পুকুর ভরাট নিয়ে নিরব ভূমিকায় কুমিল্লার প্রশাসন
কুমিল্লা নগরীর শতবর্ষ পুরাতন পুকুর ভরাট করে বাড়ি নির্মাণের জন্য প্রস্তুতি চলছে কিন্তু উক্ত বিষয় কুমিল্লা প্রশাসনের নিরব ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ করছে সাধারণ জনমনে। কুমিল্লা নগরীর সংরাইশ ১৬নং ওয়ার্ড এর সাহেব বাড়ির পাশে হলিচাইল্ড স্কুলের সামনে রাস্তার পাশের শতবর্ষ পুরাতন একটি পুকুর বেচাকেনা করে পুকুরটি ভরাট এর কাজ করছেন স্থানী একটি কুচক্র মহল।
সরজমিনে অনুসন্ধানে জানা যায় যে এ পুকুরটি দখল করে বিক্রি করার জন্য প্রায় ২০১৮ সাল থেকেই একাধিক চক্র সঙ্ঘবদ্ধ ভাবে কাজ করছেন। এ পুকুরটি একাধিক ব্যক্তির কাছে বিক্রি হলে পুকুরটি ভরাট করার সময় সাবেক মেয়র মনিরুল হক সাক্কু বাধা প্রধান করে, সরজমিন প্রশাসন নিয়ে এসে পুকুরটি সংস্কারের ঘোষণা করে যায়। কিন্তু বাজেট এর কারনে পুকুরটি সংস্কার করতে পারেনি এর আগেই মেয়র সাক্কুর মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার কারনে।
পরবর্তীতে আরও একাধিক হাতবদল হয়ে এ পুকুরটি কেনা বেচার। এ পুকুর কেনা-বেচাকে কেন্দ্র করে আওয়ামিলীগ এর দোসর সাবেক এমপি আ ক ম বাহাউদ্দীন বাহারের মেয়ে সাবেক মেয়র তাহসিন বাহার সূচনার নির্বাচনে প্রায় ৭ লক্ষ টাকা খরচ বাবদ ডোনেশন দেয়া হয়। যাতে এমপি বাহার পুকুরটি ভরাটের সময় প্রশাসনকে টেকেল দেয় সে আশ্বাস দিয়েই ডোনেশন নিয়েছিলেন এমপি বাহার। এমপি বাহারের মেয়ে তাহসিন বাহার সূচি ক্ষমতায় এসে সময় পায়নি। ইতোমধ্যে পুকুরের জমি কেনার মালিকেরা হাত বদল করেন। এমপি বাহার ও তার মেয়ে মেয়র সূচি ২৪ এর আন্দোলনের পরে পালানোর পর এখন আবার একটি মহল পুকুরটি বিক্রি করে ভরাট করছেন এতে প্রশাসনে নিরব ভূমিকা পালনের অভিযোগ করছেন এলাকাবাসী ও স্থানীয় সাংবাদিকরা। স্থানীয় সাংবাদিকরা জানান শতবর্ষের পুরাতন পুকুরটি প্রথমে ভরাট করা শুরু করলে উক্ত পুকুরে অভিযান পরিচালনা করেন কুমিল্লা সদর ইউএনও কাজ বন্ধ করে দিলেও সাত দিনের ব্যবধানে এখনও আবার গভীর রাতে ভরাট এর কার্যক্রম চালাচ্ছেন ১/২ দিন গেপ দিয়ে দিয়ে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ বাহার ক্ষমতায় থাকাকালে সংরাইশ ১৬ নং ওয়ার্ড এর শতবর্ষ পুরাতন তিনটি পুকুর ভরাট করে বাড়ি নির্মাণ করা হয়েছে আওয়ামিলীগ এর দোসররা। এতেও কুমিল্লার প্রশাসন মোটা অংকের টাকা খেয়ে নিরব ভূমিকা পালন করেছেন। এখনও কুমিল্লার জেলা প্রশাসন একই ভূমিকা পালন করছেন বলে অভিযোাগ স্থানীয়দের। ফোন করলেও তিনি ফোন উঠান না একি অভিযোগ স্থানীয় সাংবাদিকদের। সরজমিনে অসুসন্ধানে জানা যায় যে পুকুরটি ভরাটের সময় ইউএনও নাটকীয় অভিযান দিয়ে ভরাটের কার্যক্রম বন্ধ করলেও পুকুরে ফেলা মাটি গুলি অপসারণ করেনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায় মাটি ফেলানো টেন্ডার নেয়া ব্যক্তিদের স্থানীয় সাংবাদিকেরা জানালেও ইউএনও কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি।
কুমিল্লার লাটসাহেব জেলা প্রশাসক মো. আমিরুল কায়ছার তাকে তো ফোনে পাওয়াই যায় না বলে অভিযোগ কুমিল্লার অধিকাংশ সাংবাদিকদের। ডিসির বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে সে নিজেই একটি মিডিয়া সেইল গ্রুপ তৈরি করে কিছু সাংবাদিকদেরকে তার পক্ষে নিয়ে বাকি সাংবাদিকদেরকে বাঘ দেখিয়ে বিড়াল শিকার করার মতোন কর্মকাণ্ড করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। বার বার বিতর্কিত হলেও তার বিরুদ্ধে কোন পদক্ষেপ নিচ্ছেন সংশ্লিষ্ট প্রশাসন। এর আগেও সাংবাদিকের ছেলেকে আটক করে সাংবাদিককে ডেকে নিয়ে অপমান অপদস্থের ঘটনার বিতর্কিত হলেও কুমিল্লাতেই বহাল রয়েছেন এ লাট সাহেব।
গতকাল উক্ত পুকুরটি চতুর্থ দফায় ভরাটের জন্য কুচক্র মহল চেষ্টা করলে স্থানীয় এলাকাবাসী বাধা প্রধান করেন পরে দুপক্ষে সংঘর্ষ সৃষ্টি হলে একজন আহত হয়েছেন বলে জানা যায়। উক্ত সংঘর্ষের দায়ভার কেন কুমিল্লার ডিসি, ইউএনও, এসিল্যান্ড নেবে না? তাদেরকে তিন দিনে শতাধিক কল দিয়েও পাওয়া যায়নি। গতকাল রাতে আনুমানিক ১২টায় চানপুরের লেক ভিউর সামনে একটি সরকারি খাস জমি ভরাট করার কথা সংবাদ পেয়ে আমরা ছুটে যাই কিন্তু যারা ভরাট করছিলেন তারা সাংবাদিকদেরকে জানালেন ডিসির সাথে লেনদেন করে ভরাট এর কাজ শুরু করেছেন, প্রশাসনকে কল দিলে কল উঠাবেনা বলে জানালে যাচাই-বাছাই করতে ফোন করে দেখা যায় কেহ কল উঠায়নি রাতে ডিসি, ইউএনও ও এসিল্যান্ড মহোদয়গণ। সংরাইশ ১৬নং ওয়ার্ড এর পুকুর নিয়ে কোন হত্যা কিংবা সংঘর্ষ হলে কোন ভাবেই দায় এড়ানোর সুযোগ নেই কুমিল্লা প্রশাসনের।
সবার দেশ/এফএস




























