অল্প পুঁজিতেও বাজিমাত, সুপার ফোরে পাকিস্তান
পাকিস্তানকে মাত্র ১৪৬ রানে আটকে দিয়ে ইতিহাস রচনার স্বপ্ন দেখেছিল সংযুক্ত আরব আমিরাত। এশিয়া কাপের মঞ্চে প্রথমবার পাকিস্তানকে হারিয়ে সুপার ফোরে ওঠা— সেটাই ছিলো স্বাগতিকদের টার্গেট। কিন্তু শেষ হাসি হাসলো বাবর আজমরা। শক্তিশালী বোলিং আক্রমণের জোরে পাকিস্তান ম্যাচ জিতে নেয় ৪১ রানে, নিশ্চিত করে সুপার ফোরের টিকিট।
প্রথমে ব্যাট হাতে পাকিস্তানকে বিপদে ফেলেছিলো আমিরাত। টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ১৪৬ রান তোলে পাকিস্তান। ধ্বংসস্তূপের ভেতর দাঁড়িয়ে লড়াকু ইনিংস খেলেন ফখর জামান— ৩৬ বলে ৫০ রান, ২ চার ও ৩ ছক্কায়। বাকি ব্যাটাররা ছিলেন আসা-যাওয়ার মিছিলে। আমিরাতি বোলারদের মধ্যে পেসার জুনায়েদ সিদ্দিক নেন ৪ উইকেট, বাঁহাতি স্পিনার সিমরানজিত সিং ঝুলিতে ভরেন ৩টি।
কিন্তু ব্যাট হাতে ইতিহাস রচনা হয়নি তাদের। রান তাড়া করতে নেমে পাকিস্তানের পেস-স্পিনের মিশ্র আক্রমণে ছিন্নভিন্ন হয় আমিরাত। শাহিন শাহ আফ্রিদির আগ্রাসী সূচনার পর আবরার আহমেদ আর সাইম আইয়ুবের ঘূর্ণিজাদুতে নড়বড়ে হয়ে যায় ব্যাটিং অর্ডার। অধিনায়ক মোহাম্মদ ওয়াসিম (১৪), ওপেনার আলিশান শারাফু (১২) কিংবা জোহাইব— কেউই দাঁড়াতে পারেননি।
রাহুল চোপড়া (৩৫) ও ধ্রুব পারাশার (২০) একসময় প্রতিরোধের দেয়াল গড়লেও তাতে লাভ হয়নি। শেষদিকে আমিরাতের ছয় ব্যাটারই দুই অঙ্ক ছুঁতে ব্যর্থ হন। শেষ পর্যন্ত ১০৫ রানে থেমে যায় তাদের লড়াই।
পাকিস্তানের পক্ষে শাহিন, হারিস রউফ ও আবরার সমান দুটি করে উইকেট শিকার করেন।
গ্রুপ এ থেকে ভারত ইতোমধ্যেই টানা দুই জয়ে সুপার ফোর নিশ্চিত করেছে। পাকিস্তানের সামনে এখন নতুন লড়াই— ২১ সেপ্টেম্বর ভারতের বিপক্ষে সুপার ফোর মিশন।
সবার দেশ/কেএম




























