পতিত ও নব্য দুই স্বৈরাচারকেই পরাজিত করবো: নাহিদ ইসলাম
রাজধানীর শাহবাগে গণবিক্ষোভ সমাবেশ থেকে বিএনপি সরকারের কঠোর সমালোচনা করে পতিত আওয়ামী লীগ সরকার ও বর্তমান সরকারকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলার ঘোষণা দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেছেন, হাজারো মানুষের রক্তের বিনিময়ে একটি স্বৈরাচারকে বিদায় করার পর দেশে নতুন স্বৈরাচারের উত্থান দেখা যাচ্ছে। তবে পতিত স্বৈরাচার ও নব্য স্বৈরাচার—দুই শক্তিকেই পরাজিত করা হবে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও জ্বালানিমন্ত্রীর পদত্যাগসহ চার দফা দাবিতে শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) বিকেলে রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে এ গণবিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করে এনসিপির ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ শাখা।
সমাবেশে নাহিদ ইসলাম বলেন, বিএনপি সরকারের কাছে দেশ পরিচালনার কোনও সুস্পষ্ট পরিকল্পনা দেখা যাচ্ছে না। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের পরিকল্পনা দেশ পরিচালনার পরিবর্তে দুর্নীতি, লুটপাট, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাস প্রতিষ্ঠার দিকে যাচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
তিনি বলেন, হাজারো মানুষের রক্তদানের মধ্য দিয়ে একটি স্বৈরাচারী শাসনের অবসান ঘটেছে। কিন্তু এখন নতুন করে আরেকটি স্বৈরাচারী ব্যবস্থার উত্থান দেখা যাচ্ছে। এনসিপির প্রতিশ্রুতি, পতিত স্বৈরাচার ও নব্য স্বৈরাচার—কাউকেই ছাড় দেয়া হবে না। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে দুই শক্তিকেই পরাজিত করা হবে।
দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক পরিস্থিতি তুলে ধরে নাহিদ ইসলাম বলেন, বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করার নানা চক্রান্ত চলছে। সীমান্তে হত্যা, পাহাড়ে অশান্তি এবং ভারতের আসাম ও পশ্চিমবঙ্গে মুসলমানদের ওপর নিপীড়নের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, দিল্লিতে মসজিদ ভাঙার ঘটনাসহ বিভিন্ন পরিস্থিতি বাংলাদেশের নিরাপত্তা ও স্বার্থের সঙ্গে সম্পর্কিত। প্রতিবেশী দেশটির নানা তৎপরতা থেকে বাংলাদেশকে রক্ষায় বর্তমান সরকার কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারছে না বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

ভারতের সঙ্গে সম্ভাব্য করিডর ইস্যুতে সতর্ক করে এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, জাপান সফরে গিয়ে আবারও বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে করিডর তৈরির চেষ্টা চলছে। ভারতের হাতে কোনও অবৈধ করিডর তুলে দেয়ার উদ্যোগ বাংলাদেশের মানুষ মেনে নেবে না। আগামী ডিসেম্বরে গঙ্গা পানিবণ্টন চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, চুক্তি ন্যায্য ভিত্তিতে নবায়ন না হলে জনগণ আবারও রাজপথে নামবে। বাংলাদেশের পানির ন্যায্য হিস্যার প্রশ্নে কোনও ছাড় দেয়া হবে না।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির অভিযোগ তুলে নাহিদ ইসলাম বলেন, দেশে খুন, গুম ও নৈরাজ্য চললেও সরকার কার্যকর ব্যবস্থা নিতে পারছে না। এসব ব্যর্থতার দায় নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হবে। একই সঙ্গে জ্বালানি খাতের সংকট ও ব্যবস্থাপনার ব্যর্থতার দায়ে জ্বালানিমন্ত্রীরও পদত্যাগ দাবি করেন তিনি।
দাবি আদায় না হলে আন্দোলন সারা দেশে ছড়িয়ে দেয়ার হুঁশিয়ারি দিয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, প্রথমে বিভিন্ন স্থানে মিছিল ও সমাবেশ করা হবে। এরপর সে কর্মসূচি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ঘেরাও করে দাবি আদায় করা হবে।
এনসিপির সদস্যসচিব ও সংসদ সদস্য আখতার হোসেন বলেন, বিএনপি সরকার গঠনের আগে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলো, নির্বাচন হলে দেশের সব সমস্যার সমাধান হবে। কিন্তু নির্বাচনের নয় মাস পরও আইনশৃঙ্খলা, গণতন্ত্র ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়নি। বরং বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দলে দলটির ৪০ জনের বেশি নেতাকর্মী নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি।
আখতার হোসেন অভিযোগ করেন, বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে চাঁদাবাজি, ছিনতাই, দখলদারত্ব ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটছে। অথচ এসব অপরাধের বিচার নিশ্চিত না করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পুরোনো ফ্যাসিবাদী কাঠামোর সংবিধান রক্ষায় ব্যস্ত রয়েছেন। সরকারের এসব ব্যর্থতার দায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকেই নিতে হবে।
দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও জ্বালানি সংকটের সমালোচনা করে তিনি বলেন, বাজেটের আগে ও পরে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেড়েছে। কোলকাতায় যে গ্যাস এক হাজার টাকায় পাওয়া যায়, বাংলাদেশে তা কিনতে হচ্ছে আড়াই হাজার টাকায়। কোলকাতায় যদি আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির প্রভাব সামলে কম দামে গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব হয়, তাহলে বাংলাদেশে এতো বেশি দাম কেনো—জ্বালানিমন্ত্রীকে এর জবাব দিতে হবে।

মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন এনসিপির সদস্যসচিব। তিনি বলেন, ২০২৪ সালের অভ্যুত্থানের পর মানবাধিকার সুরক্ষায় শক্তিশালী আইন প্রণয়নের প্রত্যাশা ছিলো। কিন্তু সরকার এমন কিছু দুর্বল আইন প্রণয়ন করেছে, যা মানবাধিকার লঙ্ঘনের সুযোগ তৈরি করতে পারে।
বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফ সৌরির মৃত্যুর প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, শেখ হাসিনার দেশত্যাগের ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেয়ার পর তার মৃত্যুর ঘটনায় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের উল্লাস করতে দেখা যাচ্ছে। ২০২৪ সালের গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার নিশ্চিত না হওয়ায় তারা এমন সাহস পাচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
আখতার হোসেন চার দফা দাবি তুলে ধরে বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও জ্বালানিমন্ত্রীর পদত্যাগ, একতরফা সংবিধান সংশোধন কমিটি বাতিল করে গণভোটের রায় অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন, মানবাধিকারবিরোধী আইন বাতিল এবং আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগীদের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের আওতায় আনতে হবে। পাশাপাশি সাইবার সুরক্ষা আইনে নতুন করে সংশোধনী আনার বিরোধিতা করেন তিনি।
গঙ্গা পানিবণ্টন চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার প্রসঙ্গ তুলে আখতার হোসেন বলেন, চুক্তি নবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশের ন্যায্য স্বার্থ রক্ষা করতে পারবে কি না, সেটিই হবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা।
সমাবেশে এনসিপির ঢাকা মহানগর দক্ষিণের মেয়র প্রার্থী নাসীরুদ্দিন পাটওয়ারী বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশের দ্রব্যমূল্য প্রায় ২০ শতাংশ বেশি বলে তাদের জরিপে উঠে এসেছে। তার অভিযোগ, আমদানি ও বাজারজাতকরণ ব্যবস্থায় কয়েকটি বড় প্রতিষ্ঠানের সিন্ডিকেট সক্রিয়। মেঘনা গ্রুপ ও বসুন্ধরা গ্রুপের নাম উল্লেখ করে তিনি বলেন, এসব সিন্ডিকেটের কারণে শ্রমিক, কৃষক, কুলি-মজুরসহ সাধারণ মানুষকে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।
ঢাকায় অটোরিকশা বন্ধ ও হকার উচ্ছেদের উদ্যোগকে স্বাগত জানালেও বিকল্প গণপরিবহন নিশ্চিত না করার সমালোচনা করেন তিনি। নাসীরুদ্দিন পাটওয়ারী বলেন, অটোরিকশা বন্ধ করে কর্মজীবী মানুষের যাতায়াতের বিকল্প ব্যবস্থা না করলে সাধারণ মানুষই বিপাকে পড়বে। রাজধানীতে দ্রুত জনবান্ধব গণপরিবহন ব্যবস্থা চালুর দাবি জানান তিনি।
এনসিপির ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র প্রার্থী ও দলের সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়া বলেন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি, অতিরিক্ত বিল, বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকটে ঢাকার মানুষ বিপর্যস্ত। সরকার নির্বাচনের আগে নানা প্রতিশ্রুতি দিলেও ক্ষমতায় এসে জুলাই সনদ ও ৩১ দফার প্রতিশ্রুতি থেকে সরে গেছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, বিএনপি দীর্ঘদিনের আন্দোলন-সংগ্রামে যুক্ত নেতাকর্মীদের উপেক্ষা করে স্বজনপ্রীতি ও প্রভাবশালীদের সুযোগ দিচ্ছে। আগে যারা নিজেদের পারিবারিক পরিচয় আড়াল করে চলতেন, ক্ষমতায় আসার পর তাদের কেউ কেউ বাবার পরিচয় ব্যবহার করে টেন্ডারসহ বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে প্রভাব বিস্তার করছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।
ঠাকুরগাঁওয়ের উপনির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ তুলে আসিফ মাহমুদ বলেন, বিভিন্ন কেন্দ্রে প্রিসাইডিং কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যালটে আগাম সিল মারার অভিযোগ উঠেছে। অথচ সরকারি ও বিরোধী দলের প্রার্থীদের মধ্যে সৌহার্দ্যের দৃশ্য দেখা যাচ্ছে। এ পরিস্থিতি দেশের নির্বাচনী ব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থার প্রশ্ন সামনে এনেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

