Sobar Desh | সবার দেশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ০০:১৮, ১৪ অক্টোবর ২০২৫

ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি চুক্তি

ইসরায়েল থেকে মুক্তি পেলো প্রায় দুই হাজার ফিলিস্তিনি

ইসরায়েল থেকে মুক্তি পেলো প্রায় দুই হাজার ফিলিস্তিনি
ছবি: সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে ঐতিহাসিক এক মানবিক অগ্রগতি ঘটলো গাজা যুদ্ধবিরতি চুক্তির আওতায়। ইসরায়েল সোমবার (১৩ অসক্টাবর) প্রায় দুই হাজার ফিলিস্তিনি বন্দিকে মুক্তি দিয়েছে—যা সাম্প্রতিক সংঘাত-পরবর্তী সবচেয়ে বড় বন্দিমুক্তি কার্যক্রম।

ইসরায়েলি কারা কর্তৃপক্ষ জানায়, মোট এক হাজার ৯৬৮ জন বন্দিকে পূর্বে ওফার ও কৎজিওত কারাগারে স্থানান্তর করা হয়েছিলো। প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর এবং রাজনৈতিক অনুমোদন পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তাদের মুক্তি দেয়া হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, ওফার কারাগার থেকে বন্দিদের পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুজালেমে এবং কৎজিওত কারাগার থেকে বন্দিদের কেরেম শালোম সীমান্ত দিয়ে গাজা উপত্যকায় পাঠানো হয়েছে।

এ মুক্তিপ্রাপ্তদের অধিকাংশই ফিলিস্তিনি রাজনৈতিক বন্দি, যারা গত এক দশকে বিভিন্ন সামরিক অভিযানে ইসরায়েলি বাহিনীর হাতে আটক হয়েছিলেন। তাদের অনেকের বিরুদ্ধে কোনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগও গঠন করা হয়নি বলে মানবাধিকার সংস্থাগুলোর দাবি।

হামাস এক বিবৃতিতে এ মুক্তিকে ‘ঐতিহাসিক জাতীয় মাইলফলক’ বলে আখ্যা দিয়েছে। সংগঠনটির বিবৃতিতে বলা হয়, 

আমরা আমাদের মুক্তিপ্রাপ্ত বীর সন্তানদের, তাদের পরিবারকে এবং সমগ্র ফিলিস্তিনি জাতিকে অভিনন্দন জানাই। দখলদার শক্তির কারাগার থেকে এ মুক্তি আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামে এক গৌরবময় অধ্যায় যোগ করেছে।

এ ব্যাপক বন্দিমুক্তি সম্ভব হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় সম্পন্ন গাজা যুদ্ধবিরতি চুক্তির ফলে। চুক্তির আওতায় ইসরায়েলি জিম্মিদের মুক্তির বিনিময়ে ফিলিস্তিনি বন্দিদের মুক্তি দেয়া হয়।

বিশ্লেষকদের মতে, এ পদক্ষেপ শুধু মানবিক বার্তা নয়, বরং ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সম্পর্কের নতুন সম্ভাবনার দ্বারও খুলে দিতে পারে—যদি দুই পক্ষ পরবর্তী ধাপে আস্থার ভিত্তি তৈরি করতে পারে।

তবে ইসরায়েলি রাজনীতির অভ্যন্তরে এ মুক্তি নিয়ে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিরোধীরা বলছেন, সন্ত্রাসী’ অভিযুক্তদের ছেড়ে দেয়া নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি হতে পারে। অন্যদিকে মানবাধিকার সংগঠনগুলো একে ‘ন্যায়বিচারের আংশিক পুনরুদ্ধার’ হিসেবে দেখছে।

গাজা যুদ্ধবিরতি চুক্তির বাস্তবায়ন এখন নজরে পুরো বিশ্বের—কারণ এ বন্দিমুক্তিই প্রমাণ করবে, ট্রাম্পের মধ্যস্থতা কি কেবল প্রতীকী, নাকি সত্যিই মধ্যপ্রাচ্যে নতুন শান্তির যুগের সূচনা করছে।

সবার দেশ/কেএম

শীর্ষ সংবাদ:

সিনেমায় এখনই ‘না’ নাজনীন নীহার
ভারতের উপকূল পেরিয়েছে অর্ণব, বাংলাদেশে ৩ নম্বর সংকেত
বিমানবন্দরে দুই যাত্রীর অন্তর্বাসে ১২ কেজি স্বর্ণের পেস্ট
আরবদের বাদ দিয়ে সরকার গঠনের দাবি ইসরায়েলি নেত্রীর
বাংলাদেশ-জাপান ছয় চুক্তি, ২৯৫.৫ মিলিয়ন ডলার ঋণ
স্পেনে দুই ট্রেনের সংঘর্ষে নিহত বেড়ে ৬৪
মিরপুরে উচ্ছেদের পরই ফের দখল, সন্ধ্যায় অভিযান
কানাডার অভিবাসন আইনে পরিবর্তন, উদ্বেগে আবেদনকারীরা
মর্গে মৃত নারীদের ধর্ষণের প্রতিবেদন, সাংবাদিককে হত্যার হুমকি
দেশজুড়ে ভিক্ষাবৃত্তি চক্রের সিন্ডিকেট
নেতানিয়াহুকে হটাতে আরব জোটের দিকে বিরোধীরা
স্পেনে দুই ট্রেনের সংঘর্ষ, নিহত অন্তত ৪৬
ইসরায়েলের ক্ষমতার চাবিকাঠি কি আরব দলগুলোর হাতে?
যৌবন ধরে রাখতে ‘রেড লাইট’ থেরাপি সানিয়া মির্জার
ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের তাণ্ডবে বিপর্যস্ত ভারত
ছাত্রদল নেতা খুন: ওসি প্রত্যাহার, তদন্তে ডিবি
হেমন্তের স্নিগ্ধ সন্ধ্যায় সাংবাদিকদের মিলনমেলা
নেতানিয়াহু হেরে গেছেন! কে হচ্ছেন ইসরায়েলের নতুন প্রধানমন্ত্রী?