নির্বাচন পেছাতে ষড়যন্ত্র চলছে: ডা.জাহিদ
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটিয়ে জাতীয় নির্বাচন পেছানোর একটি সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র চলছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে জুলাই গণঅভ্যুত্থান কর্মসূচির মাঠ পরিদর্শনে গিয়ে তিনি এ অভিযোগ করেন।
ডা. জাহিদ বলেন,সারাদেশে সংঘটিত সহিংস ঘটনাগুলো উদ্দেশ্যমূলকভাবে ঘটানো হচ্ছে, যাতে করে নির্বাচন প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়। কিন্তু বিএনপি এখনো আশাবাদী যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনেই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
মিটফোর্ড এলাকায় এক ব্যবসায়ীকে মাথা থেঁতলে হত্যার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, জাতীয় স্থায়ী কমিটির পক্ষ থেকে মহাসচিব লিখিত বিবৃতিতে স্পষ্ট বলেছেন—ঘটনা যাই হোক, অন্যায় অন্যায়। সেটিকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহারের চেষ্টা কখনোই সঠিক নয়। অন্যায়কে দলীয় রঙে দেখা উচিত নয়।
তিনি আরও বলেন,তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরা গণতন্ত্রের জন্য লড়ছি। শহীদ জিয়া ও খালেদা জিয়ার আদর্শে অনুপ্রাণিত বিএনপি কোনো ষড়যন্ত্রের ফাঁদে পা দেবে না। আমরা মব সন্ত্রাসে বিশ্বাস করি না, বিচারহীনতার পক্ষে না। বিএনপি সব অন্যায়ের সুষ্ঠ বিচার চায়।
মিটফোর্ডের ঘটনার পর জামায়াত ও এনসিপির কিছু নেতার মন্তব্য প্রসঙ্গে ডা. জাহিদ সরাসরি প্রতিক্রিয়া না জানিয়ে বলেন, যারা এ ধরনের প্রশ্ন তোলে, তাদের রাজনৈতিক বোঝাপড়ার ঘাটতি আছে বলে আমি মনে করি। কে কাকে লাল বা সবুজ কার্ড দেখাবে, তা জনগণই ঠিক করবে। এসব কথায় বিএনপিকে মূল্যায়ন করা বা ব্যাখ্যা দেওয়ার প্রয়োজন আছে বলে আমি মনে করি না।
তিনি বলেন,ঝালকাঠির ঘটনার মাধ্যমে জনগণ দেখেছে কে কাদের পুনর্বাসন করে, সে উত্তর ঘটনাই দিয়ে দিয়েছে।”
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির সাংস্কৃতিক সম্পাদক আশরাফ উদ্দিন আহমেদ উজ্জ্বল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মোর্শেদ হাসান খান, ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশনের রফিকুল আলম লাবু, নজরুল ইসলাম, অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম শামসুল ইসলাম শামস, সাংস্কৃতিক জোটের রফিকুল ইসলাম, সাংবাদিক সৈয়দ আবদাল আহমেদ, আমিরুল ইসলাম কাগজী এবং শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্যজোটের জাকির হোসেন।
সবারদেশ/এফও




























