দিনে ভ্রমণ, রাতের আয়োজন সীমিত
সেন্টমার্টিন ভ্রমণে নতুন নির্দেশনা
সেন্টমার্টিন দ্বীপের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের জন্য সরকার নতুন নির্দেশনা জারি করেছে। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের পরিবেশ-২ শাখা বুধবার (২৩ অক্টোবর) ১২টি নির্দেশনা সংবলিত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।
নির্দেশনার মূল বিষয়গুলো:
নৌযান চলাচল নিয়ন্ত্রণ: বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ছাড়া দ্বীপে কোনো নৌযান চলাচল করতে পারবে না।
- পর্যটক প্রবেশ ব্যবস্থা: পর্যটকরা বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের স্বীকৃত ওয়েব পোর্টালের মাধ্যমে অনলাইনে টিকিট ক্রয় করবেন, যেখানে প্রতিটি টিকিটে ট্রাভেল পাস ও কিউআর কোড থাকা বাধ্যতামূলক। কিউআর কোড ছাড়া টিকিট নকল হিসেবে গণ্য হবে।
- ভ্রমণ সময়সূচি: নভেম্বর মাসে দিনে ভ্রমণ সীমিত থাকবে, রাতের ভ্রমণ নিষিদ্ধ। ডিসেম্বর ও জানুয়ারিতে রাত্রিযাপন অনুমোদিত, ফেব্রুয়ারিতে দ্বীপে পর্যটক যাতায়াত সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে। প্রতিদিন সর্বোচ্চ দুই হাজার পর্যটকই দ্বীপে প্রবেশ করতে পারবে।
- পরিবেশ রক্ষায় বিধিনিষেধ: সৈকতে আলো জ্বালানো, শব্দ সৃষ্টি, বারবিকিউ পার্টি, কেয়া বনে প্রবেশ, কেয়া ফল সংগ্রহ বা বিক্রয়, সামুদ্রিক কাছিম, পাখি, প্রবাল, রাজকাঁকড়া, শামুক-ঝিনুকসহ জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ।
- যানবাহন ও প্লাস্টিক নিয়ন্ত্রণ: মোটরসাইকেল, সি-বাইকসহ মোটরচালিত যানবাহন নিষিদ্ধ। নিষিদ্ধ পলিথিন বহন, একবার ব্যবহার্য প্লাস্টিক যেমন চিপসের প্যাকেট, প্লাস্টিক চামচ, স্ট্র, সাবান ও ছোট প্লাস্টিক বোতল সঙ্গে নেয়া নিরুৎসাহিত করা হয়েছে। পর্যটকদের নিজস্ব পানির ফ্লাস্ক সঙ্গে রাখার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন <<>> ১ নভেম্বর থেকে খুলছে সেন্টমার্টিন: পরিবেশ উপদেষ্টা
পরিবেশ মন্ত্রণালয় আশা করছে, এ নির্দেশনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে সেন্টমার্টিন দ্বীপের সংবেদনশীল প্রাকৃতিক পরিবেশ ও অনন্য জীববৈচিত্র্য সংরক্ষিত থাকবে এবং দ্বীপটি পরিবেশবান্ধব পর্যটনের উৎকৃষ্ট উদাহরণ হয়ে উঠবে।
সবার দেশ/কেএম




























