মুরাদনগরে আসিফ ও কায়কোবাদ অনুসারীদের সংঘর্ষ, আহত ৭১
কুমিল্লার মুরাদনগরে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া এবং বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ অনুসারীদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
বুধবার (৩০ জুলাই) বিকেলে উপজেলা সদরে সংঘটিত এ ঘটনায় উভয়পক্ষের অন্তত ৬৫ জন নেতাকর্মী এবং ৬ সাংবাদিক আহত হয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আসিফ মাহমুদের অনুসারীরা তার ও তার বাবা প্রধান শিক্ষক বিল্লাল হোসেনের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল বের করলে আল্লাহু চত্বরে তাদের ওপর ইটপাটকেল নিক্ষেপ করা হয়। পরে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া এবং হামলার ঘটনা ঘটে। একই সময়ে বিএনপি ও ছাত্রদলের পক্ষ থেকেও নেতাকর্মীদের গ্রেফতার ও রিমান্ডের প্রতিবাদে বিক্ষোভ কর্মসূচি চলছিলো।
হামলায় উপজেলা এনসিপির প্রধান সমন্বয়কারী মিনহাজুল হক, ইউপি সদস্য মো. শেকন মিয়া, মাসুদুল রানা, ইউনুস মিয়া, কাইয়ুমসহ আসিফের ৫০ জন অনুসারী আহত হন। অপরদিকে কায়কোবাদের অনুসারী যুবদল নেতা ওমর উল্লাহ, ইমন, পারভেজ, কামাল হোসেনসহ ১৫ জন আহত হন।
উপজেলার সাবেক ছাত্র সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট ওবায়দুল হক ছিদ্দিকী অভিযোগ করে বলেন,
আমরা শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ করছিলাম, কিন্তু কায়কোবাদের অনুসারীরা পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়েছে। এতে আমাদের বহুজন রক্তাক্ত হয়েছেন। আমরা হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেফতার চাই।
এনসিপির প্রধান সমন্বয়কারী মিনহাজুল হকও অভিযোগ করেন, কায়কোবাদ গ্রুপ নিয়মিতভাবে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে বাধা দেয়। গণতন্ত্রের পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে।
অন্যদিকে উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক কামাল উদ্দিন ভূঁইয়া পাল্টা অভিযোগ করে বলেন,
আমাদের প্রতিবাদী ছাত্রদলের মিছিলে হামলা চালিয়েছে আসিফ মাহমুদের অনুসারীরা। আজ বিএনপির কার্যালয়েও তারা হামলা চালিয়েছে।
মুরাদনগর থানার ওসি জাহিদুর রহমান জানান, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিলে হামলার পর সংঘর্ষ শুরু হয়। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে এবং তদন্ত শেষে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
ঘটনার পর পুরো উপজেলা সদরে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।
সবার দেশ/কেএম




























