Sobar Desh | সবার দেশ সবার দেশ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০১:২৫, ২৩ জুন ২০২৫

কমিশন পুনর্গঠনের দাবি

শাপলা প্রতীক চেয়ে নিবন্ধনের আবেদন এনসিপির

শাপলা প্রতীক চেয়ে নিবন্ধনের আবেদন এনসিপির
ছবি: সংগৃহীত

নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল হিসেবে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কাছে আবেদন জমা দিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। দলটির নির্বাচনী প্রতীক হিসেবে ‘শাপলা’ প্রাধান্য পেয়েছে, পাশাপাশি ‘কলম’ ও ‘মোবাইল’ প্রতীকও পছন্দ হিসেবে উল্লেখ করেছে দলটি।

রোববার (২২ জুন) বিকেলে এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেনের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল ইসিতে গিয়ে নিবন্ধনের আবেদনপত্র জমা দেয়।

তবে শুধু নিবন্ধনই নয়, জাতীয় নির্বাচন ঘিরে এনসিপি জানিয়েছে বেশ কিছু কঠোর শর্ত ও অবস্থান। তাদের মতে, বর্তমান নির্বাচন কমিশন ‘আস্থাহীন’ ও ‘পক্ষপাতদুষ্ট’। দলটির নেতারা স্পষ্ট করে বলেছেন, এ কমিশনের অধীনে তারা জাতীয় নির্বাচনে অংশ নেবেন না। এমনকি দলটির প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের কাছেও এ অবস্থান জানানো হয়েছে বলে একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র নিশ্চিত করেছে।

এনসিপির দাবি, ২০২২ সালের আইন অনুযায়ী গঠিত বর্তমান নির্বাচন কমিশনের আইন ও কাঠামো সংস্কার করতে হবে। দলটি চায়, সংস্কার কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী নতুন নির্বাচন কমিশন গঠিত হোক এবং বিতর্কিত নির্বাচন কমিশন আইন বাতিল করে রাজনৈতিক ঐকমত্যের ভিত্তিতে একটি গ্রহণযোগ্য আইন প্রণয়ন করা হোক।

এনসিপির যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আরিফুর রহমান তুহিন বলেন, বর্তমান কমিশন নিরপেক্ষ নয়। তারা একটি নির্দিষ্ট দলের প্রতি আগ্রহী ও অনুগত আচরণ করছে। এমন কমিশনের অধীনে কোনো অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়।

তিনি আরও জানান, প্রধান বিচারপতিও এ কমিশন নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাই কমিশন পুনর্গঠন না হলে আমরা বৃহত্তর আন্দোলনে যাবো।

অন্যদিকে, নির্বাচন কমিশন তাদের অবস্থানে অনড়। ইসির ভাষ্য, তারা নিরপেক্ষভাবেই কাজ করছে, কমিশন পুনর্গঠনের দাবি পুরোপুরি রাজনৈতিক। বিএনপি এ দাবিকে নির্বাচন পেছানোর কৌশল হিসেবে দেখলেও জামায়াতে ইসলামীর দৃষ্টিভঙ্গি এনসিপির সঙ্গে আংশিকভাবে মিলে গেছে—তারা মনে করছে, কমিশন বাস্তবেই প্রশ্নবিদ্ধ।

নির্বাচনের আগে নিবন্ধন প্রক্রিয়া আর প্রতীক বাছাইয়ের পাশাপাশি যে রাজনৈতিক চাপ ও সংস্কারের দাবি জোরালো হচ্ছে, এনসিপির অবস্থান তা আরও একধাপ এগিয়ে দিলো। শাপলা প্রতীকের চেয়ে এখন বড় প্রশ্ন—নির্বাচন কমিশনের ভবিষ্যত কাঠামো আসলে কেমন হবে?

সবার দেশ/কেএম

শীর্ষ সংবাদ:

পাঁচ অস্ত্রসহ গ্রেফতার লিটন গাজী সম্পর্কে সব জানালো পুলিশ সুপার
আনসার ভিডিপি ব্যাংকের ৯ কোটি টাকা আত্মসাৎ, ব্যবস্থাপক গ্রেফতার
লালমনিরহাটে স্বামী হত্যা মামলায় স্ত্রী ও পরকীয়া প্রেমিকের যাবজ্জীবন
ভোলাহাটে বাসের চাকায় পিষ্ট হয়ে কলেজ শিক্ষকের মৃত্যু
সৌদি আরবে প্রবাসী বাংলাদেশিরা দালাল চক্রের খপ্পরে
বাংলাদেশ সীমান্তে পঁচছে ৩০ হাজার টন ভারতীয় পেঁয়াজ
সুদের টাকার জন্য নোয়াখালীতে ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে হত্যা, গ্রেফতার-১
ইমরান খান বেঁচে আছেন, দেশ ছাড়তে চাপ: পিটিআই
হাসিনা-রেহানা-টিউলিপের প্লট দুর্নীতি মামলার রায় আজ
শুরু হলো বিজয়ের মাস
বিডিআর হত্যাকাণ্ডে ভারত জড়িত
খালেদা জিয়ার খোঁজ নিতে হাসপাতালে জামায়াত সেক্রেটারি
স্কুল ভর্তির লটারি ১১ ডিসেম্বর
বিডিআরকে দুর্বল করে ক্ষমতা টিকিয়ে রাখাতেই পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ছয় উপসচিবের দফতর পরিবর্তন