যুবলীগ নেতার মুক্তি দাবিতে থানা ঘেরাও, ছাত্রদল নেতাকে শোকজ
পাবনার ভাঙ্গুড়ায় পুলিশের হাতে আটক কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত যুবলীগের এক নেতার মুক্তির দাবিতে থানা ঘেরাও ও বিক্ষোভের নেতৃত্ব দেয়ার অভিযোগে উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম সোহেলকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দিয়েছে পাবনা জেলা ছাত্রদল।
রোববার (৫ জুলাই) রাত সাড়ে ১০টার দিকে জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মো. কামরুজ্জামান প্রিন্স এবং সদস্য সচিব মো. সাদ্দাম হোসেন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, উপজেলা ছাত্রদলের দায়িত্বশীল পদে থেকে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং সংগঠনের আদর্শবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে শফিকুল ইসলাম সোহেলের বিরুদ্ধে কেনো স্থায়ী সাংগঠনিক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, সে বিষয়ে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক ও সদস্য সচিবের উপস্থিতিতে জেলা কার্যালয়ে হাজির হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে হবে।
ঘটনার সূত্রপাত হয় গত শুক্রবার (৩ জুলাই) সন্ধ্যায়। নাশকতার ঘটনায় সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে ভাঙ্গুড়া উপজেলার পারভাঙ্গুড়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি রিপন সরকারকে আটক করে পুলিশ।
এরপর রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম সোহেলের নেতৃত্বে প্রায় ২০০ গ্রামবাসী রিপন সরকারের মুক্তির দাবিতে ভাঙ্গুড়া থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেন। স্থানীয় সূত্রের দাবি, আন্দোলনের একপর্যায়ে রাত সাড়ে ১০টার দিকে পুলিশ আটক যুবলীগ নেতাকে গ্রামবাসীর জিম্মায় ছেড়ে দেয়।
এ ঘটনার পর কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের এক নেতার পক্ষে প্রকাশ্যে অবস্থান নেওয়ায় শফিকুল ইসলাম সোহেলের ভূমিকা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গন ও স্থানীয় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। বিষয়টি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পর জেলা ছাত্রদল সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নেয়।
জেলা ছাত্রদলের নেতারা জানিয়েছেন, শোকজের জবাব পাওয়ার পর সাংগঠনিক বিধি অনুযায়ী পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
তবে থানা ঘেরাওয়ের ঘটনায় শফিকুল ইসলাম সোহেলের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
সবার দেশ/কেএম




























