জুলাই ঘোষণাপত্রেই রচিত হবে নতুন বাংলাদেশের রূপরেখা: নাহিদ ইসলাম
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের যে আকাঙ্ক্ষা ছিলো, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের বৈষম্যহীন বাংলাদেশের যে স্বপ্ন ছিলো, সে আকাঙ্ক্ষা পূরণেই এখন সময়। আমরা নতুন করে ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ তৈরি করতে চাই, যা বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ রাষ্ট্রকাঠামোর রূপরেখা নির্ধারণ করবে।
মঙ্গলবার (৮ জুলাই) সন্ধ্যায় মেহেরপুর কলেজ মোড়ে ‘জুলাই অভ্যুত্থানের এক বছর’ উপলক্ষে আয়োজিত পদযাত্রা ও পথসভায় এ কথা বলেন তিনি। সারাদেশে পালিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে মেহেরপুরে আয়োজিত এ পদযাত্রা শেষে তিনি বক্তব্য রাখেন।
নাহিদ ইসলাম বলেন, ১৯৭১ সালে এ মেহেরপুর থেকেই পাঠ করা হয়েছিলো স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র। সে ঘোষণাপত্রের আলোকে যে বাংলাদেশ গঠনের স্বপ্ন ছিলো, তা পরবর্তী সময়ে মুজিববাদী সংবিধান ও ক্ষমতাকেন্দ্রিক রাজনীতির চাপে হারিয়ে যায়। ৫৪ বছরের মুক্তিযুদ্ধ-পরবর্তী সময়েও সাধারণ মানুষের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়িত হয়নি। কিন্তু ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে আমরা নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি করেছি— রাষ্ট্রকে নতুনভাবে বিনির্মাণের।
তিনি আরও বলেন, এ লড়াই এখন কেবল স্বৈরাচার পতনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়— বরং গণতন্ত্র, সমতা ও নাগরিক অধিকারের একটি পূর্ণাঙ্গ কাঠামো দাঁড় করানোই আমাদের লক্ষ্য। সে লক্ষ্য বাস্তবায়নে ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ হবে এক ঐতিহাসিক ভিত্তি।
পথসভায় আরও বক্তব্য রাখেন এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ, কেন্দ্রীয় নেত্রী ডা. তাসনিম জারা, মুখ্য সমন্বয়ক নাসিরউদ্দিন পাটোয়ারী, মেহেরপুর জেলার যুগ্ম সমন্বয়কারী অ্যাডভোকেট শাকিল আহমেদ, সোহেল রানা প্রমুখ।
এর আগে কুষ্টিয়ায় পদযাত্রা শেষে মেহেরপুরের গাংনী বাজার প্রাঙ্গণে পথসভায় এনসিপির শীর্ষ নেতারা বক্তব্য দেন।
সবার দেশ/কেএম




























