অর্থনীতি ও ভবিষ্যৎ নীতি নিয়ে আলোচনা
গুলশানে তারেক রহমান–শীর্ষ ব্যবসায়ীদের বৈঠক
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী নেতাদের এক গুরুত্বপূর্ণ সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার সন্ধ্যা ৭টায় রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এ বৈঠক হয়।
বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান সাক্ষাতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বৈঠকে দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ, শিল্পখাতের সংকট, রফতানি-বাণিজ্যের চ্যালেঞ্জ, কর্মসংস্থান এবং ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক নীতির বিভিন্ন দিক নিয়ে মতবিনিময় হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। রাজনৈতিক অস্থিরতা, নীতি-অনিশ্চয়তা ও প্রশাসনিক জটিলতায় ব্যবসা-বাণিজ্যে যে চাপ তৈরি হয়েছে, তা নিয়েও ব্যবসায়ী নেতারা তাদের পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেন।
সাক্ষাৎকালে উপস্থিত ছিলেন ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্স (আইসিসি) বাংলাদেশের সভাপতি মাহবুবুর রহমান, বিএসআরএমের চেয়ারম্যান আলী হোসেন আকবর আলী, এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি মীর নাসির হোসেন ও এ কে আজাদ, স্কয়ার গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তপন চৌধুরী, বিটিএমএর সাবেক সভাপতি মতিন চৌধুরী, বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজের (বিসিআই) সভাপতি আনোয়ার উল আলম চৌধুরী পারভেজ, মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোস্তাফা কামাল, উত্তরা মোটর করপোরেশন লিমিটেডের চেয়ারম্যান মতিউর রহমান এবং এমসিসিআইয়ের সভাপতি কামরান টি. রহমান।
এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি কুতুবউদ্দিন আহমেদ, বিকেএমইএর সাবেক সভাপতি ফজলুল হক, এমসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি নিহাদ কবির, বিজিএমইএর সভাপতি মাহমুদ হাসান খান, বিটিএমএর সভাপতি শওকত আজিজ, বিকেএমইএর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম, স্টিল মিল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, আইসিসি বাংলাদেশের নির্বাহী সদস্য ও ট্রান্সকম গ্রুপের সিইও সিমিন রহমান এবং প্রাণ গ্রুপের চেয়ারম্যান ও সিইও আহসান খান চৌধুরী।
বৈঠকে বিএনপির পক্ষে উপস্থিত ছিলেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে দলের অর্থনৈতিক দর্শন ও বেসরকারি খাতকে ঘিরে বিএনপির নীতিগত অবস্থান তুলে ধরেন।
রাজনৈতিক অচলাবস্থার মধ্যে তারেক রহমানের সঙ্গে শীর্ষ ব্যবসায়ী নেতাদের এ বৈঠককে আগামী দিনের অর্থনৈতিক দিকনির্দেশনা ও রাজনৈতিক সমীকরণে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।
সবার দেশ/কেএম




























