বিসিবি নির্বাচন ঘিরে উত্তাপ: তামিমকে চ্যালেঞ্জ আসিফের
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নির্বাচন ঘিরে তামিম ইকবাল ও যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের মধ্যে দ্বন্দ্ব চরমে উঠেছে। মনোনয়ন প্রত্যাহার না করা প্রার্থীদের ‘৬ মাসের মধ্যে দেখে নেয়া হবে’—এমন হুমকির অভিযোগ ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে পরিস্থিতি। এমনকি বিরাট কোহলি ও গৌতম গম্ভীরের মাধ্যমে ভারতীয় বোর্ডের কাছে অভিযোগ পর্যন্ত গেছে বলে দাবি করেছেন ক্রীড়া উপদেষ্টা।
দেশের একটি ইলেকট্রনিক মাধ্যমকে দেয়া সাক্ষাৎকারে আসিফ মাহমুদ বলেন, তামিম যে বিসিবি নির্বাচনে ফিক্সিংয়ের অভিযোগ তুলেছেন, সেটি পুরোপুরি ভিত্তিহীন। বরং তার ভাষায়, ফিক্সিংটা তামিম ভাইরাই করতে চেয়েছিলেন, তবে সেখানে ব্যর্থ হয়েছেন।
আসিফ অভিযোগ করে বলেন,
আমাদের কাছে কিছু কল রেকর্ড ও ডকুমেন্টস আছে, যেখানে বলা হয়েছে— যদি নির্বাচন করেন, ৬ মাস পরে পরিণতি ভোগ করতে হবে। এটা জাতীয় নির্বাচনের পর হুমকি দেয়ার মতোই।
উপদেষ্টা আরও জানান, বিরাট কোহলি ও গৌতম গম্ভীরের কাছেও বিসিবির বিরোধীরা অভিযোগ করেছে, যা দেশের জন্য লজ্জাজনক। তিনি বলেন, দেশের বাইরে গিয়ে অভ্যন্তরীণ বিষয়ে নালিশ করা কারোই করা উচিত নয়।
এনএসসি’র গঠনতন্ত্র প্রসঙ্গে আসিফ মাহমুদ প্রশ্ন তুলেছেন, কাউন্সিলর হতে হলে সবশেষ দুই বছর কোনও ক্লাবের সাংগঠনিক কাঠামোর সঙ্গে যুক্ত থাকতে হয়। তামিম ইকবাল নিজেসহ ৬১ জন প্রার্থী সে শর্ত কতটা পূরণ করেছেন, সেটি নিয়েও তিনি সংশয় প্রকাশ করেন। তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, নির্বাচনটা হবেই। আমরা বিসিবিকে সহযোগিতা করছি, হস্তক্ষেপ নয়।
প্রয়োজনে নথি হাতে নিয়ে তামিম ইকবালের সঙ্গে মুখোমুখি আলোচনায় বসারও চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন উপদেষ্টা।
এর আগে তামিম ইকবাল অভিযোগ করেছিলেন, মাঠের ক্রিকেটে ফিক্সিং বন্ধের আগে বিসিবি নির্বাচনের ফিক্সিং বন্ধ করতে হবে। এ বক্তব্যকে কেন্দ্র করেই মূলত পাল্টাপাল্টি অভিযোগে মুখর হয়েছেন দুই পক্ষ।
উল্লেখ্য, আগামী ৬ অক্টোবর বিসিবি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এখনও এনএসসি কোটায় দুই পরিচালক নির্ধারিত হয়নি। তবে নির্বাচন ভণ্ডুল করার চেষ্টা একটি পক্ষ শেষ পর্যন্ত করতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ।
সবার দেশ/কেএম




























