শেয়ার জালিয়াতি মামলা
ট্রান্সকম গ্রুপের সিমিনসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা
ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহর আদালত ট্রান্সকম গ্রুপের সিইও সিমিন রহমানসহ তিনজনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন। অভিযোগ, ভুয়া স্বাক্ষর ও স্ট্যাম্প ব্যবহার করে ট্রান্সকমের ১৪ হাজার ১৬০টি শেয়ার আত্মসাতের চেষ্টা করা হয়েছে।
গ্রেফতারি পরোয়ানা প্রাপ্তরা হলেন সিমিন রহমান, লতিফুর রহমানের স্ত্রী শাহনাজ রহমান এবং ট্রান্সকমের পরিচালক সামসুজ্জামান পাটোয়ারী। আদালতে উপস্থিত অপর তিন আসামি—মো. কামরুল হাসান, মো. মোসাদ্দেক ও আবু ইউসুফ মো. সিদ্দিক—স্থায়ী জামিন প্রাপ্ত হয়েছেন। সিমিন রহমানসহ তিনজন উপস্থিত না হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ২ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করা হয়েছে।
চার্জশিটে বলা হয়েছে, ২০২০ সালের ১৩ জুন ঢাকায় অনুষ্ঠিত বোর্ড মিটিংয়ে লতিফুর রহমানের শেয়ার তার বড় মেয়ে সিমিন রহমান, ছেলে আরশাদ ওয়ালিউর রহমান ও ছোট মেয়ে শাযরেহ হকের নামে হস্তান্তরের নথি তৈরি করা হলেও মিটিংটি প্রকৃতপক্ষে অনুষ্ঠিত হয়নি। শেয়ার হস্তান্তরের সময় দাতা ও গ্রহীতা উভয় পক্ষ আরজেএসসিতে উপস্থিত ছিলেন না এবং প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ ভুয়া ডকুমেন্টের মাধ্যমে করা হয়েছে।
তদন্তে উঠে এসেছে, সিমিন রহমান দুটি ভুয়া স্ট্যাম্প ব্যবহার করে শেয়ার হস্তান্তরের দলিল তৈরি করেছেন এবং এগুলো আরজেএসসিতে দাখিল করা হয়। ভুয়া স্ট্যাম্প সরবরাহকারী লাইসেন্সও ২০২০ সালে বাতিল হয়ে গেছে। এর আগে, ২০২৪ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি লতিফুর রহমানের কন্যা শাযরেহ হক গুলশান থানায় মামলা করেন।
বাদীপক্ষের আইনজীবী মনির হোসেন জানিয়েছেন, সিমিন রহমানসহ তিনজন এখন ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি এবং পুলিশ যে কোনও সময় তাদের গ্রেফতার করতে পারবে।
সবার দেশ/কেএম




























