Sobar Desh | সবার দেশ কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১২:১৬, ৯ নভেম্বর ২০২৫

উত্তপ্ত কয়া ইউনিয়ন

কুষ্টিয়ায় বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ: বাড়িতে হামলা-লুটপাট

কুষ্টিয়ায় বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ: বাড়িতে হামলা-লুটপাট
ছবি: সংগৃহীত

কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার কয়া ইউনিয়নে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ১২ নেতাকর্মীর বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার সন্ধ্যায় ইউনিয়নের সুলতানপুর ও বের কালোয়া গ্রামে এই সহিংসতা ঘটে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এক ডজনের বেশি বাড়িঘর, লুট হয়েছে লাখ লাখ টাকার সম্পদ।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কয়া ইউনিয়নের ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই বিরোধ চলে আসছে। ৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি বকুল বিশ্বাস এবং ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি রাশিদুল ইসলামের অনুসারীদের মধ্যে আধিপত্য নিয়ে উত্তেজনা তৈরি হয় পদ্মা নদী ও কালোয়া বাজার এলাকায়। এরই জেরে ১ নভেম্বর দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে দুইজন আহত হন।

সে ঘটনার পর পাল্টাপাল্টি মামলা হয়। শুক্রবার সন্ধ্যায় আবারও উত্তেজনা দেখা দিলে বকুল বিশ্বাসের অনুসারীরা স্থানীয় আওয়ামী লীগের কিছু নেতাকর্মীর সহায়তায় রাশিদুল ইসলামের অনুসারীদের ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে ১২টি বাড়িঘর ভাঙচুরের পাশাপাশি নগদ অর্থ, স্বর্ণালংকার, আসবাবপত্র ও গবাদিপশু লুট করা হয়। ক্ষতিগ্রস্তদের দাবি, প্রায় ৪০ লাখ টাকার সম্পদ লুটপাট হয়েছে।

ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে রয়েছেন কয়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও যুবদল নেতা সালমান এফ রহমান, ৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি রাশিদুল ইসলামসহ আরও অনেকে। সালমানের পরিবারের দাবি, হামলাকারীরা তাদের বাড়ির জানালা-দরজা ভেঙে নগদ টাকা, স্বর্ণ এবং দুটি গরু নিয়ে গেছে।

রাশিদুল ইসলামের অভিযোগ, বিএনপি নেতা বকুল মেম্বার আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে আমাদের ওপর হামলা চালিয়েছে। আমাদের অন্তত ১২টি বাড়ি ভাঙচুর ও লুট করা হয়েছে। এতে প্রায় ৪০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। চাঁদা না দেয়ায় এক মাসে এটি তৃতীয় দফা হামলা।

অভিযোগ অস্বীকার করে বকুল বিশ্বাস বলেন, রাশিদুল ও সালমান নিজেরাই এলাকায় চাঁদাবাজি করে বিশৃঙ্খলা তৈরি করছেন। শুক্রবার তারাই আগে আমাদের ওপর হামলা চালায়।

কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার জিয়াউর রহমান জানান, পূর্ব শত্রুতার জেরে এক পক্ষ অন্য পক্ষের বাড়িতে হামলা চালিয়েছে। লুটপাটের অভিযোগও পাওয়া গেছে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। ১ নভেম্বরের ঘটনায় একটি মামলা হয়েছিলো, তবে প্রতিপক্ষ দেরি করায় আরেকটি মামলা এখনো নথিভুক্ত হয়নি। তদন্ত চলছে, দ্রুতই ব্যবস্থা নেয়া হবে।

কয়া ইউনিয়নে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। নিরাপত্তা জোরদার করেছে স্থানীয় পুলিশ।

সবার দেশ/কেএম

শীর্ষ সংবাদ:

এনসিপিতে যোগ দিচ্ছেন জুলাই আন্দোলনের নেতারা
খালেদা-তারেক গ্রেফতারে চাপ ছিলো দুই সম্পাদকের
ফ্রান্সে অভিবাসন ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তনের আভাস
হরমুজে মার্কিনী ‘পুলিশি’ জাহাজকে ডুবিয়ে দিবে ইরান
হরমুজে জাহাজ চলাচলে সুখবর দিলো ইরান
জ্বালানি সংকটে স্থগিত বার কাউন্সিল নির্বাচন
রাজনীতি নয়, ধর্মীয় বিষয়েই সীমাবদ্ধ থাকুন: পোপকে ভ্যান্স
‘কুষ্টিয়ায় পীর হত্যায় জামায়াত জড়িত নয়’
ইসরায়েলগামী অস্ত্রচালান বেলজিয়ামে জব্দ
ইকবাল সোবহান চৌধুরীকে বিমানবন্দরে আটকালো পুলিশ
ইরানের সঙ্গে সমঝোতায় আশাবাদী হোয়াইট হাউস
জ্বালানি সংকট মেটাতে ২০০ কোটি ডলার সহায়তা চাইলো বাংলাদেশ
পাকিস্তানের সেনাপ্রধান তেহরানে
শিগগিরই প্রাথমিকে ৬০ হাজার শিক্ষক নিয়োগ
বাংলাদেশকে ২ কোটি ১৯ লাখ হাম-রুবেলা টিকা দেবে যুক্তরাষ্ট্র
যুক্তরাজ্যের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি বাতিলের হুমকি ট্রাম্পের
মালয়েশিয়ায় স্থানান্তর করা হলো মির্জা আব্বাসকে