Sobar Desh | সবার দেশ ফজলে রাব্বি, বাগাতিপাড়া (নাটোর) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ০০:১১, ৫ এপ্রিল ২০২৬

বাগাতিপাড়ায় খড় পোড়ানোর আগুনে ১৫ বিঘা গম পুড়ে ছাই

বাগাতিপাড়ায় খড় পোড়ানোর আগুনে ১৫ বিঘা গম পুড়ে ছাই
ছবি: সবার দেশ

নাটোরের বাগাতিপাড়া উপজেলার পাঁকা ইউনিয়নের গাঁওপাড়া গ্রামে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ১৫ বিঘা জমির পাকা গম পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে এলাকায় নেমে এসেছে শোক ও হতাশার ছায়া। প্রাথমিকভাবে স্থানীয় কৃষকরা সাড়ে ৪ লাখ টাকারও বেশি ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করছেন।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা দ্রুত সরকারি সহায়তা কামনা করেছেন। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে খড় পোড়ানো নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) দুপুর ২টার দিকে বাগাতিপাড়া উপজেলার পাঁকা ইউনিয়নের গাঁওপাড়া বিল এলাকায় এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পাশ্ববর্তী রাজশাহীর বাঘা উপজেলার ঝিনা গ্রামের কৃষক রহম আলী তার জমিতে গম কাটার পর অবশিষ্ট খড় (খেড়) পোড়াতে আগুন দেন। কিন্তু প্রবল বাতাসের কারণে আগুন দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় এবং দুই উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় অবস্থিত গাঁওপাড়া বিলের বিস্তীর্ণ গমক্ষেতে ছড়িয়ে পড়ে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আগুনের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিলো যে স্থানীয়দের সম্মিলিত প্রচেষ্টাতেও তা নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি। মুহূর্তের মধ্যেই পাকা গম পুড়ে কয়লায় পরিণত হয়।

উপজেলার গাঁওপাড়া এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক মশিউর রহমান বাবু (৪৮) জানান, তার আড়াই বিঘা জমির পুরো গম পুড়ে গেছে। তিনি অভিযোগ করে বলেন, স্থানীয়রা রহম আলীকে বাতাস ও রোদ বেশি থাকায় খড় পোড়াতে নিষেধ করলেও তিনি তা অমান্য করেন। এর ফলে ভয়াবহ এ ক্ষতির মুখে পড়তে হয়েছে।

তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় জালাল আলীর ৩ বিঘা, আজগর আলীর আড়াই বিঘা, শাহবাজ আলীর দেড় বিঘা, মনসুর আলীর ১০ কাঠাসহ আরও অনেক কৃষকের পাকা গম পুড়ে গেছে। এতে তাদের প্রায় ৪ লাখ টাকার বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

উপজেলার আরেক কৃষক শাহবাজ আলী (৫০) বলেন, আরেক কৃষক শাহবাজ আলী (৫০) জানান, তার দেড় বিঘা জমিতে গম চাষ করেছিলেন। আগুনে তার পুরো ফসল পুড়ে যাওয়ায় তিনি চরম আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। শুধু তিনি নন, একই ঘটনায় বিলের আরও অনেক কৃষকের মৌসুমি গম সম্পূর্ণভাবে নষ্ট হয়ে গেছে।

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ড. ভবসিন্ধু রায় বলেন, এটি একটি অপরাধমূলক ঘটনা এবং দুই উপজেলার সংশ্লিষ্টতা থাকায় প্রতিকার পেতে হলে আইনের আশ্রয় নিতে হবে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা প্রস্তুত করে তাদেরকে সরকারি প্রণোদনার আওতায় আনা হবে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

বাগাতিপাড়া মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ  মনজুর আলম বলেন, এ বিষয়ে কেও থানায় লিখিত অভিযোগ করেন নি।
খড় পোড়ানোর মতো ঝুঁকিপূর্ণ কাজ বন্ধে প্রশাসনের আরও কঠোর নজরদারি প্রয়োজন, নইলে এ ধরনের ঘটনা বারবার ঘটবে।

সবার দেশ/কেএম

শীর্ষ সংবাদ:

মেসির বিদায়ে আবেগঘন আন্তোনেলা
লঘুচাপের প্রভাবে ঝড়ো হাওয়ার আশঙ্কা, ৩ নম্বর সতর্কসংকেত
কানাডার পার্লামেন্টের এমপি বাংলাদেশি তানভীর
ভারতে ভয়াবহ বিস্ফোরণে নিহত ১১; রেল চলাচল বন্ধ
নভেম্বরে যোগ হবে রূপপুরের বিদ্যুৎ!
প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে বিরোধে মার্কিন সেনাপ্রধানের পদত্যাগ
ফিল্মি কায়দায় নববধূ ‘ছিনতাই’! যা বললেন কনে তামান্না
বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ, সামনে ১০ চ্যালেঞ্জ
ঢাবির মেয়েদের হল বন্ধ রাত ১১টায়
নবম পে-স্কেল অনুমোদন: কার বেতন কত
নেপালে বন্যায় প্রাণহানি বেড়ে ৯১৯, নিখোঁজ ৪ হাজারের বেশি
জামালপুরে বাস-ইজিবাইক সংঘর্ষে নিহত ৪
ফেল করা শিক্ষার্থীদের জন্য সুখবর
শিল্প কোনও পাপ নয়: প্রভা
মক্কা ডিফেন্স অ্যালায়েন্সের আনুষ্ঠানিক যাত্রা
দেশে প্রথম রোবটিক সার্জারি, প্রথম দিনে ২ রোগীর অস্ত্রোপচার
আন্তর্জাতিক ফুটবলকে গুডবাই বললেন মেসি
পূজার আগেই পাকিস্তানের হামলার প্রস্তুতিতে শঙ্কিত ভারত