বার্সেলোনা থেকে গাজার পথে ‘সর্ববৃহৎ’ গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা
ইসরায়েলি অবরোধ ভেঙে গাজায় মানবিক সহায়তা পৌঁছে দিতে আবারও যাত্রা শুরু করেছে গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা। আয়োজকদের দাবি, এবার এটি আগের সব উদ্যোগের তুলনায় সবচেয়ে বড় বহর। রোববার স্পেনের বার্সেলোনা উপকূল থেকে বহরটি যাত্রা শুরু করে।
ফ্লোটিলার আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, এ মিশনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে ৮০টির বেশি নৌযান এবং এক হাজারেরও বেশি স্বেচ্ছাসেবী অংশ নিয়েছেন। তাদের লক্ষ্য, গাজায় চলমান মানবিক সংকটের প্রতি আন্তর্জাতিক মনোযোগ আকর্ষণ করা এবং অবরুদ্ধ ফিলিস্তিনিদের কাছে জরুরি সহায়তা পৌঁছে দেয়া।
বহরে খাদ্য, ওষুধ, স্কুলব্যাগ, শিশুদের শিক্ষা উপকরণসহ নানা ত্রাণসামগ্রী নেয়া হয়েছে। আয়োজকদের ভাষ্য, এটি শুধু প্রতীকী প্রতিবাদ নয়—বরং আন্তর্জাতিকভাবে সমন্বিত মানবাধিকার উদ্যোগের অংশ, যার মধ্যে রয়েছে আইনি পদক্ষেপ, সংহতি কর্মসূচি এবং বিশ্বব্যাপী জনমত গঠন।
ফ্লোটিলার মুখপাত্র পাবলো কাস্টিলা বলেন, এ উদ্যোগের উদ্দেশ্য গাজায় ইসরায়েলের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক জবাবদিহিতা দাবি করা এবং সমুদ্র ও স্থলপথে মানবিক করিডোর খুলে দেয়ার আহ্বান জানানো।
আয়োজকরা জানিয়েছেন, পুরো অভিযান আন্তর্জাতিক আইনের আওতায় পরিচালিত হচ্ছে। এতে বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন, সামুদ্রিক বিশেষজ্ঞ, আইনবিদ এবং ফিলিস্তিনি সিভিল সোসাইটির প্রতিনিধিরা যুক্ত রয়েছেন। আন্তর্জাতিক সহায়তাকারী সংস্থাগুলোর মধ্যে ‘গ্রিন পিস’ ও ‘ওপেন আর্মস’-এর অংশগ্রহণও রয়েছে।
এর আগে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে একই উদ্যোগে ৪২টি নৌযান অংশ নেয়। সে সময় আন্তর্জাতিক জলসীমায় বহরটিকে বাধা দেয় ইসরায়েলি বাহিনী এবং শতাধিক কর্মীকে আটক করে পরে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়।
২০০৭ সাল থেকে গাজা অবরুদ্ধ অবস্থায় রয়েছে। চলমান সংঘাতে গাজার হাসপাতাল, অবকাঠামো ও জনজীবন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মানবাধিকার সংস্থাগুলোর মতে, সেখানে লাখো মানুষ খাদ্য, চিকিৎসা ও আশ্রয় সংকটে ভুগছেন।
সবার দেশ/কেএম




