ঢাকার সিটি করপোরেশনের প্রশাসকদের নিয়োগ ও কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে তিনি বলেন, জাতীয় নির্বাচনে মনোনয়নবঞ্চিত বিএনপি নেতাদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। তারা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নেয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন এবং সিটি করপোরেশনের অর্থে প্রচার চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।
আসিফ মাহমুদ আরও অভিযোগ করেন, উচ্ছেদ অভিযানের আড়ালে ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় নতুন করে চাঁদাবাজির ব্যবস্থা গড়ে তোলা হচ্ছে। সকালে উচ্ছেদ করে বিকেলে একই ব্যক্তিদের কাছ থেকে বেশি অর্থ নিয়ে আবার বসার সুযোগ দেয়া হচ্ছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে রাজধানীতে নতুন মাফিয়াতন্ত্র প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চলছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
এনসিপির রাজনৈতিক পর্ষদের সদস্য আরিফুল ইসলাম আদীব বলেন, নির্বাচনের পরপরই বিএনপি গণভোটের রায় প্রত্যাখ্যান করেছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতার পাশাপাশি স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনেও সরকার অনীহা দেখাচ্ছে। সারাদেশে চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও দখলদারত্বের বিস্তার ঘটেছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
সরকারের সমালোচনা করায় ২৮ জনকে গ্রেফতারের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ পর্যন্ত নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। কুষ্টিয়ার একটি মাজারে হামলার ঘটনায় ছাত্রদলের আট নেতাকর্মীর নাম আসার প্রসঙ্গও তুলে ধরেন তিনি। এসব ঘটনার দায় নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেন। দাবি আদায় না হলে দেশের বিভিন্ন শহরে ধারাবাহিক আন্দোলনের কর্মসূচি দেয়ার ঘোষণা দেন তিনি।
এনসিপির রাজনৈতিক পর্ষদের সদস্য আকরাম হুসাইন সিএফ বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় যাওয়ার আগে সিন্ডিকেটমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলো। কিন্তু ক্ষমতায় এসে পুরোনো সিন্ডিকেট বহাল রেখেছে। তেল ও সার আমদানিতে সিন্ডিকেটের কারণে দাম বাড়ছে এবং কৃষকেরা প্রয়োজনীয় সার পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেন তিনি।
জাতীয় যুবশক্তির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট তরিকুল ইসলাম বলেন, আওয়ামী লীগের শাসন থেকে মুক্তির পর মানুষ নতুন রাজনৈতিক সরকারের কাছে পরিবর্তন ও সংস্কার প্রত্যাশা করেছিলো। কিন্তু বিএনপি ক্ষমতায় আসার আট মাসের মধ্যেই তাদের সংস্কারবিমুখতার বিষয়টি স্পষ্ট হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
জাতীয় নারীশক্তির আহ্বায়ক ও সংসদ সদস্য ডা. মাহমুদা মিতু বলেন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে সাধারণ মানুষের জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। অভিভাবকেরা সন্তানদের পুষ্টিকর খাবার দিতে পারছেন না, নারীরাও নিরাপদে চলাচল করতে পারছেন না। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকারের ব্যর্থতার অভিযোগ তুলে তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেন।
জাতীয় ছাত্রশক্তির সভাপতি আবু বাকের মজুমদার বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় বিএনপি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি, গুম-খুন বন্ধ এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলো। কিন্তু ক্ষমতায় আসার পর সে প্রতিশ্রুতিগুলোর বাস্তবায়ন হয়নি। জুলাই আন্দোলনে অংশ নেয়া ব্যক্তিরাও এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফ সৌরির মৃত্যুর ঘটনায় আওয়ামী লীগের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা থাকতে পারে বলে সন্দেহ প্রকাশ করেন এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানান।
সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন জাতীয় শ্রমিকশক্তির সদস্যসচিব রিয়াজ মোর্শেদ, জাতীয় স্বেচ্ছাসেবকশক্তির আহ্বায়ক মাহিন সরকারসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ, সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব সারজিস আলম, রাজনৈতিক পর্ষদের সদস্য আব্দুল্লাহ আল আমিন, ড. আতিক মুজাহিদ, আব্দুল হান্নান মাসউদ, সারোয়ার তুষার এবং যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিনসহ কেন্দ্রীয় ও মহানগর পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
সবার দেশ/কেএম




























