১২ ফেব্রুয়ারির ভোটেই নির্ধারণ হবে ভবিষ্যৎ
যুবসমাজ সিদ্ধান্ত নিলেই পরিবর্তন আসে : জামায়াত আমির
যুবসমাজই পরিবর্তনের প্রধান শক্তি—এমন মন্তব্য করে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, সিস্টেম কখনও কাকতালীয়ভাবে বদলায় না; যখন তরুণ প্রজন্ম সিদ্ধান্ত নেয়, তখনই ইতিহাসে পরিবর্তন আসে।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেয়া এক পোস্টে তিনি এ কথা বলেন। পোস্টে তিনি বিশেষভাবে তরুণদের উদ্দেশে বার্তা দেন এবং সাম্প্রতিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে তাদের ভূমিকার প্রশংসা করেন।
ডা. শফিকুর রহমান লেখেন, তোমরাই আমাদের জুলাইয়ের অগ্রসেনানী। তোমাদের সাহস ও অবস্থান না থাকলে ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখা সম্ভব হতো না। তিনি তরুণদের প্রতি ভালোবাসা ও গভীর সম্মান জানিয়ে বলেন, যেভাবে তারা ‘৩৬শে জুলাই’ পর্যন্ত অবিচল ছিলো, তেমনি আগামীতেও যে কোনও স্বৈরাচারী প্রবণতার পথ রুখে দিতে পারবে বলে তার আত্মবিশ্বাস রয়েছে।
আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে তিনি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ উল্লেখ করে বলেন, এটি আগের কোনও নির্বাচনের মতো নয়। তার ভাষ্য অনুযায়ী, এ নির্বাচন নির্ধারণ করে দেবে—বাংলাদেশ গণতন্ত্রের পথে এগোবে নাকি ফ্যাসিবাদের দিকে যাবে; দেশ সার্বভৌম থাকবে নাকি আধিপত্যের শিকার হবে।
তরুণ ভোটারদের উদ্দেশে তিনি সতর্কবার্তা দিয়ে বলেন, ষড়যন্ত্র, ফাঁদ, উসকানি কিংবা অপপ্রচার যেনো কারও ভোটাধিকার প্রয়োগে বাধা হয়ে না দাঁড়ায়। সবাইকে শান্ত, সতর্ক ও লক্ষ্যপানে দৃঢ় থাকার আহ্বান জানান তিনি।
সবশেষে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি তরুণদের সিদ্ধান্তই একটি নতুন বাংলাদেশের ভিত্তি রচনা করতে পারে। তার মতে, সে সিদ্ধান্তই হবে প্রকৃত অর্থে ‘বাংলাদেশ ২.০’-এর সূচনা।
সবার দেশ/কেএম




























