ্রেফতারের পেছনের ঘটনা সম্পর্কে জানা যায়, শনিবার পার্বতীপুর রেল হেড ডিপোর যমুনা কোম্পানির ম্যানেজার একরামুল হক তেল নিয়ে নীলফামারী জেলা রোডে পৌঁছালে লরিতে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়। লরিটি আটকে গেলে জেলা প্রশাসক নিয়াজ ভুঁইয়া তেল চুরির অভিযোগে ম্যানেজার একরামুল হক, চালক শ্রীকৃষ্ণ ও হেলপার রিফাতকে গ্রেফতার করেন। পরে তাদের ৬ মাসের কারাদণ্ড ও লাখ টাকা জরিমানা প্রদান করা হয়।
তবে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ভিন্ন দাবি করা হয়েছে। তাদের মতে, শহরের মশিউর রহমান ডিগ্রি কলেজ সড়কের সামনে একটি তেলবাহী লরি থেকে অবৈধভাবে তেল বোতলজাত করার সময় ওই তিনজনকে আটক করা হয়। অভিযোগ করা হয়, তারা লরি থেকে তেল চুরি করে সংরক্ষণের চেষ্টা করছিলেন।
সবার দেশ/কেএম




























