Sobar Desh | সবার দেশ সবার দেশ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১১:৩৪, ৫ জুন ২০২৫

ব্যক্তিগতভাবে টাকা নয়, প্রাতিষ্ঠানিকভাবে অনুদান দিন: এনসিপির আহ্ব

ব্যক্তিগতভাবে টাকা নয়, প্রাতিষ্ঠানিকভাবে অনুদান দিন: এনসিপির আহ্ব
ছবি: সংগৃহীত

রাজনীতিতে আর্থিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সংস্কৃতি গড়ার প্রত্যয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) নতুন অর্থনীতি ও তহবিল ব্যবস্থাপনার নীতিমালা ঘোষণা করেছে। দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ব্যক্তিগতভাবে কারো হাতে টাকা না দিয়ে শুধু ব্যাংকিং চ্যানেল, মোবাইল ব্যাংকিং বা রসিদ গ্রহণের মাধ্যমে দলের ফান্ডে অনুদান প্রদান করা যাবে।

রাজধানীর বাংলামোটরে এনসিপির অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বুধবার (৪ জুন) সন্ধ্যায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেয়া হয়। সেখানে দলের আর্থিক নীতিমালার সারাংশ উপস্থাপন করেন এনসিপির যুগ্ম সদস্যসচিব ও কোষাধ্যক্ষ এস এম সাইফ মোস্তাফিজ।

তিনি জানান, কোনো কালো টাকা, সন্দেহজনক উৎস, বিদেশি রাষ্ট্র কিংবা অপরাধ সংশ্লিষ্ট উৎস থেকে অর্থ গ্রহণ পুরোপুরি নিষিদ্ধ। দলের ফাইন্যান্স টিম এবং নির্ধারিত অ্যাকাউন্ট নম্বর ছাড়া অন্য কোথাও টাকা পাঠানো হলে সেটিকে জালিয়াতি হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

‘জুলাই আন্দোলন’ থেকে শুরু, এখন প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো

সংবাদ সম্মেলনে দলের আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম বলেন, জুলাই আন্দোলন ছিলো একটি স্বতঃস্ফূর্ত গণচাঁদাভিত্তিক রাজনৈতিক উদ্যোগ। আমরা সে অভিজ্ঞতা থেকে শিখে এখন প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোতে ঢুকতে চাই।

তিনি বলেন, ট্র্যাডিশনাল গণচাঁদা থাকবে, তবে এখন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মেও আমরা দেশ-বিদেশ থেকে সাপোর্ট নিতে চাই। অনলাইন মাধ্যমে সবার কাছে এটি উন্মুক্ত থাকবে, যেন কেউ কাউকে ব্যক্তিগতভাবে টাকা না দেন।

এ সময় নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করেন, কিছু ক্ষেত্রে এনসিপির নাম ব্যবহার করে কেউ কেউ অনৈতিক সুবিধা নেয়ার চেষ্টা করছেন। কেউ যদি আমাদের ছাত্রদের বা দলের নাম ব্যবহার করে অর্থ আদায়ের চেষ্টা করেন, তাদের বিরুদ্ধে আমরা সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেবো।

‘রাজনৈতিক স্বচ্ছতা নিয়ে আসতেই হবে’—দাবি এনসিপির

নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে পেশিশক্তি, টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি এসব অর্থের অপব্যবহার থেকেই উৎসাহ পায়। আর রাজনৈতিক দলগুলোর অর্থ কোথা থেকে আসে, তা সাধারণ মানুষ জানে না। আমাদের উচিত রাজনৈতিক দলগুলোকে বাধ্য করা, যেনো তারা তাদের আয় ও ব্যয়ের হিসাব প্রকাশ করে। নির্বাচন কমিশনেরও এ বিষয়ে কঠোর হওয়া দরকার।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন, দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন, তাসনিম জারা, নাহিদা সারোয়ার নিভা, সারজিস আলম প্রমুখ।

যেখানে দেশের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো অনুদান, তহবিল কিংবা নির্বাচনি ব্যয়ের বিষয়ে জনসমক্ষে কোনো স্বচ্ছতা দেখাতে ব্যর্থ, সেখানে এনসিপির এমন পদক্ষেপ একটি ব্যতিক্রমী উদাহরণ হতে পারে। তবে বাস্তবায়নের নির্ভরযোগ্যতা এবং দীর্ঘমেয়াদি দায়বদ্ধতাই প্রমাণ করবে এটি সত্যিই আদর্শিক প্রয়াস, নাকি নতুন রাজনৈতিক ব্র্যান্ডিংয়ের অংশ।

সবার দেশ/কেএম

শীর্ষ সংবাদ:

পাঁচ অস্ত্রসহ গ্রেফতার লিটন গাজী সম্পর্কে সব জানালো পুলিশ সুপার
আনসার ভিডিপি ব্যাংকের ৯ কোটি টাকা আত্মসাৎ, ব্যবস্থাপক গ্রেফতার
লালমনিরহাটে স্বামী হত্যা মামলায় স্ত্রী ও পরকীয়া প্রেমিকের যাবজ্জীবন
ভোলাহাটে বাসের চাকায় পিষ্ট হয়ে কলেজ শিক্ষকের মৃত্যু
সৌদি আরবে প্রবাসী বাংলাদেশিরা দালাল চক্রের খপ্পরে
বাংলাদেশ সীমান্তে পঁচছে ৩০ হাজার টন ভারতীয় পেঁয়াজ
সুদের টাকার জন্য নোয়াখালীতে ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে হত্যা, গ্রেফতার-১
ইমরান খান বেঁচে আছেন, দেশ ছাড়তে চাপ: পিটিআই
হাসিনা-রেহানা-টিউলিপের প্লট দুর্নীতি মামলার রায় আজ
শুরু হলো বিজয়ের মাস
বিডিআর হত্যাকাণ্ডে ভারত জড়িত
খালেদা জিয়ার খোঁজ নিতে হাসপাতালে জামায়াত সেক্রেটারি
স্কুল ভর্তির লটারি ১১ ডিসেম্বর
বিডিআরকে দুর্বল করে ক্ষমতা টিকিয়ে রাখাতেই পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ছয় উপসচিবের দফতর পরিবর্তন