১৭ বছরের প্রতীক্ষার অবসান
সিলেট থেকে ঢাকার পথে তারেক রহমান
দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসিত জীবনের অবসান ঘটিয়ে আজ বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) প্রিয় জন্মভূমি বাংলাদেশে পা রেখেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সকাল ৯টা ৫৫ মিনিটে তাকে ও তার পরিবারকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের নিয়মিত ফ্লাইট বিজি-২০২ (বোয়িং ৭৮৭-৯ ড্রিমলাইনার) সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। এর মাধ্যমেই আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হলো তার দীর্ঘ প্রবাস জীবন।
‘অবশেষে সিলেটে, বাংলাদেশের মাটিতে!’
দেশের মাটিতে পা রেখেই নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি আবেগঘন পোস্ট দেন তারেক রহমান। তিনি লিখেছেন, ‘অবশেষে সিলেটে, বাংলাদেশের মাটিতে!’ মুহূর্তেই তার এ পোস্ট সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে এবং নেতাকর্মীদের মাঝে ব্যাপক উদ্দীপনার সৃষ্টি করে। ফ্লাইটর্যাডার২৪-এর তথ্য অনুযায়ী, বিমানটি নির্ধারিত সময়েই সিলেট পৌঁছায়।
সিলেট থেকে ঢাকার পথে
সিলেটে প্রায় এক ঘণ্টার যাত্রাবিরতি ও আনুষ্ঠানিকতা শেষে সকাল ১১টার দিকে বিমানটি পুনরায় ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেছে। সবকিছু ঠিক থাকলে বেলা ১১টা ৪৫ মিনিট থেকে ১২টার মধ্যে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তারেক রহমান, ডা. জুবাইদা রহমান ও ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের অবতরণ করার কথা রয়েছে।
৫৫ বছরের ইতিহাসে অবিস্মরণীয় ঘটনা
তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তনকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই বিমানবন্দরে ভিড় করেছেন দলের শীর্ষ নেতারা। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বিমানবন্দরের ভিভিআইপি গেটে সাংবাদিকদের বলেন, এ প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বিগত ৫৫ বছরের ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় ঘটনা হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে। তিনি বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার পুনরুদ্ধারের যে সংগ্রাম ছাত্র-জনতা করেছে, তারেক রহমানের এ ফিরে আসা সে আন্দোলনের এক সফল অধ্যায়।
পরবর্তী কর্মসূচি
শাহজালাল বিমানবন্দরে অবতরণের পর তারেক রহমানকে রাজকীয় সংবর্ধনা দেবেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্যরা। বিমানবন্দর থেকে তিনি সরাসরি পূর্বাচলের ৩০০ ফিট (জুলাই ৩৬ এক্সপ্রেসওয়ে) এলাকায় আয়োজিত বিশাল গণ-অভ্যর্থনায় যোগ দেবেন। সেখানে লক্ষ লক্ষ মানুষের উদ্দেশে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দিয়ে তিনি সরাসরি এভারকেয়ার হাসপাতালে যাবেন তার মা বেগম খালেদা জিয়াকে দেখতে।
তারেক রহমানের আগমনকে কেন্দ্র করে ঢাকা ও সিলেটে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। রাজধানীর প্রতিটি প্রবেশপথে নেতাকর্মীদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে, যা এক উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি করেছে।
সবার দেশ/কেএম




























