সতর্কতা যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের
সোশ্যাল মিডিয়ার তথ্য গোপন করলে মার্কিন ভিসা মিলবে না
যুক্তরাষ্ট্রে ভিসা পেতে আগ্রহীদের জন্য নতুন কড়াকড়ির ঘোষণা দিয়েছে ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস। বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) দূতাবাসের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ভিসা ফর্মে (DS-160) গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সব সোশ্যাল মিডিয়ার তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক।
বিশেষত F (শিক্ষার্থী), M (টেকনিক্যাল/ভোকেশনাল ট্রেনিং), এবং J (এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রাম) ক্যাটাগরির ভিসা আবেদনকারীদের এই নিয়ম কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে।
বিবৃতিতে দূতাবাস স্পষ্টভাবে জানিয়েছে—
- কোনও সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট গোপন করা হলে ভিসা আবেদন প্রত্যাখ্যাত হতে পারে।
- এমনকি ভবিষ্যতে মার্কিন ভিসা পাওয়ার যোগ্যতাও হারিয়ে যেতে পারে।
দূতাবাস আরও জানায়, আবেদনপত্রে প্রদত্ত সব তথ্যকে সত্য ধরে নিয়েই আবেদনকারীর স্বাক্ষর গ্রহণ করা হয়। কাজেই, কোনো তথ্য গোপন করা হলে তা ভুল তথ্য প্রদানের অপরাধে গণ্য হবে।
কী কী তথ্য দিতে হবে?
আবেদনকারীদের DS-160 ফর্মে উল্লেখ করতে হবে—
- ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, টুইটার, ইউটিউব, টিকটকসহ সব সোশ্যাল মিডিয়ার ইউজারনেম বা হ্যান্ডেল।
- গত পাঁচ বছরে ব্যবহার করা সকল অ্যাকাউন্টের তথ্য, এমনকি যদি সেটি এখন আর ব্যবহৃত না হয়, তবুও তা উল্লেখ করতে হবে।
কেন এ কড়াকড়ি?
যুক্তরাষ্ট্র সরকার ২০১৯ সাল থেকেই ভিসা প্রক্রিয়ায় সোশ্যাল মিডিয়া স্ক্রুটিনি চালু করেছে নিরাপত্তার স্বার্থে। বিশেষত সম্ভাব্য উগ্রবাদ, সহিংসতা বা ভিসার অপব্যবহারের ঝুঁকি নিরসনের জন্য এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
Bottom Line:
সততা ও স্বচ্ছতাই নিরাপদ ভিসার চাবিকাঠি। সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট গোপন করলে শুধু ভিসা নয়, ভবিষ্যতের যুক্তরাষ্ট্র সফরের পথও বন্ধ হয়ে যেতে পারে। ভিসা ফর্ম পূরণের সময় সব তথ্য সতর্কভাবে এবং সঠিকভাবে দেয়ার পরামর্শ দিয়েছে দূতাবাস।
সবার দেশ/কেএম




























