গণপ্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান হাসনাত আব্দুল্লাহর
চাঁদাবাজ দুর্নীতিবাজ ঋণখেলাপিরা প্রত্যাখ্যান হবে
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনের প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেছেন, চাঁদাবাজ, দুর্নীতিবাজ ও ঋণখেলাপিদের জনগণের শক্তিতেই বিতাড়িত করা হবে। ভোটারদের সামনে তাদের আসল চেহারা উন্মোচন করা হবে। জনগণ সত্য জানতে পারলে তারাই এসব অপশক্তিকে প্রত্যাখ্যান করবে।
শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) বিকেলে কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের গোপালনগর গ্রামে আগ্রাসনবিরোধী পদযাত্রার অংশ হিসেবে আয়োজিত এক উঠান বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।
হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, চাঁদাবাজি করে নির্বাচন না করে ভোট ভিক্ষা করা সম্মানের। প্রয়োজনে ভোটারদের হাতে ধরবো, পায়ে ধরবো, কিন্তু কোনও অবস্থাতেই টাকার বিনিময়ে ভোট কিনবো না।
তিনি বলেন, আমি আপনাদের সন্তান। আপনারাও প্রত্যেকে একজন করে হাসনাত হয়ে ভোটারদের কাছে যাবেন। হাতে ধরবেন, পায়ে ধরবেন। প্রত্যেকে প্রতিদিন অন্তত ১০ জন করে শাপলা কলির ভোট নিশ্চিত করবেন।
ভোটের দিন পরিবহন ব্যবহারের বিরোধিতা করে তিনি বলেন, ভোটের দিন রিকশা, অটো কিংবা সিএনজিতে করে ভোটারদের কেন্দ্রে নেয়া হবে না। আপনারা পায়ে হেঁটেই কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দেবেন। কারণ এটাও এক ধরনের ঘুস। ভোটার ঘুস খাবে, আর নির্বাচিত হয়ে নেতারা রাস্তার ইট পর্যন্ত খাবে—এটা হতে পারে না। ঘুসও খাবেন না, দুর্নীতিকেও প্রশ্রয় দেবেন না।
চাঁদাবাজদের হুমকির প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, চাঁদাবাজদের ঘুম এখন হারাম হয়ে গেছে। তারা ভোটারদের ভয় দেখাচ্ছে, ফোনে হুমকি দিচ্ছে—কেন্দ্র দখল করবে, ভোট দিতে দেবে না, ভোটাধিকার কেড়ে নেবে। শহীদ ওসমান হাদি এ চাঁদাবাজ ও ভারতীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধেই যুদ্ধ ঘোষণা করেছিলেন। সে লড়াইয়ের কারণেই তাকে বাঁচতে দেয়া হয়নি। আমরা শহীদ হাদির অসমাপ্ত কাজ বাস্তবায়নে মাঠে নেমেছি।
হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, আমরা কখনোই শহীদ ওসমান হাদির মতো হতে পারবো না। তিনি মুড়ি-বাতাসা নিয়ে সাধারণ মানুষের কাছে গিয়েছিলেন এবং দেশে ইনসাফ প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখেছিলেন। তিনি চেয়েছিলেন চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি বন্ধ হোক, মানুষ যেনো তার ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত না হয়। আজ গ্রামে গ্রামে মা-বোন ও বৃদ্ধ বাবারা শহীদ হাদির জন্য দোয়া করছেন।
তিনি আরও বলেন, যারা গুণ্ডা ও হোন্ডার ভয় দেখাচ্ছেন তারা সাবধান হয়ে যান। ভয়ভীতির রাজনীতি এখন আর চলবে না। মানুষ এখন সচেতন। তারা ঋণখেলাপি ও দুর্নীতিবাজদের ক্ষমতায় দেখতে চায় না। যারা নির্বাচিত হয়ে জনগণের হক মেরে খাবে, গোমতীর মাটি লুট করবে—এবার জনগণ তাদের প্রত্যাখ্যান করবে।
সবার দেশ/কেএম




























