নেপালে ফের উত্তেজনা: বিক্ষোভে তরুণ প্রজন্ম, কারফিউ জারি
নেপালে রাজনৈতিক অস্থিরতা আবারও চরমে উঠেছে। সিপিএন–ইউএমএল কর্মীদের সঙ্গে আগের দিনের সংঘর্ষের পর বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) জেন–জি তরুণ প্রজন্ম পুনরায় রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ শুরু করলে সিমরা এলাকায় নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
সকাল ১১টার পর থেকে সিমরা চৌকসহ বিভিন্ন সড়কে তরুণদের জমায়েত বাড়তে থাকলে পুলিশ বলপ্রয়োগ করে তাদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা চালায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না এলে প্রশাসন কারফিউ জারি করতে বাধ্য হয়।
সহকারী প্রধান জেলা কর্মকর্তা ছাবিরামান সুবেদী জানান, বেলা পৌনে ১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত সিমরায় কারফিউ বলবৎ রয়েছে। কাঠমান্ডু পোস্ট জানায়, সংঘর্ষে অভিযুক্তদের আটক করতে ব্যর্থ হওয়ায় তরুণদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ে এবং সেটিই নতুন করে আন্দোলনের বিস্তার ঘটায়। তবে পরে জিতপুর–সিমরা উপমহানগরীর ২ নম্বর ওয়ার্ডের চেয়ারম্যান ধন বাহাদুর শ্রেষ্ঠ এবং ৬ নম্বর ওয়ার্ডের চেয়ারম্যান কাইমুদ্দিন আনসারিকে গ্রেফতার করা হয়।
বুধবারের সংঘর্ষে ছয় তরুণ আহত হন। ইউএমএল কর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা হলেও সবাইকে গ্রেফতার না করায় বিক্ষোভ ফের শুরু হয়েছে বলে জানান তরুণ জেলা সমন্বয়ক সম্রাট উপাধ্যায়। আগের দিন সিমরা বিমানবন্দরের কাছে সংঘর্ষ বেড়ে গেলে পুলিশ টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করে। এতে বিমানবন্দরের কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত রাখতে হয়।
ইউএমএল কয়েক দিন ধরেই পারওয়ানিপুরে ‘যুব জাগরণ অভিযান’ আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছিলো। দলটির সাধারণ সম্পাদক শঙ্কর পোখরেল ও পলিটব্যুরো সদস্য মহেশ বসনেতের বৃহস্পতিবার সকালে সমাবেশে যোগ দেয়ার কথা ছিলো।
এর আগের দিন রাতেই সম্রাট উপাধ্যায় ফেসবুকে তরুণদের সিমরার বিক্ষোভে যোগ দিতে আহ্বান জানান এবং তৎকালীন সরকারকে ‘খুনি সরকার’ বলে আখ্যা দেন। তার পোস্টটি ব্যাপক আলোড়ন তোলে এবং স্থানীয় নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর উদ্বেগ বাড়িয়ে দেয়।
সবার দেশ/এফও




























