স্বেচ্ছায় রক্তদান কার্যক্রম অবদানে সম্মাননা পেল কোয়ান্টাম
দেশে স্বেচ্ছায় রক্তদান কার্যক্রমে বিশেষ অবদানের জন্য কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনকে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে। রোববার (২ নভেম্বর) রাজধানীর বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের লেকচার হলে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আয়োজন করা জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস ২০২৫–এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনকে এ সম্মাননা দেয়া হয়।
প্রধান অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. সায়েদুর রহমান। প্রধান অতিথির হাতে কোয়ান্টামের পক্ষে সম্মাননা স্নারক গ্রহণ করেন কো-অর্ডিনেটর রাবিয়া নাজরীন।
অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য সেবা খাতের অন্যান্য সংস্থা ও সংগঠনও সম্মাননা পেয়েছে। এতে উপস্থিত ছিলেন সন্ধানী, বাঁধন, রেড ক্রিসেন্ট, বাংলাদেশ পুলিশ হাসপাতাল, রোটারি ক্লাব এবং সন্ধানী জাতীয় চক্ষুদান সমিতি। এছাড়া কোয়ান্টামের নিয়মিত রক্তদাতা মুস্তফা আশরাফ সিদ্দিকী ও সৈয়দা রাবেয়া বসরী সর্বোচ্চ দাতা হিসেবে বিশেষ সম্মাননা লাভ করেন।
‘রক্তদানে হয় না ক্ষতি, চোখ ছুঁয়ে যাক চোখের জ্যোতি’ প্রতিপাদ্য নিয়ে অনুষ্ঠানটির সহযোগিতায় ছিলো সন্ধানী কেন্দ্রীয় পরিষদ ও সন্ধানী জাতীয় চক্ষুদান সমিতি।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব ডা. মো. সায়েদুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ শাহিনুল আলম, স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. আবু জাফর, স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাজমুল হোসেন। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন সন্ধানী জাতীয় চক্ষুদান সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ডা. মো. ফজলুল হক কাশেম, মহাসচিব ডা. মো. মনির হোসেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাবৃন্দ, চিকিৎসক, সন্ধানীর কর্মকর্তা ও কর্মী এবং সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
এর আগে সকালে জাতীয় শহীদ মিনার থেকে শাহবাগ পর্যন্ত সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল চত্বর পর্যন্ত একটি বর্ণাঢ্য র্যালি অনুষ্ঠিত হয়, যা জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবসের অংশ ছিলো।
সবার দেশ/কেএম




























