জয়ের ধারায় ফিরলো রংপুর রাইডার্স
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ১২তম আসরে রংপুর রাইডার্স চট্টগ্রাম রয়্যালসকে হারিয়ে দুর্দান্তভাবে শুরু করলেও দ্বিতীয় ম্যাচে সহজ সমীকরণ পূরণ করতে ব্যর্থ হয় সাবেক চ্যাম্পিয়নরা। তবে পরের ম্যাচে আবার জয়ের ধারায় ফিরেছে নুরুল হাসান সোহানের দল।
সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে আগে ব্যাট করে স্বাগতিক সিলেট টাইটান্স ২০ ওভারে ১৪৪ রানে ইনিংস শেষ করে।
জবাবে রংপুর রাইডার্স ৭ বল ও ৬ উইকেট হাতে রেখে লক্ষ্য তাড়া করতে সক্ষম হয়। ম্যাচের শেষ দিকে একক নৈপুণ্য দেখান মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। ৫টি চার ও ১টি ছক্কা মেরে ১৬ বলে ৩৪ রান করে অপরাজিত থাকেন এই অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার। তার সঙ্গে পঞ্চম উইকেটে ছিলেন পাকিস্তানের খুশদিল শাহ, যিনি ১১ বলে অপরাজিত ১৯ রান করেন।
এর আগের দিন রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের বিপক্ষে সুপার ওভারে হাতের কাছে থাকা জয় হারায় রংপুর। সেই ম্যাচের পর সমালোচনার মুখে পড়েন মাহমুদউল্লাহ। পরের দিনে ব্যাট হাতে যেন জবাব দিলেন তিনি। সিলেটের দেওয়া লক্ষ্য তাড়ায় ১৬ বলে ৩৪ রান করে ম্যাচসেরার পুরস্কারও জেতেন।
১৪৫ রানের টার্গেটে ডেভিড মালানের সঙ্গে ইনিংস শুরু করেন লিটন দাস। মালান ১৯ রান করে আউট হলে ওপেনিং জুটি ভাঙে ২১ রানে। এরপর তাওহীদ হৃদয় ও কাইল মায়ার্সকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন জাতীয় দলের এই উইকেটরক্ষক ব্যাটার।
তবে জয়ের দিনে তাওহীদ ভালো করতে পারেননি—নাসুম আহমেদের বলে ৬ রানে বোল্ড হয়ে মাঠ ছাড়েন। কাইল মায়ার্স ২৯ বলে ৩১ রান করেন। শেষ দিকে মাহমুদউল্লাহ ও খুশদিল ম্যাচ শেষ করে জয় নিশ্চিত করেন।
সিলেট টাইটান্সের ব্যাটিং শুরুতে ধাক্কা খায়। দলীয় ১২ রানে সাইম আইয়ুব আউট হওয়ার পর মিডল অর্ডারে মেহেদী হাসান মিরাজ ও রনি তালুকদারের উইকেট হারিয়ে দল চাপের মুখে পড়ে। এরপর ইথান ব্রুকস ও আফিফ হোসেন ৬৬ রানের জুটি গড়ে কিছুটা স্বস্তি ফিরিয়ে আনেন। আফিফ ৩১ বলে ৪৬ রান করেন, ব্রুকস ৩০ বলে ৩২ রান করে।
শেষ দিকে বড় সংগ্রহের ইঙ্গিত দিলেও তা ধরে রাখতে পারেনি সিলেট। এবারের আসরে আজমত উল্লাহ ওমরজাই ব্যর্থ হন, মাত্র ৬ রান করে ফাহিম আশরাফের বলে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। নির্ধারিত ২০ ওভারে সিলেট থামে ১৪৪ রানে।
বল হাতে রংপুরের হয়ে মোস্তাফিজুর রহমান ও ফাহিম আশরাফ উজ্জ্বল ভূমিকা পালন করেন। মোস্তাফিজ সিলেট অধিনায়ক মিরাজকে আউট করে ৪০০ উইকেটের মাইলফলক স্পর্শ করেন। পরবর্তীতে আরও তিনটি উইকেট নিয়ে ইনিংসে বড় প্রভাব রাখেন তিনি।
সবার দেশ/এফএস




























