মিত্রদের জন্য ছাড়
জোটের ১২ প্রার্থীকে গ্রিন সিগন্যাল দিলো বিএনপি
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি যে ২৩৭টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে, বাকি ৬৩টি আসন এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। দলটির ঘনিষ্ঠ সূত্রগুলো বলছে—এসব আসনের একটি বড় অংশ রাখা হয়েছে জোট ও মিত্র দলের প্রার্থীদের জন্য। ইতিমধ্যেই অন্তত ১২ জন নেতাকে ‘গ্রিন সিগন্যাল’ দিয়েছে বিএনপি।
সূত্র অনুযায়ী, যেসব নেতারা ধানের শীষ প্রতীকে বা জোটের ব্যানারে প্রার্থী হতে সবুজ সংকেত পেয়েছেন, তাদের মধ্যে রয়েছেন পিরোজপুর-১ আসনে জাতীয় পার্টি (জাফর) চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার, বগুড়া-২ আসনে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, ঢাকা-১৭ আসনে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থ এবং লক্ষ্মীপুর-১ আসনে এলডিপি চেয়ারম্যান শাহাদাত হোসেন সেলিম।
এছাড়া কিশোরগঞ্জ-৫ আসনে বাংলাদেশ জাতীয় দলের চেয়ারম্যান সৈয়দ এহসানুল হুদা, ঢাকা-১৩ আসনে এনডিএম চেয়ারম্যান ববি হাজ্জাজ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনে গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি, চট্টগ্রাম-১৪ আসনে এলডিপি চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদের ছেলে অধ্যাপক ওমর ফারুক এবং কুমিল্লা-৭ আসনে এলডিপির মহাসচিব ড. রেদোয়ান আহমেদকে ‘গ্রিন সিগন্যাল’ দেয়া হয়েছে।
তালিকায় আরও আছেন নড়াইল-২ আসনে জাতীয়তাবাদী সমমনা জোটের সমন্বয়ক ও এনপিপি চেয়ারম্যান ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, পটুয়াখালী-৩ আসনে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর এবং ঝিনাইদহ-২ আসনে দলটির সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিএনপি সরাসরি প্রার্থী ঘোষণা না করলেও এসব আসনে মিত্র দলগুলোর শক্ত অবস্থান বজায় রাখার কৌশল নিয়েছে। এটি একদিকে জোটের ঐক্য ধরে রাখবে, অন্যদিকে নির্বাচনী প্রতীক ও প্রার্থিতা নিয়ে সমঝোতার পথও উন্মুক্ত রাখবে।
উল্লেখ্য, সোমবার (৩ নভেম্বর) বিকেল সাড়ে ৫টায় রাজধানীর গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির জরুরি বৈঠক শেষে ২৩৭ আসনের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
সবার দেশ/কেএম




























