ধর্মীয় নেতা ওমর ফারুক গৃহবন্দি
ভারতের শ্রীনগরে ঈদগাহ ও জামেয়া মসজিদে ঈদের নামাজে নিষেধাজ্ঞা
টানা সাত বছর ধরে ভারতের শ্রীনগরের ঐতিহাসিক ঈদগাহ মাঠ ও পুরনো শহরের জামেয়া মসজিদে ঈদের নামাজ পড়তে পারছেন না মুসল্লিরা। এবারও তার ব্যতিক্রম হলো না।
শনিবার (৭ জুন) জম্মু ও কাশ্মীর প্রশাসন ঈদের নামাজের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে মসজিদের দরজা বন্ধ করে দেয় এবং বাইরে মোতায়েন করে পুলিশ। একই সঙ্গে কাশ্মীরের শীর্ষ ধর্মীয় নেতা মিরওয়াইজ ওমর ফারুককে গৃহবন্দি করা হয়েছে। খবর হিন্দুস্তান টাইমসের।
শনিবার সকালে মসজিদ কর্তৃপক্ষ এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, আমাদের দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য অনুযায়ী প্রতিবছর আমরা জামেয়া মসজিদে ঈদের নামাজ আদায় করতাম। কিন্তু এবারও প্রশাসন সেখানে নামাজের অনুমতি দেয়নি। মসজিদের দরজা বন্ধ করে বাইরে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এমনকি আজ সকালে ফজরের নামাজ পড়ারও অনুমতি মেলেনি।
ধর্মীয় নেতা মিরওয়াইজ ওমর ফারুক এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, ঈদ মোবারক। কিন্তু কাশ্মীর আবারও কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি। ঈদগাহ মাঠে নামাজ আদায়ের অনুমতি নেই। সাত বছর ধরে জামেয়া মসজিদ বন্ধ। আমাকেও গৃহবন্দি করে রাখা হয়েছে।
সরকারের এ পদক্ষেপের সমালোচনা করেছেন জম্মু ও কাশ্মীরের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা। সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন, সকলকে ঈদ মোবারক জানাই। আশা করি শান্তি ও ভ্রাতৃত্ববোধ আরও দৃঢ় হবে। তবে দুঃখজনক খবর পেলাম, এবারও জামেয়া মসজিদে ঈদের নামাজ পড়ার অনুমতি দেয়া হয়নি। কেনো এমন সিদ্ধান্ত, বুঝতে পারছি না। আমাদের মানুষের ওপর আস্থা রাখতে হবে। তারাই তো ২২ এপ্রিলের জঙ্গি হামলার ঘটনার বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলো।
সবার দেশ/কেএম




























