Sobar Desh | সবার দেশ সবার দেশ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৩:১৫, ২৩ অক্টোবর ২০২৫

আপডেট: ১৩:২১, ২৩ অক্টোবর ২০২৫

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলা 

হাসিনাসহ তিনজনের রায় ঘোষণার দিন ধার্য হবে ১৩ নভেম্বর

হাসিনাসহ তিনজনের রায় ঘোষণার দিন ধার্য হবে ১৩ নভেম্বর
ছবি: সংগৃহীত

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এবং সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুনের বিচারকাজ শেষ হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ অ্যাটর্নি জেনারেলের সমাপনী বক্তব্যের মধ্য দিয়ে এ মামলার শুনানি শেষ হয়। আগামী ১৩ নভেম্বর মামলার রায় ঘোষণা করবেন ট্রাইব্যুনাল।

বৃহস্পতিবার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে অ্যাটর্নি জেনারেল আসাদুজ্জামান বলেন, 

এ হত্যাযজ্ঞ হয়েছে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায়। শেখ হাসিনা ও তার সহযোগীদের বিচার না হলে শহীদ ও আহতরা চরম অবিচারের শিকার হবেন।

এর আগে বুধবার শেখ হাসিনা ও কামালের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করে তাদের খালাস চান। তিনি দাবি করেন, শেখ হাসিনা আন্দোলন দমন করতে কখনোই মারণাস্ত্র ব্যবহারের নির্দেশ দেননি, এবং প্রসিকিউশন তাদের বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ প্রমাণে সক্ষম হয়নি। সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন দায় এড়াতে রাজসাক্ষী হয়েছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

প্রসিকিউশন অবশ্য এ যুক্তিকে প্রত্যাখ্যান করে বলেছেন, এ মামলায় হত্যাযজ্ঞ সংঘটিত হয়েছে রাষ্ট্রীয় নীতির অংশ হিসেবে। তাই শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালের সর্বোচ্চ শাস্তি—মৃত্যুদণ্ডের আবেদন করেন চিফ প্রসিকিউটর। পাশাপাশি শহীদ ও আহতদের ক্ষতিপূরণের জন্য আসামিদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার আবেদনও করা হয়।

প্রসিকিউশন জানায়, রাজসাক্ষী হিসেবে সহযোগিতা করায় সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুনের বিরুদ্ধে কোনও সাজা প্রস্তাব করা হয়নি।

ট্রাইব্যুনাল সূত্রে জানা গেছে, গত ৩ আগস্ট আনুষ্ঠানিকভাবে বিচার শুরু হয় এ মামলার। ২৮ কার্যদিবসে ৫৪ জন সাক্ষীর জবানবন্দি শোনেন ট্রাইব্যুনাল। এরপর ছয় কার্যদিবস ধরে চলে প্রসিকিউশনের যুক্তিতর্ক, আর তিন কার্যদিবস যুক্তি দেন প্রতিরক্ষা আইনজীবীরা।

চলতি বছরের ১০ জুলাই শেখ হাসিনা, আসাদুজ্জামান খান কামাল ও চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করে ট্রাইব্যুনাল। মামলায় তাদের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের পাঁচটি অভিযোগ আনা হয়েছে। আট হাজার ৭৪৭ পৃষ্ঠার অভিযোগপত্রে রয়েছে দুই হাজার ১৮ পৃষ্ঠার তথ্যসূত্র, চার হাজার পাঁচ পৃষ্ঠার দালিলিক প্রমাণ ও জব্দতালিকা এবং দুই হাজার ৭২৪ পৃষ্ঠার শহীদ তালিকা।

প্রসিকিউশন আশা করছে, আগামী ১৩ নভেম্বর ঘোষিত রায়ে শেখ হাসিনা ও কামালের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ সাজা—মৃত্যুদণ্ড—ঘোষণা করবে আদালত।

সবার দেশ/কেএম

শীর্ষ সংবাদ:

পাঁচ অস্ত্রসহ গ্রেফতার লিটন গাজী সম্পর্কে সব জানালো পুলিশ সুপার
আনসার ভিডিপি ব্যাংকের ৯ কোটি টাকা আত্মসাৎ, ব্যবস্থাপক গ্রেফতার
লালমনিরহাটে স্বামী হত্যা মামলায় স্ত্রী ও পরকীয়া প্রেমিকের যাবজ্জীবন
ভোলাহাটে বাসের চাকায় পিষ্ট হয়ে কলেজ শিক্ষকের মৃত্যু
সৌদি আরবে প্রবাসী বাংলাদেশিরা দালাল চক্রের খপ্পরে
বাংলাদেশ সীমান্তে পঁচছে ৩০ হাজার টন ভারতীয় পেঁয়াজ
সুদের টাকার জন্য নোয়াখালীতে ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে হত্যা, গ্রেফতার-১
ইমরান খান বেঁচে আছেন, দেশ ছাড়তে চাপ: পিটিআই
হাসিনা-রেহানা-টিউলিপের প্লট দুর্নীতি মামলার রায় আজ
শুরু হলো বিজয়ের মাস
বিডিআর হত্যাকাণ্ডে ভারত জড়িত
খালেদা জিয়ার খোঁজ নিতে হাসপাতালে জামায়াত সেক্রেটারি
স্কুল ভর্তির লটারি ১১ ডিসেম্বর
বিডিআরকে দুর্বল করে ক্ষমতা টিকিয়ে রাখাতেই পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ছয় উপসচিবের দফতর পরিবর্তন