ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী আজ
সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা, খ্যাতনামা আইনজীবী ও দৈনিক ইত্তেফাকের প্রতিষ্ঠাতা তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়ার জ্যেষ্ঠ পুত্র ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী আজ।
গত বছরের এ দিনে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিলো ৮৩ বছর।
ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন ছিলেন সদালাপি, বিনয়ী ও সৎমনা একজন প্রজ্ঞাবান মানুষ। তার মৃত্যুতে আইন, সাংবাদিকতা ও রাজনীতির অঙ্গনে নেমে এসেছিলো শোকের ছায়া। আজিমপুর কবরস্থানে মা মাজেদা বেগম ও পিতা মানিক মিয়ার কবরের পাশে তাকে দাফন করা হয়।
আইনের শাসন, মানবাধিকার ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় তিনি ছিলেন নিরলস যোদ্ধা। অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে সরব ও আপসহীন এ ব্যক্তিত্ব গণতন্ত্রের সংকটে ছিলেন বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর। এ কারণেই তাকে কারাবরণ করতে হয়, কিন্তু নীতির প্রশ্নে কখনোই আপস করেননি।
স্বাধীনতা-উত্তরকালে ১৯৭৩ সালে তিনি পিরোজপুর থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৭৫ সালে একদলীয় শাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদস্বরূপ সংসদ থেকে পদত্যাগ করেন। ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে তথ্য, আইন ও বিচার মন্ত্রণালয়সহ একাধিক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেন।
আরও পড়ুন <<>> তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়ার মৃত্যুবার্ষিকী আজ
আইনজীবী পরিচয়কেই তিনি বেশি গুরুত্বপূর্ণ মনে করতেন। ছিলেন সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচিত সভাপতি (২০০০–০১), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট-সিন্ডিকেট সদস্য এবং সংবাদপত্র পরিষদের সভাপতি। সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ও বিচার বিভাগ পৃথকীকরণে তার ভূমিকা ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
কর্মসূচি:
আজ সকাল থেকে বারিধারায় তার বাসভবনে কুরআনখানি অনুষ্ঠিত হবে। সকাল সাড়ে ১০টায় আজিমপুর কবরস্থানে তার কবর জিয়ারত করবেন স্বজন-পরিবার। বাদ আসর কাওরান বাজারের ইত্তেফাক কার্যালয় ও আর কে মিশন রোডের ইত্তেফাক ভবনে দোয়া মাহফিলের আয়োজন রয়েছে। আগামী ১৩ ডিসেম্বর বিকাল সাড়ে ৫টায় গুলশান ক্লাব অডিটোরিয়ামে স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হবে।
সবার দেশ/কেএম




























