ইরানের হামলায় ইসরাইলের বাত ইয়াম শহর ধ্বংসস্তূপ
জাহান্নামের দরজা খোলা হয়ে গেছে ইসরায়েলের
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রে হতবাক ইসরায়েল, প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার স্বীকৃতি সংবাদমাধ্যমে। ইরানের পাল্টা ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইসরায়েলের আধুনিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাও কার্যত ভেঙে পড়েছে—এমনই চিত্র ফুটে উঠেছে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমগুলোতে।
দেশটির প্রভাবশালী সাংবাদিক ও দ্য লোকাল কলের সম্পাদক মেরন র্যাপোপোর্ট এই হামলাকে ‘অপ্রত্যাশিত ও বিস্ময়কর’ বলে আখ্যা দিয়েছেন।
আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে র্যাপোপোর্ট বলেন, ‘ইসরায়েলি সেনাবাহিনী চাইলেও এটিকে ‘প্রত্যাশিত হামলা’ হিসেবে চিত্রিত করতে পারছে না। বাস্তবতা হলো, এ মাত্রার ক্ষেপণাস্ত্র আঘাতের ঘটনা ইসরায়েলের নাগরিকদের বিস্ময়ে হতবাক করেছে। এর প্রভাব এতটাই গভীর যে উন্নত বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা থেকেও অনেক ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানতে পেরেছে।’
তিনি জানান, এ হামলাগুলো শুধুমাত্র সাধারণ লক্ষ্যবস্তুতে নয়, বরং কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ স্থানেও আঘাত করেছে, যা ইসরায়েল সরকার এখনো জনসাধারণের কাছে গোপন রেখেছে। সেন্সরশিপ এতটাই কড়া যে সাংবাদিকদের অনেক তথ্য জানা থাকলেও প্রকাশের অনুমতি নেই।
র্যাপোপোর্ট মনে করেন, ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে বর্তমান এই সংঘাত থেকে নিষ্কৃতি পাওয়ার একমাত্র বাস্তবসম্মত উপায় হলো—ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি পারমাণবিক চুক্তি।
তিনি বলেন, “ইরান আত্মসমর্পণ করবে না। সে দেশের রাজনৈতিক শাসন কাঠামো অদূর ভবিষ্যতে পাল্টাবে এমন কোনো ইঙ্গিতও নেই। একইভাবে ইসরায়েলও আত্মসমর্পণ করবে না। ফলে কেবলমাত্র একটি কূটনৈতিক চুক্তির মাধ্যমেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব। অন্য কোনো পথ আপাতত খোলা নেই।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরান-ইসরায়েল চলমান সংঘাতে এ স্বীকারোক্তি এবং পরোক্ষ বিপর্যয় ইঙ্গিত দিচ্ছে যে পরিস্থিতি হয়তো এক নতুন ও অনিয়ন্ত্রিত যুদ্ধাবস্থার দিকে যাচ্ছে।
সবার দেশ/কেএম




























